সংবাদ · রাজনীতি
দেশ গড়ার সংগ্রামে ধর্ম নয়, নাগরিক পরিচয়ই মুখ্য: প্রধানমন্ত্রী
১৯/১০/২০২৬

মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন কিংবা সর্বশেষে জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থান–প্রতিটি সংগ্রামেই ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশের মানুষ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে অংশ নিয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আগামী দিনে বাংলাদেশ গড়ার সংগ্রামেও ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে নাগরিক পরিচয়কেই প্রধান ভিত্তি হিসেবে ধরে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।রোববার (১৮ অক্টোবর) রাতে রাজধানীর মহাখালী ও গুলশান-বনানী পূজা মণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আয়োজিত সুধী সমাবেশে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। মণ্ডপ পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম মিল্টন তার সঙ্গে ছিলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৭১ সালে যুদ্ধ করে আমরা দেশকে স্বাধীন করেছিলাম। সেদিন কিন্তু আমরা বিচার করিনি কে কোন ধর্মের মানুষ। দলমত-ধর্ম-বর্ণের ঊর্ধ্বে উঠে দেশের স্বার্থে সবাই মিলে এই স্বাধীন বাংলাদেশ উপহার দিয়েছেন।’স্বাধীনতার পরও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও অধিকার আদায়ের আন্দোলনে দেশের আপামর জনতার সম্পৃক্ততার কথা স্মরণ করিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লড়াই ও চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানেও আমরা ধর্ম বা জাত বিচার করিনি। একইভাবে একটি স্বনির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমরা আর কোনো বিভাজন দেখব না; আমাদের একমাত্র পরিচয় হবে–আমরা বাংলাদেশের স্বাধীন নাগরিক।’তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই ভূখণ্ডের ওপর দেশের প্রতিটি নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে। বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে হলে এই ভাতৃত্ববোধ অক্ষুণ্ণ রাখতে হবে।রোববার রাতে প্রধানমন্ত্রী প্রথমে মহাখালী রক্ষাকালী মন্দিরের পূজামণ্ডপে যান এবং পরে বনানীর পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করে সেখানে উপস্থিত ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সঙ্গে শারদীয় শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।/
মূল প্রতিবেদনে যান ↗