ম্যাচের আগে বার্সেলোনার তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামালকে চেনেন না বলে মন্তব্য করেছিলেন গালাতাসারায়ের মিডফিল্ডার মারিও লেমিনা। নিজের ক্লাব সতীর্থ লেরয় সানেকে চেনেন বলেই জানিয়েছিলেন তিনি। তবে ম্যাচ শেষে ইয়ামালকে মনে রাখার মতো যথেষ্ট কারণই পেয়ে গেলেন লেমিনা। নিজেদের মাঠে গালাতাসারায়কে ৪-১ গোলে হারিয়ে দাপুটে জয় তুলে নিয়েছে বার্সেলোনা।
রামস পার্কে ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে গালাতাসারায়। ম্যাচের ২৮ মিনিটে সমর্থকদের উল্লাসে মাতিয়ে দলকে এগিয়ে দেন আলেক্সেই বাতরাকভ। বাঁ দিক থেকে রাফায়েল লিয়াওয়ের কাটব্যাক পেয়ে বক্সের বাইরে থেকে শট নেন তিনি। বলটি জোয়াও কানসেলোর গায়ে লেগে জালে জড়ালে এগিয়ে যায় স্বাগতিকেরা।
এরপর ৩৪তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করার সুযোগও পেয়ে যায় গালাতাসারায়। বারিস আলপার ইলমাজের করা গোলটি প্রথমে স্কোরবোর্ডে যোগ হলেও ভিএআরের হস্তক্ষেপে অফসাইডের কারণে তা বাতিল হয়। ফলে ম্যাচে ফেরার সুযোগ পায় বার্সেলোনা।
বিরতির ঠিক আগে, ৩৭তম মিনিটে সমতায় ফেরে কাতালানরা। ওলমোর ট্যাকল থেকে বল পেয়ে দারুণ এক শটে গোল করেন পর্তুগিজ তারকা জোয়াও কানসেলো। তাতে ১-১ সমতায় বিরতিতে যায় দুই দল।
দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় বার্সেলোনা। ৫০তম মিনিটে লামিনে ইয়ামালের ক্রস থেকে হেডে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন ফেরমিন লোপেজ। তিন মিনিট পরই ব্যবধান বাড়ান অ্যান্থনি গর্ডন। লা লিগায় গোল পাওয়ার এক দিনের মাথায় চ্যাম্পিয়ন্স লিগেও নিজের নাম স্কোরশিটে তুলে নেন এই ইংলিশ তারকা।
এরপর ম্যাচের শেষ দিকে গালাতাসারায়ের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেন জার্মান উইঙ্গার করিম আদেয়েমি। জেসুসের কাছ থেকে বল পেয়ে দুর্দান্ত শটে গোল করেন তিনি। তাতে ৪-১ গোলের বড় জয় নিশ্চিত হয় বার্সেলোনার।
ম্যাচের আগে ইয়ামালকে না চেনার কথা বললেও, বার্সেলোনার আক্রমণাত্মক ফুটবলের সামনে গালাতাসারায়ের অসহায় আত্মসমর্পণই হয়ে থাকল ম্যাচের মূল গল্প।
