আজকাল ওয়েবডেস্ক: পুজোর মুখে বিপর্যয় ভয়াবহ। আনন্দ বদলে গিয়েছে আর্তনাদে। এখন গোটা শহরের উদ্বেগ উৎকণ্ঠা উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীন নিয়েই। শনিবার, সপ্তমীর সন্ধেয় উপচে পড়া ভিড়ের মাঝেই আচমকা দুর্ঘটনা। পরপর অসুস্থ হয়ে পড়েন দর্শনার্থীরা। তড়িঘড়ি নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। শহরের একাধিক হাসপাতালে ভর্তি আহতরা।
পরিস্থিতি বিচারে শনিবার রাতে তথ্য এবং সংস্কৃতি দপ্তরের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। উত্তর কলকাতায় চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গাপুজো মণ্ডপে দুর্ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে একটি টোল ফ্রি হেল্পলাইন চালু করা হয়েছে। দুর্ঘটনা সংক্রান্ত তথ্য পাওয়ার জন্য হেল্পলাইন নম্বর 18003455678 -তে ফোন করে খবর নেওয়া যাবে। ইতিমধ্যেই লোকজনের তরফ থেকে পোস্ট করা হয়েছে ঘটনা প্রসঙ্গে।
চোরবাগান সর্বজনীনের পুজোর শিল্পী ছিলেন সুশান্ত শিবানী পাল। তাঁরই পরিকল্পনায় সেজে উঠেছিল মণ্ডপ। সেখানেই সপ্তমীর রাতে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা, কেনই বা ঘটল? কী বলছেন শিল্পী নিজে?
আজকাল ডট ইন-কে জানান, 'আজ প্রায় ভোর সাড়ে তিনটে চারটে পর্যন্ত ছিলাম আমি। মানুষের ভয়াবহ ভিড়। পুলিশের একাধিক কর্তা ছিলেন সেখানে। আমাদের বেশকিছু জিনিস বলা হয়েছিল পুলিশের তরফ থেকে। যেমন যেখান থেকে দর্শক ছবি তুলছিলেন, সেখানে যাতে না তুলতে পারেন, আচ্ছাদন দেওয়ার কথা। আমরা দুপুরে তা করেও দিই।'
কিন্তু তারপরেও কেন এই দুর্ঘটনা চোরবাগানে? সুশান্ত বলছেন, 'এ ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে গেল আজ। কিন্তু আমার মনে হয় এর অন্যতম কারণ বৃষ্টি। ভিতরে বহু মানুষ আটকে গিয়েছিল। বাইরের মানুষও বৃষ্টি থেকে বাঁচতে ভিতরে ঢুকে গিয়েছেন। আমি শুনলাম যতটুকু, ভিতরে অত্যধিক লোক হয়ে যায়। একটা সময় মানুষ বেরোনোর চেষ্টা করলে এই দুর্ঘটনা ঘটে। ভাবা যায় না, পুজোর মধ্যে এই ধরনের একটা ঘটনা ঘটে গেল।'
