মোদির বাসভবনের পাশে ঐতিহাসিক মসজিদ উচ্ছেদের নোটিশ, ৬ দিনের সময়সীমা
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের পাশেই অবস্থিত ঐতিহাসিক রেসকোর্স মসজিদ খালি করার নির্দেশ দিয়েছে দেশটির ভূমি ও উন্নয়ন দপ্তর (এলঅ্যান্ডডিও)। মসজিদটি খালি করতে ছয় দিন সময় দিয়ে নোটিশ জারি করা হয়েছে। গত সোমবার (১৯ অক্টোবর) মসজিদ ভবনটিকে অনুমোদনহীন স্থাপনা উল্লেখ করে এ নোটিশ দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ৭, লোক কল্যাণ মার্গের কাছে অবস্থিত এই মসজিদ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ট্রিবিউনের বরাতে দ্য ওয়্যার জানিয়েছে, নয়াদিল্লি মিউনিসিপ্যাল কাউন্সিলের (এনডিএমসি) ঐতিহ্যবাহী স্থাপনার তালিকায় রেসকোর্স মসজিদের নাম রয়েছে। তবে গত ৭ অক্টোবর থেকে মসজিদটির বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে। এতে মুসল্লিদের নামাজ আদায় এবং মসজিদে যাতায়াত ব্যাহত হচ্ছে। এলঅ্যান্ডডিওর বক্তব্য, মসজিদটি সরকারি জমিতে নির্মিত হয়েছে। পাশাপাশি স্থাপনাটির ঐতিহ্যবাহী স্বীকৃতির বিষয়টিও বর্তমানে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। ঐতিহাসিক মসজিদ ও এর পাশের কবরস্থান রক্ষায় কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘুবিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজুর হস্তক্ষেপ চেয়েছে জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ। এ বিষয়ে সংগঠনটির একটি প্রতিনিধি দল মন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি জমা দিয়েছে। প্রতিনিধি দলের সদস্য মোহাম্মদ হাকিমুদ্দিন কাসমি জানান, ১৯৭৭ সালের দিল্লি গেজেট এবং সংখ্যালঘুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংশোধিত ঐতিহ্যবাহী স্থাপনার তালিকা—উভয় নথিতেই মসজিদটির উল্লেখ রয়েছে। সংগঠনটির পক্ষ থেকে আইনি বিরোধের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত মসজিদটি ভাঙা বা অন্য কোনো ধ্বংসাত্মক পদক্ষেপ না নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে দিল্লি ওয়াকফ বোর্ড ও এনডিএমসির কাছে এ বিষয়ে প্রতিবেদন চাওয়া হয়েছে। দ্য ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মন্ত্রী কিরেন রিজিজু বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেছেন এবং সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। এদিকে, দ্য হিন্দুস্তান গেজেটের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মসজিদের ইমাম মোহাম্মদ হারুন এক ভিডিও বার্তায় দিল্লি ওয়াকফ বোর্ডের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তার অভিযোগ, গত ছয় মাস ধরে বোর্ডের দ্বারস্থ হয়েও কার্যকর কোনো সহায়তা পাননি। ইমাম জানান, বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার বিষয়ে এনডিএমসিকে চিঠি দেওয়া ছাড়া ওয়াকফ বোর্ড আর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। মসজিদে প্রবেশের পথ বন্ধ থাকায় এখন খাবার পানিও সেখানে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তিনি আরও বলেন, বিষয়টি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার জন্য ওয়াকফ বোর্ডকে অনুরোধ করেছিলেন। এমনকি নিজে মামলা করার অনুমতি চাইলেও বোর্ড তাকে সেই অনুমতি দেয়নি। ইমাম হারুনের দাবি, ২০২১ সালে পরিচালিত একটি সরকারি জরিপেও মসজিদটিকে অনুমোদনহীন স্থাপনা বা জবরদখল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়নি। ওয়াকফ বোর্ডের সহযোগিতা না পাওয়ায় নিজেকে অসহায় মনে করছেন জানিয়ে মসজিদটি রক্ষায় সাধারণ মানুষের সহায়তা কামনা করেছেন তিনি। তবে তার এসব বক্তব্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। মসজিদ খালি করার নোটিশকে মোদির সরকারি বাসভবনসংলগ্ন রেসকোর্স রোড এলাকায় চলমান উচ্ছেদ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। হিন্দুস্তান গেজেটের তথ্য অনুযায়ী, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও এলাকার সৌন্দর্যবর্ধনের যুক্তিতে ওই অঞ্চলের বস্তিবাসীদের সরিয়ে নেওয়ার পক্ষে রায় দিয়েছেন দিল্লি হাইকোর্ট। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী, বাসিন্দাদের সেখান থেকে প্রায় ৪৫ কিলোমিটার দূরে সাভদা ঘেভরা পুনর্বাসন কলোনিতে স্থানান্তর করার কথা রয়েছে। পুনর্বাসিত বাসিন্দাদের জন্য শিক্ষা, পরিবহণ ও পয়োনিষ্কাশনের সুবিধা নিশ্চিত করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

আবারও চালু হচ্ছে ডিভি লটারি, আবেদন যেদিন থেকে
যুক্তরাষ্ট্রের ২০২৭ সালের ডাইভারসিটি ভিসা (ডিভি) লটারির নিবন্ধন চালু করতে ট্রাম্প প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন ফেডারেল বিচারক। নির্ধারিত সময়ে গ্রিন কার্ড লটারির নিবন্ধন শুরু না করায় আদালত এই নির্দেশ দিয়েছেন। এর ফলে সম্ভাব্য আবেদনকারীদের জন্য লটারিতে অংশ নেওয়ার সুযোগ আবার চালু করার পথ তৈরি হয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে নিবন্ধনের সময়সূচি ঘোষণা করে ১ নভেম্বরের মধ্যে আবেদন গ্রহণ শুরু করার জন্য মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।গত ১৪ অক্টোবর ক্যালিফোর্নিয়ার ফেডারেল আদালতের বিচারক জিনসুক ওহতা এ আদেশ দেন। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, নিবন্ধন কার্যক্রম ৩০ দিন চালু থাকতে পারে। তবে আবেদনকারীদের চূড়ান্ত সময়সূচি, যোগ্যতার শর্ত ও আবেদন পদ্ধতি সম্পর্কে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার জন্য অপেক্ষা করতে বলা হয়েছে। মামলাটি করেছিল রেড ঈগল ল নামের একটি আইন প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটির অভিযোগ ছিল, নির্ধারিত সময়ে আবেদন গ্রহণ শুরু না করে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর কার্যত কর্মসূচিটি আটকে রেখেছে। এতে আবেদনকারীদের পাশাপাশি লটারি-সংক্রান্ত আইনি সহায়তা দেওয়া প্রতিষ্ঠানটিরও আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে আদালতে দাবি করা হয়। মামলায় মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং পররাষ্ট্র দপ্তরকে জবাবদিহির আওতায় আনা হয়। সরকারের পক্ষ থেকে যুক্তি দেওয়া হয়েছিল, নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ার পর আবেদন গ্রহণ শুরু করলে কর্মসূচির নিয়মের সঙ্গে সাংঘর্ষিক পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। তবে বিচারক মনে করেন, শুধু সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার কারণে কংগ্রেস অনুমোদিত কর্মসূচি বন্ধ রাখা গ্রহণযোগ্য নয়। এ কারণে তিনি লটারি চালুর নির্দেশ দেন। ডিভি লটারি সাধারণভাবে গ্রিন কার্ড লটারি নামে পরিচিত। এ কর্মসূচির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে তুলনামূলকভাবে কম অভিবাসী পাঠায়—এমন দেশগুলোর যোগ্য নাগরিকদের জন্য প্রতিবছর সর্বোচ্চ ৫৫ হাজার অভিবাসী ভিসা দেওয়া হয়। নির্বাচিত হলে আবেদনকারীরা যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ পেতে পারেন। অন্যান্য অনেক কর্মভিত্তিক অভিবাসন প্রক্রিয়ার মতো এ লটারিতে অংশ নিতে সাধারণত যুক্তরাষ্ট্রের কোনো প্রতিষ্ঠানের চাকরির প্রস্তাব বা নিয়োগকর্তার পৃষ্ঠপোষকতা প্রয়োজন হয় না। তবে লটারিতে নাম উঠলেই গ্রিন কার্ড নিশ্চিত হয় না। নির্বাচিত আবেদনকারীদের নির্ধারিত যোগ্যতা পূরণ, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা এবং অভিবাসন ও নিরাপত্তা যাচাই সম্পন্ন করতে হয়। আবেদনের জন্য সাধারণত উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বা সমমানের যোগ্যতা থাকতে হয়। বিকল্প হিসেবে নির্ধারিত শর্ত পূরণকারী পেশায় কাজের অভিজ্ঞতাও দরকার হতে পারে। আদালতের নির্দেশে নিবন্ধন আবার চালু হলে যোগ্য দেশগুলোর আবেদনকারীরা যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য নতুন সুযোগ পাবেন। তবে আবেদন জমা দেওয়ার আগে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের সরকারি ঘোষণা ও যোগ্যতার শর্ত যাচাই করা জরুরি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

আবারও চালু হচ্ছে স্বপ্নের ডিভি লটারি, আবেদন করবেন যেভাবে
দীর্ঘ অনিশ্চয়তার পর যুক্তরাষ্ট্রের ডাইভারসিটি ইমিগ্র্যান্ট ভিসা (ডিভি) লটারি ২০২৭-এর নিবন্ধনপ্রক্রিয়া চালুর নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির একটি ফেডারেল আদালত। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী, আগামী ১ নভেম্বরের মধ্যে আবেদন গ্রহণ শুরু করতে হবে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরকে। এর আগে ২৯ অক্টোবরের মধ্যে আবেদনসংক্রান্ত বিস্তারিত সময়সূচি প্রকাশ করতে হবে। খবর ফোর্বসের নির্ধারিত সময়ে ডিভি লটারির নিবন্ধন শুরু না হওয়ার কারণে দায়ের করা মামলার পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার (১৯ অক্টোবর) ক্যালিফোর্নিয়ার ফেডারেল আদালতের বিচারক জিনসুক ওহতা এ নির্দেশ দেন। মামলাটিতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে বিবাদী করা হয়। আদালতের আদেশ অনুযায়ী, ২৯ অক্টোবরের মধ্যে ডিভি লটারির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে হবে। আবেদনের জন্য নির্ধারিত পোর্টাল চালু করার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে নভেম্বরের ১ তারিখ। নিবন্ধন কার্যক্রম অন্তত ৩০ দিন চালু থাকবে। এ ছাড়া ৩ ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচিত আবেদনকারীদের বিষয়ে নোটিশ দেওয়ার সময়সীমাও নির্ধারণ করা হয়েছে। আবেদনপ্রক্রিয়া ও যোগ্যতা ডিভি লটারি যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ পাওয়ার একটি কর্মসূচি। এতে নির্বাচিত হলে আবেদনকারীরা নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে অভিবাসী ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন। তবে লটারিতে নাম উঠলেই ভিসা বা গ্রিন কার্ড নিশ্চিত হয় না। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই, যোগ্যতা নির্ধারণ এবং নিরাপত্তা যাচাইসহ সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয়। সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী, আবেদনকারীর অন্তত উচ্চমাধ্যমিক বা সমমানের শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকতে হয়। বিকল্প হিসেবে নির্ধারিত যোগ্যতাসম্পন্ন পেশায় নির্দিষ্ট সময়ের কাজের অভিজ্ঞতাও গ্রহণযোগ্য হতে পারে। এ কর্মসূচিতে আবেদনের জন্য কোনো মার্কিন নিয়োগকর্তার চাকরির প্রস্তাব সাধারণত প্রয়োজন হয় না। বাংলাদেশিরা আবেদন করতে পারবেন? ডিভি লটারি ২০২৭-এ বাংলাদেশে জন্মগ্রহণকারীরা আবেদন করতে পারবেন কি না, তা নিশ্চিত হতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের আনুষ্ঠানিক নির্দেশনার অপেক্ষা করতে হবে। আদালতের নির্দেশে নিবন্ধন চালুর সময়সীমা নির্ধারিত হলেও বাংলাদেশের যোগ্যতার বিষয়টি আলাদাভাবে নিশ্চিত করা জরুরি। আবেদনকারীদের মার্কিন সরকারের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা অনুসরণ করার পরামর্শ দিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। লটারিতে নির্বাচিত করে দেওয়ার নিশ্চয়তা দিয়ে অর্থ দাবি করা ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে দপ্তরটির তরফ থেকে। আবেদন শুরুর তারিখ, যোগ্য দেশের তালিকা এবং আবেদনপদ্ধতি সম্পর্কে চূড়ান্ত তথ্যের জন্য মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত নির্দেশনাই অনুসরণ করার উপর জোর দেওয়া হয়েছে সেখানে। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে জাতীয় নিরাপত্তা পরীক্ষা জোরদার করার জন্য বৈশ্বিকভাবে ডিভি লটারি (Green Card Lottery) কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করেছিল মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।

পুলিশের ফাঁদে আটকা সেই নারী কনটেন্ট ক্রিয়েটর
প্রেমিক শিবা শর্মাকে হত্যার অভিযোগে ভারতের কনটেন্ট ক্রিয়েটর শ্রদ্ধা দুবেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার এড়াতে একের পর এক স্থান পরিবর্তন করে পালিয়ে বেড়ালেও শেষ পর্যন্ত রক্ষা হয়নি তার। ভারতের উত্তর প্রদেশের বিশেষ টাস্কফোর্স (এসটিএফ) ও নাগপুর পুলিশের যৌথ অভিযানে শ্রদ্ধা, তার বোন রশ্মি দুবে এবং গাড়িচালক দানিশকে নাগপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের প্রত্যেকের সন্ধান দিতে ৫০ হাজার রুপি করে পুরস্কার ঘোষণা করেছিল পুলিশ। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, লখনৌতে একটি ফ্ল্যাট থেকে রহস্যজনকভাবে নিচে পড়ে মারা যান ব্যবসায়ী শিবা শর্মা। এ ঘটনায় তার পরিবারের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা দুবে ও তার বোনের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ আনা হয়। মামলাটি দায়ের হওয়ার পর থেকেই অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যান। তাদের অবস্থান শনাক্ত করতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায় পুলিশ। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার এড়াতে শ্রদ্ধা, তার বোন রশ্মি দুবে ও গাড়িচালক দানিশ প্রথমে লখনৌ থেকে নেপালে পালিয়ে যান। এরপর তারা আবার নেপাল থেকে ভারতে ফিরে রায়বেরেলি হয়ে আগ্রায় পৌঁছান। সেখান থেকে শেষ পর্যন্ত নাগপুরে আশ্রয় নেন। নাগপুর থেকেও অন্য কোথাও পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন তারা। তবে তার আগেই তাদের অবস্থান শনাক্ত করতে সক্ষম হয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। একপর্যায়ে উত্তর প্রদেশ পুলিশের বিশেষ টাস্কফোর্স, লখনৌ পুলিশ ও নাগপুর পুলিশের সমন্বয়ে একটি যৌথ দল অভিযান চালায়। মঙ্গলবারের ওই অভিযানে তিনজনকেই গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, গত সপ্তাহে দায়ের হওয়া মামলায় শ্রদ্ধা দুবে, রশ্মি দুবে ও গাড়িচালক দানিশ পলাতক ছিলেন। তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে তথ্য দিয়ে গ্রেপ্তারে সহায়তার জন্য ৫০ হাজার রুপি করে পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল। পরে লখনৌ পুলিশ, উত্তর প্রদেশ এসটিএফ ও নাগপুর পুলিশের যৌথ অভিযানে তাঁদের আটক করা সম্ভব হয়। নিহত শিবা শর্মা লখনৌতে একাধিক রেস্তোরাঁর মালিক ছিলেন। তার মৃত্যুর পর পরিবারের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা ও তাঁর বোনের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়। শিবার মা অভিযোগ করেন, তার ছেলেকে ব্ল্যাকমেইল করা হয়েছে এবং হত্যার সঙ্গে শ্রদ্ধা ও তাঁর বোন জড়িত থাকতে পারেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের চূড়ান্ত ফল এখনো জানা যায়নি। অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে পুলিশের তদন্ত এবং আদালতের বিচারপ্রক্রিয়াই গুরুত্বপূর্ণ বলে সংশ্লিষ্ট ঘটনাপ্রবাহ থেকে বোঝা যাচ্ছে। পুলিশের চোখ এড়িয়ে আত্মগোপনে থাকার সময়ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় ছিলেন শ্রদ্ধা দুবে। নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের জবাব দিতে তিনি একাধিক ভিডিও প্রকাশ করেন। সেসব ভিডিওতে তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন এবং শিবা শর্মার মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে উল্লেখ করেন। একটি ভিডিওতে শ্রদ্ধা দাবি করেন, শিবার সঙ্গে তার পরিচয় ছিল অল্প দিনের। তার ভাষ্য অনুযায়ী, শিবাকে তিনি প্রায় চার মাস ধরে চিনতেন। এর মধ্যে আড়াই মাসের মতো তাদের বন্ধুত্ব ছিল। সম্পর্কের সময়কাল ও প্রকৃতি তুলে ধরে তিনি বলেন, এত অল্প সময়ে তাঁদের মধ্যে এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার কথা নয়, যা থেকে এ ধরনের অপরাধের অভিযোগ উঠতে পারে। ভিডিওতে শ্রদ্ধা আরও দাবি করেন, শিবা তার মায়ের কথা শুনতেন না এবং শিবার মা তাকে পছন্দ করতেন না। এ কারণেই তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তোলা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি। একই সঙ্গে শিবার মৃত্যুকে আত্মহত্যা হিসেবে বর্ণনা করে নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেন। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শ্রদ্ধার দেওয়া বক্তব্য তাঁর ব্যক্তিগত দাবি। শিবার মৃত্যু আত্মহত্যা, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো ঘটনা রয়েছে তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে শ্রদ্ধা দুবে, তার বোন রশ্মি এবং গাড়িচালক দানিশকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের লখনৌতে নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ, ঘটনার পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি যাচাই এবং শিবার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। ঘটনাটি ঘিরে নিহতের পরিবারের অভিযোগ, অভিযুক্তদের বক্তব্য এবং তদন্তে পাওয়া তথ্য- সবকিছু যাচাই করেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ধারণ করা সম্ভব হবে। গ্রেপ্তার হওয়া মানেই অভিযোগ প্রমাণিত হওয়া নয়; মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হবে তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে।পিপুি প্রেমিক শিবা শর্মাকে হত্যার অভিযোগে ভারতের কনটেন্ট ক্রিয়েটর শ্রদ্ধা দুবেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার এড়াতে একের পর এক স্থান পরিবর্তন করে পালিয়ে বেড়ালেও শেষ পর্যন্ত রক্ষা হয়নি তার। ভারতের উত্তর প্রদেশের বিশেষ টাস্কফোর্স (এসটিএফ) ও নাগপুর পুলিশের যৌথ অভিযানে শ্রদ্ধা, তার বোন রশ্মি দুবে এবং গাড়িচালক দানিশকে নাগপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের প্রত্যেকের সন্ধান দিতে ৫০ হাজার রুপি করে পুরস্কার ঘোষণা করেছিল পুলিশ। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, লখনৌতে একটি ফ্ল্যাট থেকে রহস্যজনকভাবে নিচে পড়ে মারা যান ব্যবসায়ী শিবা শর্মা। এ ঘটনায় তার পরিবারের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা দুবে ও তার বোনের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ আনা হয়। মামলাটি দায়ের হওয়ার পর থেকেই অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যান। তাদের অবস্থান শনাক্ত করতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায় পুলিশ। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার এড়াতে শ্রদ্ধা, তার বোন রশ্মি দুবে ও গাড়িচালক দানিশ প্রথমে লখনৌ থেকে নেপালে পালিয়ে যান। এরপর তারা আবার নেপাল থেকে ভারতে ফিরে রায়বেরেলি হয়ে আগ্রায় পৌঁছান। সেখান থেকে শেষ পর্যন্ত নাগপুরে আশ্রয় নেন। নাগপুর থেকেও অন্য কোথাও পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন তারা। তবে তার আগেই তাদের অবস্থান শনাক্ত করতে সক্ষম হয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। একপর্যায়ে উত্তর প্রদেশ পুলিশের বিশেষ টাস্কফোর্স, লখনৌ পুলিশ ও নাগপুর পুলিশের সমন্বয়ে একটি যৌথ দল অভিযান চালায়। মঙ্গলবারের ওই অভিযানে তিনজনকেই গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, গত সপ্তাহে দায়ের হওয়া মামলায় শ্রদ্ধা দুবে, রশ্মি দুবে ও গাড়িচালক দানিশ পলাতক ছিলেন। তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে তথ্য দিয়ে গ্রেপ্তারে সহায়তার জন্য ৫০ হাজার রুপি করে পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল। পরে লখনৌ পুলিশ, উত্তর প্রদেশ এসটিএফ ও নাগপুর পুলিশের যৌথ অভিযানে তাঁদের আটক করা সম্ভব হয়। নিহত শিবা শর্মা লখনৌতে একাধিক রেস্তোরাঁর মালিক ছিলেন। তার মৃত্যুর পর পরিবারের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা ও তাঁর বোনের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়। শিবার মা অভিযোগ করেন, তার ছেলেকে ব্ল্যাকমেইল করা হয়েছে এবং হত্যার সঙ্গে শ্রদ্ধা ও তাঁর বোন জড়িত থাকতে পারেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের চূড়ান্ত ফল এখনো জানা যায়নি। অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে পুলিশের তদন্ত এবং আদালতের বিচারপ্রক্রিয়াই গুরুত্বপূর্ণ বলে সংশ্লিষ্ট ঘটনাপ্রবাহ থেকে বোঝা যাচ্ছে। পুলিশের চোখ এড়িয়ে আত্মগোপনে থাকার সময়ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় ছিলেন শ্রদ্ধা দুবে। নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের জবাব দিতে তিনি একাধিক ভিডিও প্রকাশ করেন। সেসব ভিডিওতে তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন এবং শিবা শর্মার মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে উল্লেখ করেন। একটি ভিডিওতে শ্রদ্ধা দাবি করেন, শিবার সঙ্গে তার পরিচয় ছিল অল্প দিনের। তার ভাষ্য অনুযায়ী, শিবাকে তিনি প্রায় চার মাস ধরে চিনতেন। এর মধ্যে আড়াই মাসের মতো তাদের বন্ধুত্ব ছিল। সম্পর্কের সময়কাল ও প্রকৃতি তুলে ধরে তিনি বলেন, এত অল্প সময়ে তাঁদের মধ্যে এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার কথা নয়, যা থেকে এ ধরনের অপরাধের অভিযোগ উঠতে পারে। ভিডিওতে শ্রদ্ধা আরও দাবি করেন, শিবা তার মায়ের কথা শুনতেন না এবং শিবার মা তাকে পছন্দ করতেন না। এ কারণেই তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তোলা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি। একই সঙ্গে শিবার মৃত্যুকে আত্মহত্যা হিসেবে বর্ণনা করে নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেন। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শ্রদ্ধার দেওয়া বক্তব্য তাঁর ব্যক্তিগত দাবি। শিবার মৃত্যু আত্মহত্যা, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো ঘটনা রয়েছে তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে শ্রদ্ধা দুবে, তার বোন রশ্মি এবং গাড়িচালক দানিশকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের লখনৌতে নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ, ঘটনার পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি যাচাই এবং শিবার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। ঘটনাটি ঘিরে নিহতের পরিবারের অভিযোগ, অভিযুক্তদের বক্তব্য এবং তদন্তে পাওয়া তথ্য- সবকিছু যাচাই করেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ধারণ করা সম্ভব হবে। গ্রেপ্তার হওয়া মানেই অভিযোগ প্রমাণিত হওয়া নয়; মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হবে তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে।পিুলি প্রেমিক শিবা শর্মাকে হত্যার অভিযোগে ভারতের কনটেন্ট ক্রিয়েটর শ্রদ্ধা দুবেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার এড়াতে একের পর এক স্থান পরিবর্তন করে পালিয়ে বেড়ালেও শেষ পর্যন্ত রক্ষা হয়নি তার। ভারতের উত্তর প্রদেশের বিশেষ টাস্কফোর্স (এসটিএফ) ও নাগপুর পুলিশের যৌথ অভিযানে শ্রদ্ধা, তার বোন রশ্মি দুবে এবং গাড়িচালক দানিশকে নাগপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের প্রত্যেকের সন্ধান দিতে ৫০ হাজার রুপি করে পুরস্কার ঘোষণা করেছিল পুলিশ। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, লখনৌতে একটি ফ্ল্যাট থেকে রহস্যজনকভাবে নিচে পড়ে মারা যান ব্যবসায়ী শিবা শর্মা। এ ঘটনায় তার পরিবারের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা দুবে ও তার বোনের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ আনা হয়। মামলাটি দায়ের হওয়ার পর থেকেই অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যান। তাদের অবস্থান শনাক্ত করতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায় পুলিশ। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার এড়াতে শ্রদ্ধা, তার বোন রশ্মি দুবে ও গাড়িচালক দানিশ প্রথমে লখনৌ থেকে নেপালে পালিয়ে যান। এরপর তারা আবার নেপাল থেকে ভারতে ফিরে রায়বেরেলি হয়ে আগ্রায় পৌঁছান। সেখান থেকে শেষ পর্যন্ত নাগপুরে আশ্রয় নেন। নাগপুর থেকেও অন্য কোথাও পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন তারা। তবে তার আগেই তাদের অবস্থান শনাক্ত করতে সক্ষম হয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। একপর্যায়ে উত্তর প্রদেশ পুলিশের বিশেষ টাস্কফোর্স, লখনৌ পুলিশ ও নাগপুর পুলিশের সমন্বয়ে একটি যৌথ দল অভিযান চালায়। মঙ্গলবারের ওই অভিযানে তিনজনকেই গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, গত সপ্তাহে দায়ের হওয়া মামলায় শ্রদ্ধা দুবে, রশ্মি দুবে ও গাড়িচালক দানিশ পলাতক ছিলেন। তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে তথ্য দিয়ে গ্রেপ্তারে সহায়তার জন্য ৫০ হাজার রুপি করে পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল। পরে লখনৌ পুলিশ, উত্তর প্রদেশ এসটিএফ ও নাগপুর পুলিশের যৌথ অভিযানে তাঁদের আটক করা সম্ভব হয়। নিহত শিবা শর্মা লখনৌতে একাধিক রেস্তোরাঁর মালিক ছিলেন। তার মৃত্যুর পর পরিবারের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা ও তাঁর বোনের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়। শিবার মা অভিযোগ করেন, তার ছেলেকে ব্ল্যাকমেইল করা হয়েছে এবং হত্যার সঙ্গে শ্রদ্ধা ও তাঁর বোন জড়িত থাকতে পারেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের চূড়ান্ত ফল এখনো জানা যায়নি। অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে পুলিশের তদন্ত এবং আদালতের বিচারপ্রক্রিয়াই গুরুত্বপূর্ণ বলে সংশ্লিষ্ট ঘটনাপ্রবাহ থেকে বোঝা যাচ্ছে। পুলিশের চোখ এড়িয়ে আত্মগোপনে থাকার সময়ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় ছিলেন শ্রদ্ধা দুবে। নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের জবাব দিতে তিনি একাধিক ভিডিও প্রকাশ করেন। সেসব ভিডিওতে তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন এবং শিবা শর্মার মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে উল্লেখ করেন। একটি ভিডিওতে শ্রদ্ধা দাবি করেন, শিবার সঙ্গে তার পরিচয় ছিল অল্প দিনের। তার ভাষ্য অনুযায়ী, শিবাকে তিনি প্রায় চার মাস ধরে চিনতেন। এর মধ্যে আড়াই মাসের মতো তাদের বন্ধুত্ব ছিল। সম্পর্কের সময়কাল ও প্রকৃতি তুলে ধরে তিনি বলেন, এত অল্প সময়ে তাঁদের মধ্যে এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার কথা নয়, যা থেকে এ ধরনের অপরাধের অভিযোগ উঠতে পারে। ভিডিওতে শ্রদ্ধা আরও দাবি করেন, শিবা তার মায়ের কথা শুনতেন না এবং শিবার মা তাকে পছন্দ করতেন না। এ কারণেই তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তোলা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি। একই সঙ্গে শিবার মৃত্যুকে আত্মহত্যা হিসেবে বর্ণনা করে নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেন। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শ্রদ্ধার দেওয়া বক্তব্য তাঁর ব্যক্তিগত দাবি। শিবার মৃত্যু আত্মহত্যা, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো ঘটনা রয়েছে তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে শ্রদ্ধা দুবে, তার বোন রশ্মি এবং গাড়িচালক দানিশকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের লখনৌতে নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ, ঘটনার পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি যাচাই এবং শিবার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। ঘটনাটি ঘিরে নিহতের পরিবারের অভিযোগ, অভিযুক্তদের বক্তব্য এবং তদন্তে পাওয়া তথ্য- সবকিছু যাচাই করেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ধারণ করা সম্ভব হবে। গ্রেপ্তার হওয়া মানেই অভিযোগ প্রমাণিত হওয়া নয়; মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হবে তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে।পিপুি প্রেমিক শিবা শর্মাকে হত্যার অভিযোগে ভারতের কনটেন্ট ক্রিয়েটর শ্রদ্ধা দুবেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার এড়াতে একের পর এক স্থান পরিবর্তন করে পালিয়ে বেড়ালেও শেষ পর্যন্ত রক্ষা হয়নি তার। ভারতের উত্তর প্রদেশের বিশেষ টাস্কফোর্স (এসটিএফ) ও নাগপুর পুলিশের যৌথ অভিযানে শ্রদ্ধা, তার বোন রশ্মি দুবে এবং গাড়িচালক দানিশকে নাগপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের প্রত্যেকের সন্ধান দিতে ৫০ হাজার রুপি করে পুরস্কার ঘোষণা করেছিল পুলিশ। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, লখনৌতে একটি ফ্ল্যাট থেকে রহস্যজনকভাবে নিচে পড়ে মারা যান ব্যবসায়ী শিবা শর্মা। এ ঘটনায় তার পরিবারের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা দুবে ও তার বোনের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ আনা হয়। মামলাটি দায়ের হওয়ার পর থেকেই অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যান। তাদের অবস্থান শনাক্ত করতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায় পুলিশ। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার এড়াতে শ্রদ্ধা, তার বোন রশ্মি দুবে ও গাড়িচালক দানিশ প্রথমে লখনৌ থেকে নেপালে পালিয়ে যান। এরপর তারা আবার নেপাল থেকে ভারতে ফিরে রায়বেরেলি হয়ে আগ্রায় পৌঁছান। সেখান থেকে শেষ পর্যন্ত নাগপুরে আশ্রয় নেন। নাগপুর থেকেও অন্য কোথাও পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন তারা। তবে তার আগেই তাদের অবস্থান শনাক্ত করতে সক্ষম হয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। একপর্যায়ে উত্তর প্রদেশ পুলিশের বিশেষ টাস্কফোর্স, লখনৌ পুলিশ ও নাগপুর পুলিশের সমন্বয়ে একটি যৌথ দল অভিযান চালায়। মঙ্গলবারের ওই অভিযানে তিনজনকেই গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, গত সপ্তাহে দায়ের হওয়া মামলায় শ্রদ্ধা দুবে, রশ্মি দুবে ও গাড়িচালক দানিশ পলাতক ছিলেন। তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে তথ্য দিয়ে গ্রেপ্তারে সহায়তার জন্য ৫০ হাজার রুপি করে পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল। পরে লখনৌ পুলিশ, উত্তর প্রদেশ এসটিএফ ও নাগপুর পুলিশের যৌথ অভিযানে তাঁদের আটক করা সম্ভব হয়। নিহত শিবা শর্মা লখনৌতে একাধিক রেস্তোরাঁর মালিক ছিলেন। তার মৃত্যুর পর পরিবারের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা ও তাঁর বোনের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়। শিবার মা অভিযোগ করেন, তার ছেলেকে ব্ল্যাকমেইল করা হয়েছে এবং হত্যার সঙ্গে শ্রদ্ধা ও তাঁর বোন জড়িত থাকতে পারেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের চূড়ান্ত ফল এখনো জানা যায়নি। অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে পুলিশের তদন্ত এবং আদালতের বিচারপ্রক্রিয়াই গুরুত্বপূর্ণ বলে সংশ্লিষ্ট ঘটনাপ্রবাহ থেকে বোঝা যাচ্ছে। পুলিশের চোখ এড়িয়ে আত্মগোপনে থাকার সময়ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় ছিলেন শ্রদ্ধা দুবে। নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের জবাব দিতে তিনি একাধিক ভিডিও প্রকাশ করেন। সেসব ভিডিওতে তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন এবং শিবা শর্মার মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে উল্লেখ করেন। একটি ভিডিওতে শ্রদ্ধা দাবি করেন, শিবার সঙ্গে তার পরিচয় ছিল অল্প দিনের। তার ভাষ্য অনুযায়ী, শিবাকে তিনি প্রায় চার মাস ধরে চিনতেন। এর মধ্যে আড়াই মাসের মতো তাদের বন্ধুত্ব ছিল। সম্পর্কের সময়কাল ও প্রকৃতি তুলে ধরে তিনি বলেন, এত অল্প সময়ে তাঁদের মধ্যে এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার কথা নয়, যা থেকে এ ধরনের অপরাধের অভিযোগ উঠতে পারে। ভিডিওতে শ্রদ্ধা আরও দাবি করেন, শিবা তার মায়ের কথা শুনতেন না এবং শিবার মা তাকে পছন্দ করতেন না। এ কারণেই তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তোলা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি। একই সঙ্গে শিবার মৃত্যুকে আত্মহত্যা হিসেবে বর্ণনা করে নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেন। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শ্রদ্ধার দেওয়া বক্তব্য তাঁর ব্যক্তিগত দাবি। শিবার মৃত্যু আত্মহত্যা, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো ঘটনা রয়েছে তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে শ্রদ্ধা দুবে, তার বোন রশ্মি এবং গাড়িচালক দানিশকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের লখনৌতে নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ, ঘটনার পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি যাচাই এবং শিবার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। ঘটনাটি ঘিরে নিহতের পরিবারের অভিযোগ, অভিযুক্তদের বক্তব্য এবং তদন্তে পাওয়া তথ্য- সবকিছু যাচাই করেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ধারণ করা সম্ভব হবে। গ্রেপ্তার হওয়া মানেই অভিযোগ প্রমাণিত হওয়া নয়; মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হবে তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে।

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের উত্তাপ, বিশ্ববাজারে বাড়লো জ্বালানি তেলের দাম
মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান সংঘাত এবং যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের মজুত কমে যাওয়ার প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়েছে। বুধবার (২১ অক্টোবর) বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি এক ডলারেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এদিন আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১১০ দশমিক ৩৮ ডলারে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম ১ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৯ দশমিক ১৮ ডলারে পৌঁছেছে। বাজার গবেষণা সংস্থা ডিবিএস-এর জ্বালানি গবেষণা প্রধান সুভ্র সরকার জানান, কাতার বা পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় শান্তি চুক্তির আশা অনিশ্চিত হয়ে পড়া এবং আমেরিকান পেট্রোলিয়াম ইনস্টিটিউটের (এপিআই) তথ্যানুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের তেলের মজুত হ্রাস পাওয়ার খবরে এই দরবৃদ্ধি ঘটেছে। তেহরানে পাকিস্তানি সেনাপ্রধানের সঙ্গে বৈঠকে ইরান স্পষ্ট জানিয়েছে, তাদের শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ওয়াশিংটনের সঙ্গে কোনো আলোচনা হবে না। সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংস্থা কেপলারের মতে, গত দুই সপ্তাহে অন্তত ১৮টি জাহাজে হামলার ঘটনা ঘটেছে এবং ইরান কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ প্রণালী ছাড়িয়ে ওমান উপসাগরেও তেলবাহী ট্যাংকারকে লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে। সৌদি আরবে সৌদি আরামকোর ইয়ানবু কেন্দ্র, শায়বাহ তেলক্ষেত্র এবং রিয়াদ ও আবহা বিমানবন্দরে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা আক্রমণ চালিয়েছে। পাশাপাশি ইয়েমেনি সরকারি বাহিনীর ওপর হুতিদের হামলায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩ জনে দাঁড়িয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট ও ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধি মোকাবিলায় মার্কিন জ্বালানি বিভাগ আন্তর্জাতিক রিফাইনারিগুলোর সঙ্গে কাজ করার কথা জানিয়েছে।

