ম্যাট হেনরির শর্ট বল ফাইন লেগ দিয়ে সীমানা ছাড়া করলেন নামান ধীর। দুই বল আগেই নিউজিল্যান্ডের বিশাল পুঁজি পেরিয়ে গেল ভারত। শুরুতে রেকর্ড রান তাড়ায় ভিত গড়ে দেন সঞ্জু স্যামসন, মাঝে ভূমিকা রাখেন শ্রেয়াস আইয়ার।
ক্রাইস্টচার্চে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ৪ উইকেটে জিতেছে ভারত। আগে ব্যাট করে গ্লেন ফিলিপসের ঝড়ে ২২৫ রানের বড় পুঁজি পায় স্বাগতিক দল। স্যামসনের ঝড়ো ফিফটির পর শেষ দিকে নামানের ১৫ বলে ৪২ রানের টর্নেডো ইনিংসে টি-টোয়েন্টিতে নিজেদের সর্বোচ্চ রান তাড়ার রেকর্ড গড়ে ভারত। এর আগে ২০০৯ সালে ২১১ রান তাড়া করে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়েছিল তারা।
৩৩ বলে ৮ চার, ৪ ছক্কায় ৬৭ রান করে ম্যাচ সেরা হয়েছেন স্যামসন। ২৮ বলে ৪২ করেন শ্রেয়াস। তবে কাজের কাজ করেছেন নামান। কঠিন সমীকরণের মাঝে নেমে শেষের ঝড় আসে তার ব্যাটে। ৫ চার ২ ছক্কায় ৪২ রানের ইনিংসটি ম্যাচের মোড় ঘোরানো। ঠাসা সূচির মাঝে ভ্রমণ ক্লান্তি কাটানোর আগেই এই জয়ে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে শুরুতেই এগিয়ে গেল সফরকারীরা।
২২৬ রানের লক্ষ্যে দুই ওপেনার স্যামসন আর অভিষেক শর্মা মিলে তোলেন তাণ্ডব। পাওয়ার প্লেতেই একশর কাছে নিয়ে যান দলের সংগ্রহ। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে অভিষেক ১২ বলে ২৯ করে যখন ফিরছেন, তখন স্কোরবোর্ডে ৯৩ রান।
স্যামসন ফেরেন ফিফটি পেরিয়ে। দারুণ ছন্দে থাকা ডানহাতি ৮ চারের সঙ্গে মারেন ৪ ছক্কা। তিনে নেমে রান পাননি তিলক বর্মা। তিন থেকে পাঁচে সরে ব্যর্থ ইশান কিশানও। তবে শ্রেয়াসের প্রান্ত ধরে রাখা ও অক্ষর প্যাটেল, নামান ধীরদের ব্যাটে রান তাড়ার গতি কমেনি।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নামা নিউজিল্যান্ডও ভালো শুরু পেয়েছিল। দলের ৪৯ রানে পঞ্চম ওভারে ফেরেন টিম সেইফার্ট। আরেক ওপেনার ফিন অ্যালেন এরপরও চালিয়ে যান। ফিফটির আগে তাকে ফেরান অক্ষর। লম্বা সময় পর ফেরা ভুবনেশ্বর কুমার এই ম্যাচে ছিলেন খরুচে। ৪ ওভারে ৪৯ রান দিয়ে উইকেটশূন্য ছিলেন তিনি।
ড্যারেল মিচেল থিতু হয়ে থামলে সব ভার যেন নেন ফিলিপস। অপরাজিত ৮২ রানে দলকে ভীষণ চ্যালেঞ্জিং জায়গায় নিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। তবে হেগলি ওভালের রানে ভরা উইকেটে ওই পুঁজি ভারতের আগ্রাসী ব্যাটারদের কাছে বাধা হতে পারেনি।
