বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ১৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলনের মাধ্যামে এবং বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে দিবসটির উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক ও বেরোবি রেজিস্ট্রার অধ্যাক মো. ফেরদৌস রহমান, আইকিউএসি পরিচালক অধ্যাপক ড. মোঃ তাজুল ইসলাম ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, কর্মকর্তা, কর্মচারী শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীরা জানায়,বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষের কাছে আশা করি,আমাদের অডিটোরিয়াম নেই। লাইব্রেরিতে বই সংকটসহ ক্লাসরুম সংকট, এগুলোর প্রতি যেন নজর দেওয়া হয়। ১৮ বছর পার হলেও প্রত্যাশার তুলনায় প্রাপ্তির জায়গা কম। সেই জায়গায় আমরা সম্ভাবনার দাঁড়প্রান্তে।
ইনিস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স সেল পরিচালক অধ্যাপক ড.তাজুল ইসলাম বলেন, “প্ল্যানগুলো যেটা আমরা করেছি এবং আমাদেরকে যেটা দেখানো হয়েছে সেটা যদি একনেকে পাশ হয়ে যায় তাহলে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিত্র বদলে যাবে।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আহব্বায়ক বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড.ফেরদৌস রহমান বলেন, “২০২৪ শের জুলাই আন্দোলনে আবু সাঈদ শহিদ হওয়ার পর অধ্যাপক ড.শওকাত আলী দায়িত্ব নেয়ার পর ১১০০ কোটি টাকার মেগা প্রকল্প সাবমিট করেন। অনেক পরিশ্রমের পর সবুজপাতা ইউজিসির পর শিক্ষা মন্ত্রণালয় আছে। এটা যদি বাস্তবায়ন করতে পারি বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় আবু সাঈদের বিশ্ববিদ্যালয় শুধু উত্তরবঙ্গের না বাংলাদেশের না পৃথিবীর মধ্যে একটা ইতিহাস হবে।”
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বেলা ১১ টায় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষার্থী কর্মকর্তা কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন। এছাড়াও, বিকেল সাড়ে চারটায় রয়েছে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী। তাছাড়াও, বিকেল পাঁচটায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও সাতটায় আতশবাজির আয়োজন রয়েছে।
