বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতির উদ্বেগের মধ্যে মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সোনার দাম কমেছে। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের আগামী সপ্তাহের সুদের হারসংক্রান্ত বৈঠকের দিকেও নজর রাখছেন বিনিয়োগকারীরা।
স্পট মার্কেটে সোনার দাম ০.৪ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১২৩ দশমিক ৯৪ ডলারে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ডিসেম্বর মাসে সরবরাহের জন্য নির্ধারিত সোনার ফিউচার মূল্য ০.৪ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১৪২ দশমিক ৭০ ডলারে নেমেছে।
বিজ্ঞাপন
আর্থিক বাজার বিশ্লেষক কাইল রড্ডা বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হওয়ায় তেলের দামের ওপর ঊর্ধ্বমুখী চাপ তৈরি হয়েছে। এর প্রভাবেই সপ্তাহের শুরুতে সোনার দামে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।
সোমবার ইয়েমেনের ইরানপন্থি হুথিরা সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা, বিমানবন্দর ও সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে কয়েকটি হামলা চালানোর দাবি করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ভূরাজনৈতিক ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে তেলের দাম বাড়ে। আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম পাঁচ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ের কাছাকাছি রয়েছে।
বিজ্ঞাপন
বিশ্লেষকদের মতে, জ্বালানির দাম বাড়লে মূল্যস্ফীতি আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। এতে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ফেডারেল রিজার্ভ দীর্ঘ সময় সুদের হার বেশি রাখতে পারে বলে ধারণা করা হয়।
মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে সুরক্ষার মাধ্যম হিসেবে সোনাকে সাধারণত নিরাপদ বিনিয়োগ মনে করা হলেও সুদের হার বেশি থাকলে সোনার আকর্ষণ কমে যায়। কারণ, সুদ পাওয়া যায় না এমন সম্পদ হিসেবে সোনা ধরে রাখলে বিনিয়োগকারীদের সম্ভাব্য আয় হাতছাড়া হয়।
আগামী ২৭ ও ২৮ অক্টোবর ফেডারেল রিজার্ভের নীতিনির্ধারণী বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সাম্প্রতিক বক্তব্যে সুদের হার আরও বাড়ানোর বিষয়ে তাড়াহুড়োর ইঙ্গিত না থাকায় অক্টোবরে সুদ বাড়ার আশঙ্কা কিছুটা কমেছে।
বিজ্ঞাপন
তবে সিএমইর ফেডওয়াচ টুলের তথ্য অনুযায়ী, বাজারের বিনিয়োগকারীরা এখনো ডিসেম্বরে সুদের হার বাড়ার সম্ভাবনা ৯১ শতাংশ বলে মনে করছেন।
সূত্র: রয়টার্স
এমএসএম
ফলো করুন
পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন jagofeature@gmail.com ঠিকানায়।
