Published on
:
1 min read
আজ বিজয় দশমী। চার দিনের হই-হুল্লোড়ের শেষে চারিদিকে বাজছে ঢাকের বিষাদের সুর। সকাল থেকেই শহর থেকে জেলায় দশমী পুজোর পর মণ্ডপে মণ্ডপে শুরু হয়েছে দেবীর বরণ ও সিঁদুর খেলা। চলছে মিষ্টিমুখও। হাওড়ার উলুবেড়িয়াতেও বিভিন্ন প্রতিমা নিরঞ্জন শুরু হয়েছে। বিশেষ ভাবে সক্ষমদের দ্বারা পরিচালিত এই পুজোতে অন্যতম আকর্ষণ ছিল ফ্রান্স থেকে আসা দুই তরুণী।
পুজোয় (Durga puja2026) মণ্ডপ সাজানো থেকে প্রতিমা আনা, পুষ্পাঞ্জলি দেওয়া থেকে ভোজ খাওয়া সবেতেই যোগ দিয়েছিলেন দুই বিদেশিনী। একেবারে বাঙালি সাজে এ দিন মায়ের প্রতিমা নিরঞ্জনের সময়েও সেন্টারের সদস্যদের সাথে সিঁদুর খেলা ও ধুনুচি নাচে মেতে ওঠেন তাঁরা। বুধবার দশমীর দিনই নিরঞ্জন করা হলো উলুবেড়িয়া আশাভবন সেন্টারের দুর্গাপ্রতিমা। যদিও উলুবেড়িয়ার অধিকাংশ প্রতিমা নিরঞ্জন করা হবে আগামী শুক্রবার। প্রশাসনের পক্ষ থেকে উলুবেড়িয়া পুরোনো হাসপাতালের মাঠের ঘাট এবং কালীবাড়ির ঘাটে প্রতিমা নিরঞ্জনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
আশাভবন সেন্টারের অধিকর্তা জন মেরি বারুই জানান, মাস খানেক আগে ওই দুই ফরাসি তরুণী পড়াশোনার জন্য সেন্টারে এসেছিলেন। এখানে দুর্গাপুজোর প্রস্তুতি দেখে তাঁরা উৎসাহিত হয়ে পুজোর কাজে হাত লাগায়। সকলের সঙ্গে মিলে মিশে মণ্ডপ তৈরি থেকে প্রায় সব কাজেই সকলকে সাহায্যে করে। তিনি আরও জানান, দুই তরুণী আজ প্রতিমা নিরঞ্জনের সময়েও সকলের সঙ্গে সমান ভাবে অংশ নিয়েছে।
এছাড়াও দুই তরুণী জানান, বিদেশে থাকাকালীন শুধু দুর্গাপুজোর নাম শুনেছিলেন। বাংলার দুর্গাপুজো নিয়ে সকলের উন্মাদনার ছবি এবার নিজেরা উপস্থিত থেকে উপভোগ করলেন। তাঁদের কথায়, পুজোর এই চার দিনের নানা নিয়ম-কানুন, বিভিন্ন ধরনের খেলা, পুজোর ভোগ খাওয়া ও সকলে মিলে আনন্দ করার এই স্মৃতি ভোলার নয়।
