হাতপাতালে ভর্তি খালেদা আক্তার কল্পনা
প্রকাশ: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৮ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->১৩ দিন ধরে গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নন্দিত অভিনেত্রী খালেদা আক্তার কল্পনা। সুস্থতার জন্য সবার কাছে দোয়াও চেয়েছেন এই অভিনেত্রী। অভিনয়শিল্পী সংঘের পক্ষ থেকে আইন ও কল্যাণ সম্পাদক সূচনা সিকদারসহ সংগঠনের প্রতিনিধিরা সম্প্রতি হাসপাতালে গিয়ে এই অভিনেত্রীকে দেখে এসেছেন। তারা জানান, তাদের দেখে খুশি হয়েছেন খালেদা আক্তার কল্পনা। এ সময় তিনি সবার কাছে দোয়া কামনা করেন।
অভিনয়শিল্পী সংঘের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, খালেদ আক্তার কল্পনা রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন সহকর্মীরা।
খালেদ আক্তার কল্পনার ছোট ভাই চলচ্চিত্র প্রয়োজক ও পরিবেশক মোরশেদ খান হিমেল বলেন, ‘হঠাৎ করেই আপা অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। কিছু দিন ধরেই হাতপাতালে ভর্তি আছেন। এখন আগের চেয়ে শারীরিক অবস্থা বেশ উন্নতির দিকে। আশা করি, শিগগিরই আপা সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরবেন। সবাই আপার জন্য দোয়া করবেন।’
সাদাকালো সিনেমার যুগে নায়িকা হিসেবে অভিনয় জীবন শুরু করেছিলেন খালেদা আক্তার কল্পনা। বড় বোন, ভাবী ও মায়ের চরিত্রে অভিনয় করে বেশি পরিচিত পান এই অভিনেত্রী। বর্তমানে অভিনয়ে আর নিয়মিত নন তিনি।
উল্লেখ্য, খালেদা আক্তার কল্পনা সর্বশেষ পরিচালক মুন্না খানের ‘তছনছ’ সিনেমায় অভিনয় করেছেন।
আরও পড়ুন
বিমানকর্মীকে কামড় দিয়ে গ্রেপ্তার হলিউড অভিনেত্রী
প্রকাশ: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫২ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->হলিউড অভিনেত্রী সেলমা ব্লেয়ারকে নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। দুই বিমানকর্মীকে কামড় দিয়ে গ্রেপ্তারের পর এবার পুলিশ কর্মকর্তা ও এক নার্সকে লাথি মারার অভিযোগ উঠেছে এই অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের আদালতে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তবে অভিযোগের একাংশ অস্বীকার করেছেন সেলমা ব্লেলার।
অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি), সিবিএস নিউজ ও দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১১ অক্টোবর রাতে লস অ্যাঞ্জেলেস থেকে নিউইয়র্কগামী ডেলটা এয়ারলাইনসের একটি উড়োজাহাজ জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের পর সেলমাকে হেফাজতে নেওয়া হয়। উড়োজাহাজে এক বিমানকর্মীকে ঘুষি মারা, আরেকজনকে কামড় দেওয়া এবং আকাশে থাকা অবস্থায় দরজা খোলার চেষ্টা করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। উড়োজাহাজে ঘটনার পর চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়ার সময়ও সেলমা আক্রমণাত্মক আচরণ করেন বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।
অভিযোগপত্রে এক পুলিশ কর্মকর্তার বর্ণনা অনুযায়ী, স্ট্রেচারে সেলমাকে নিরাপদে রাখার সময় তিনি বাঁধন থেকে একটি পা বের করে ওই কর্মকর্তার মুখ, ঘাড় ও বুকে বারবার লাথি মারেন। হাসপাতালে নেওয়ার পর এক নার্সকেও বুকে লাথি মারার অভিযোগ উঠেছে এই অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে।
এসব ঘটনায় নিউইয়র্কের কুইন্স আদালতে দ্বিতীয় মাত্রার হামলার দুটি অভিযোগ আনা হয়েছে। ১২ অক্টোবর আদালতে হাজির হলে সেলমার আইনজীবী শন বার্নস তার পক্ষে অভিযোগ অস্বীকার করেন। বিচারক নগদ ২০ হাজার ডলার অথবা ৬০ হাজার ডলারের বন্ডে জামিনের অঙ্ক নির্ধারণ করেন। আগামী জানুয়ারিতে পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
এদিকে বিমানে ঘটে যাওয়া ঘটনা নিয়ে পৃথক ফেডারেল আইনি প্রক্রিয়াও চলছে। সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উড়োজাহাজে হামলার অভিযোগসংক্রান্ত নোটিশ দিয়েছে এফবিআই। মামলাটি ব্রুকলিনের ফেডারেল আদালতে নিষ্পত্তির কথা রয়েছে। তবে এ মামলায় সেলমার হাজিরার তারিখ তখনো নির্ধারিত হয়নি।
জানা গেছে, ডেলটা এয়ারলাইনসের ফ্লাইট ৯৩৮ লস অ্যাঞ্জেলেস থেকে নিউইয়র্ক যাচ্ছিল। উড়োজাহাজটি জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের পর রাত ১১টার দিকে এক যাত্রীর আক্রমণাত্মক আচরণের খবর পান কর্তৃপক্ষ। এরপর বন্দর কর্তৃপক্ষের পুলিশ সদস্যরা উড়োজাহাজের কাছে যান।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঘটনায় দুজন বিমানকর্মী আহত হওয়ার কথা জানান। তাদের একজনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। উড়োজাহাজের পাইলটের সঙ্গে বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের কথোপকথনের একটি অডিও রেকর্ডিংয়েও আহত ব্যক্তিদের কথা উঠে এসেছে। সেখানে নাক দিয়ে রক্ত পড়া ও কামড়ের দাগের উল্লেখ করেন পাইলট।
সেলমার আইনজীবীর দাবি, তার মক্কেলের আচরণ ইচ্ছাকৃত ছিল না। নিউইয়র্ক ডেইলি নিউজ ও নিউইয়র্ক পোস্টের প্রতিবেদনের বরাতে ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে, সেলমা এমন একটি ওষুধের একাধিক নির্ধারিত মাত্রা নিতে পারেননি, যা তার গুরুতর স্নায়বিক উপসর্গ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
আইনজীবীর বক্তব্য অনুযায়ী, লস অ্যাঞ্জেলেসে কাজের অতিরিক্ত চাপের পর উড়োজাহাজে উঠেছিলেন সেলমা। যাত্রাপথে তার মাথায়ও আঘাত লাগে বলে দাবি করা হয়েছে। ওষুধের মাত্রা বাদ পড়া, মাথায় আঘাত এবং উড়োজাহাজের উচ্চতার প্রভাব মিলিয়ে তিনি তীব্র বিভ্রান্তির মধ্যে পড়েছিলেন বলে আদালতে যুক্তি দেওয়া হয়।
সেলমার শারীরিক অবস্থা নিয়ে আলোচনার মধ্যে সামনে এসেছে তার দীর্ঘদিনের অসুস্থতার বিষয়টিও। ২০১৮ সালে অভিনেত্রী জানান, তিনি মাল্টিপল স্ক্লেরোসিসে (এমএস) আক্রান্ত। এটি কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের দীর্ঘমেয়াদি একটি রোগ, যা মস্তিষ্ক ও সুষুম্নাকাণ্ডের স্নায়ুকে প্রভাবিত করতে পারে।
উড়োজাহাজে এমন পরিস্থিতিতে জড়িয়ে পড়ার ঘটনা সেলমার জীবনে এই প্রথম নয়। ২০১৬ সালে মেক্সিকোর কানকুন থেকে লস অ্যাঞ্জেলেসগামী একটি ফ্লাইটে ভ্রমণের সময়ও অস্বাভাবিক আচরণ করেছিলেন তিনি। সে সময় তাকে স্ট্রেচারে করে উড়োজাহাজ থেকে নামানো হয়। ওই যাত্রায় তার সঙ্গে ছিল চার বছর বয়সী ছেলে।
১৯৯৯ সালের চলচ্চিত্র ‘ক্রুয়েল ইনটেনশনস’ এবং ২০০১ সালের ‘লিগ্যালি ব্লন্ড’-এ অভিনয়ের মাধ্যমে পরিচিতি পান সেলমা ব্লেয়ার। পরে ২০০৪ সালের ‘হেলবয়’ সিনেমায় অভিনয় করে জনপ্রিয়তা পান তিনি।
আরও পড়ুন
শুটিংয়ে দুর্ঘটনা, আহত অভিনেত্রী প্রিয়ন্তী উর্বী
প্রকাশ: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->নাটকের শুটিং করতে গিয়ে দুর্ঘটনায় পড়ে আহত হয়েছেন ছোট পর্দার অভিনেত্রী প্রিয়ন্তী উর্বী। হাসপাতালের বেডে শুয়ে একটি দৃশ্যের শুটিং করার সময় ভারসাম্য হারিয়ে ক্যামেরাসহ তার মুখের ওপর পড়ে যান চিত্রগ্রাহক। এতে উর্বী নাকে গুরুতর আঘাত পান। পরে তাকে হাসপাতালে নিয়ে এক্স-রে করার পাশাপাশি প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয় তাকে।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের দুর্ঘটনার অভিজ্ঞতা জানিয়ে একটি পোস্ট দিয়েছেন প্রিয়ন্তী উর্বী। সেখানে তিনি জানিয়েছেন, ঘটনাটি তার জন্য ছিল ভীষণ ভীতিকর। তবে দুর্ঘটনায় কারও কোনো দোষ নেই বলেও জানান এই অভিনেত্রী।
প্রিয়ন্তী উর্বী লিখেছেন, ‘গতকাল শুটিংয়ে আমার একটা অ্যাক্সিডেন্ট হয়েছে। সত্যি বলতে, অভিজ্ঞতাটা ছিল ভয়ংকর! আমি একটা মিউট শট দিচ্ছিলাম, যেখানে আমি হাসপাতালের বেডে শুয়ে ছিলাম আর সবাই মিলে বেডটা টেনে আমাকে একটা রুমে নিয়ে যাচ্ছিল। ক্লোজ শটের জন্য আমাদের ডিওপি বেডের ওপর উঠে আমার মুখের সামনে ক্যামেরা সেট করছিলেন। আমরা তখন মহাখালী ক্যান্সার ইনস্টিটিউটে শুট করছিলাম। শটের মাঝখানে বেডটা ঝাঁকি খাওয়ায় আমাদের ডিওপি ব্যালেন্স হারিয়ে ফেলেন, আর ক্যামেরাসহ সরাসরি আমার মুখের ওপর পড়ে যান। এক মুহূর্তের জন্য আমি কিছু দেখতে পাচ্ছিলাম না, কথা বলতে পারছিলাম না। ব্যথাটা ছিল অসহ্য! এরপর আমরা হাসপাতালে যাই, এক্স-রে করাই। এখন ব্যথার ওষুধ আর অ্যান্টিবায়োটিক খাচ্ছি।’
তিনি আরও লিখেছেন, ‘এখানে একটা কথা পরিষ্কার করে বলতে চাই, এখানে কারও কোনো দোষ নেই। এটা একটা দুর্ঘটনা ছিল। সবাই নিজের কাজটা ঠিকভাবেই করছিলেন। কিন্তু দুর্ঘটনাটা আমার সঙ্গে ঘটেছে, আর আমি যে ব্যথার মধ্য দিয়ে গিয়েছি, সেটা একদম বাস্তব।’
আরও পড়ুন
‘ব্রেকিং ব্যাড’ তারকা আরজে মিটে মারা গেছেন
প্রকাশ: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৯ পিএম
আরজে মিটে
-->যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় টেলিভিশন সিরিজ ‘ব্রেকিং ব্যাড’-এ ওয়াল্টার হোয়াইট জুনিয়র চরিত্রে অভিনয় করে পরিচিতি পাওয়া অভিনেতা আরজে মিট মারা গেছেন। তার বয়স হয়েছিল ৩৪ বছর।
সোমবার (১২ অক্টোবর) যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের ব্রাউনসভিলে তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন তার প্রতিনিধিরা।
তবে মৃত্যুর কারণ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে তদন্ত চলছে।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বিনোদনবিষয়ক সংবাদমাধ্যম টিএমজেড জানায়, স্থানীয় এক কর্মকর্তার বরাতে অভিনেতার মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
সংবাদমাধ্যমটি মৃত্যুর কারণ হিসেবে আত্মহত্যার কথা উল্লেখ করলেও তার প্রতিনিধিরা এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য দেননি।
আরজে মিটের প্রতিনিধিরা এক বিবৃতিতে বলেন, ‘গভীর দুঃখের সঙ্গে আমরা প্রিয় অভিনেতা, সমাজসেবী ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকারের একনিষ্ঠ প্রবক্তা আরজে মিটের মর্মান্তিক মৃত্যুর খবর জানাচ্ছি।’
তারা আরও বলেন, এএমসির সমালোচকদের প্রশংসিত ও পুরস্কারজয়ী ধারাবাহিক ‘ব্রেকিং ব্যাড’-এ ওয়াল্টার ‘ফ্লিন’ হোয়াইট জুনিয়র চরিত্রে অভিনয়ের জন্য মিট সবচেয়ে বেশি পরিচিত ছিলেন। সেরিব্রাল পালসি নিয়ে নিজের জীবনযাপনের অভিজ্ঞতা তার অভিনয়ে বাস্তবতা এনে দিয়েছিল। একই সঙ্গে তিনি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার, সচেতনতা ও অন্তর্ভুক্তি নিয়ে কাজ করার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম গড়ে তুলেছিলেন।
অভিনয়ের বাইরেও মানবকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন মিট। তিনি ইউনাইটেড সেরিব্রাল পালসি এবং শ্রাইনার্স চিলড্রেনসের অ্যাম্বাসেডর হিসেবে কাজ করেছেন। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রতিনিধিত্ব ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় তার ভূমিকা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
২০০৮ সালে প্রচার শুরু হওয়া ‘ব্রেকিং ব্যাড’ ধারাবাহিকে ওয়াল্টার হোয়াইটের ছেলের চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে দর্শকদের কাছে পরিচিত হয়ে ওঠেন মিট। বাস্তব জীবনেও তার সেরিব্রাল পালসি ছিল। নিজের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তিনি পর্দায় প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জীবনকে আরও বাস্তবসম্মতভাবে তুলে ধরতে সাহায্য করেন। সূত্র: টিএমজেড
অমিয়/
আরও পড়ুন
দিঠির নতুন গান এবং…
প্রকাশ: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০০ এএম
ছবি: সংগৃহীত
-->দেড় মাসেরও বেশি যুক্তরাষ্ট্রে সময় কাটিয়ে কয়েক দিন আগেই দেশে ফিরেছেন শ্রোতাপ্রিয় সংগীতশিল্পী, উপস্থাপিকা দিঠি আনোয়ার। দেশে ফিরেই তিনি ব্যস্ত হয়ে উঠেছেন নানান কাজে। তেবে দেশে ফেরার মাঝেই তিনি দুবাইতে কয়েক দিন ছিলেন। সেখানে বাংলাদেশি অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, পাশাপাশি সংগীত পরিবেশন করেন এবং অনুষ্ঠানে তাকে বিশেষ সম্মাননাও প্রদান করা হয়।
দেশে ফিরেই দিঠি ‘বাংলাদেশ ফিল্ম সার্টিফিকেশন বোর্ড’-এর একজন সদস্য হিসেবে প্রতিনিয়ত বাংলাদেশি সিনেমা, ডকুমেন্টারি, ইংরেজি ও চাইনিজ মুভি দেখছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমও পরিচালনা করছেন। নিজের ইউটিউব চ্যানেল ‘দিঠি আনোয়ার’ নিয়েও বেশ সক্রিয় হয়ে উঠেছেন দিঠি। প্রতিনিয়তই চ্যানেলে মৌলিক গান, কাভার সং প্রকাশ করছেন।
এরই মধ্যে ‘একটা তাজমহল বানাইয়া’, ‘দেরে দেরে প্রেম দেরে’, ‘আকাশকে প্রশ্ন করো’, ‘ঘড়ির কাঁটা’, ‘এমনি করেই একদিন’ গানগুলো প্রকাশিত হয়েছে দিঠির কণ্ঠে। প্রকাশিত দ্বৈত গানগুলোতে তার সহশিল্পী অপু আমান এবং সবগুলো গানই তার বাবা গাজী মাজাহারুল আনোয়ারের লেখা। ‘নিশানা’ সিনেমায় আবিদা সুলতানার গাওয়া ‘এমনি করেই একদিন’ গানটি সর্বশেষ প্রকাশিত গান। এই গানে মডেল হিসেবে দিঠির সঙ্গে আছেন তার স্বামী পূবালী ব্যাংকের পরিচালক আরিফ চৌধুরী।
এ ছাড়াও মহালয়ার প্রথম দিনে ইউটিউবে দিঠির কণ্ঠে একটি প্রার্থনা সংগীত প্রকাশিত হয়েছে বিশ্বরঙ-এর আয়োজনে। এই গানটি ‘চণ্ডীদাস ও রজকিনী’ সিনেমার। গানটি লিখেছেন দিঠির বাবা, সুর করেছেন আলাউদ্দিন আলী। নতুন করে গানটির সংগীতায়োজন করেছেন তানভীর আলম সজীব।
দিঠি আনোয়ার বলেন, ‘ব্যস্ততার মাঝেই আমি প্রচণ্ড আনন্দ খুঁজে পাই, ভালো লাগা খুঁজে পাই। সত্যি বলতে কী, এখন তো আসলে বছরের নির্দিষ্ট একটা সময় আমাকে দেশের বাইরে থাকতে হয় আমার দুই ছেলের পড়াশোনার জন্য। যে সময়টাতে দেশে থাকি ভীষণ ব্যস্ততার মাঝে কাটে আমার। যেমন আসার সময় দুবাইতে একটি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছি, গানে গানে সবাইকে মুগ্ধ করার চেষ্টা করেছি। আবার দেশে ফিরেই ফিল্ম সার্টিফিকেশন বোর্ডের কাজ করার সমানতালেই আমাকে নতুন নতুন গানও প্রকাশ করতে হচ্ছে। কারণ আমি আমার নিজের নামের ইউটিউব চ্যানেলটিকে একটি পর্যায়ে নিয়ে যেতে চাচ্ছি যেন এটি একটি আর্কাইভ হিসেবে ভবিষ্যতে রেফারেন্স হিসেবে কাজে আসতে পারে।’
