পুলিশের কড়া নজরদারি, জরিমানা। সবকিছুর পরেও লাগাম টানা যাচ্ছে না কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়েতে। অষ্টমীর সকালেও এক্সপ্রেসওয়েতে গতির বলি ২ যুবক।
পুলিশ সূত্রে খবর, দুটি বাইকে চার যুবক সোদপুর থেকে বারাকপুরের দিকে যাচ্ছিলেন। রহড়ার রুইয়া এলাকায় একটি বাঁকের কাছে দ্রুতগতিতে যাওয়ার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে খবর, সোমবার ভোরে কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়েতে ৫৬ নম্বর বাসস্ট্যান্ডের কাছে দুর্ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয়দের অভিযোগ, বেশ কয়েকজন যুবক বেপরোয়া গতিতে বাইক ছোটাচ্চিলেন ওখানে। ঠিক সেই সময়ই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ছিটকে পড়ে চারটি বাইক। সবকটি বাইট মিলিয়ে প্রায় ওখানে ১০জন যুবক ছিল। দুর্ঘটনার খবর পেতেই তড়িঘডি হাসাপাতালে নিয়ে ট্রাফিক পুলিশ ও খড়দহ থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, দুটি বাইকে চার যুবক সোদপুর থেকে বারাকপুরের দিকে যাচ্ছিলেন। রহড়ার রুইয়া এলাকায় একটি বাঁকের কাছে দ্রুতগতিতে যাওয়ার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় বিক্রম ও তুষারের। গুরুতর জখম বাকি দু’জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁদের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
গত শুক্রবারও ভয়াবহ দুর্ঘটনার সাক্ষী ছিল কল্যাণী এক্সপ্লেসওয়ে। বারাকপুরের কাছে আমবাগান এলাকায় দাঁড়িয়ে থাকা লরির পিছনে ধাক্কা মারে বেপরোয়া গতিতে আসা একটি গাড়ি। সেই দুর্ঘটনায় এক দম্পতি সহ তিন জনের মৃত্যু হয়৷ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান এক বাইক চালকও৷ কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়েতে একের পর এক দুর্ঘটনা ঘিরে বাড়ছে উদ্বেগ। পুজোর মরশুমে দুর্ঘটনা রুখতে পুলিশের বাড়তি নজরদারি ও নিয়মিত যানবাহন পরীক্ষা চলছে। তার পরেও দুর্ঘটনা ঠেকানো যাচ্ছে না কেন, উঠছে সেই প্রশ্ন।
