কর্মসূত্রে একটা বয়সের পর চেনা ঘর, চেনা শহর ছাড়তেই হয়। কিন্তু বছরভর যেখানেই থাকা হোক না কেন, দুর্গাপুজোয় মন টানে এই চেনা শহর। এই কয়েকটা দিন প্রিয়জনকে কাছে চান সকলেই। কিন্তু ভিনরাজ্যে কর্মরতরা ভালোই জানেন, মন চাইলেই পুজোয় বাড়ি ফেরা যায় না। এদিকে মনও মানতে চায় না। তাই পুজোয় ঘরে ফেরা নিশ্চিত করতে মিথ্যের আশ্রয় নিয়ে প্রবল বিপাকে এক তরুণী। অবশেষে সুরাহা পেতে ‘রেডিট’ প্ল্যাটফর্মের দ্বারস্থ তিনি।
ব্যাপারটা ঠিক কী? জানা গিয়েছে, কিছুদিন যাবৎ ভিনরাজ্যে কর্মরত ওই তরুণী। পেইড লিভ নেই। পুজোর কথা বললে আনপেইড লিভ মিলবে কি না, তা নিয়ে বেজায় সংশয়। এদিকে পুজোয় কলকাতা না থাকলে হয় নাকি! তাই তরুণী মিথ্যে বলে ছুটি নেওয়ার প্ল্যান করেন। ভাবেন এমন কিছু বলতে হবে, যাতে ছুটি বাতিল করার সুযোগই না পায় সংস্থা। আর সেই কারণেই দাদুর অসুস্থতার গল্প ফাঁদেন তিনি। জানান, পরিস্থিতি এতটাই জটিল যে তাঁকে বাড়ি ফিরতেই হবে। পাশাপাশি ওয়ার্ক ফ্রম হোমের আবেদনও করেন। এরপরই সংস্থার তরফে চিকিৎসার যাবতীয় নথি চাওয়া হয়। এতেই বিপাকে পড়েন তরুণী।
গোটা বিষয়টা ‘রেডিটে’ তুলে ধরে সকলের কাছে সমাধানের উপায় চেয়েছেন তিনি। কারণ, স্বাভাবিকভাবেই তাঁর কাছে কোনও নথি নেই। সেই পোস্টে অধিকাংশই ভারতের কর্মপদ্ধতিকে কাঠগড়ায় তুলেছেন। কেন ছুটি নিতে অজুহাত দিতে হবে, সেই প্রশ্নও উঠেছে। পাশাপাশি এই চিকিৎসার নথি তলবকে অনৈতিক বলেও দাবি করা হয়েছে। কেউ আবার কলকাতার বন্ধুদের বলে স্থানীয় চিকিৎসকের থেকে একটি প্রেসক্রিপশন জোগারের বুদ্ধি দিয়েছেন। তবে শেষমেশ ওই তরুণী ছুটি পেলেন কি না, পুজোর শহরে ফেরা হল কি না, তা জানা যায়নি।
