নিজস্ব প্রতিবেদক
মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বিপিএলের ফাইনালে চট্টগ্রাম রয়্যালসকে ৬৩ রানে হারিয়ে অভিষেক মৌসুমেই শিরোপা জিতেছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। তানজিদ হাসান তামিমের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি ও বোলারদের নিয়ন্ত্রিত পারফরম্যান্সে একতরফা জয় তুলে নেয় রাজশাহী।
গ্যালারির বড় অংশজুড়ে রাজশাহীর সমর্থকদের উপস্থিতি ম্যাচের শুরু থেকেই বাড়তি অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দলকে। সেই সমর্থনের জোয়ারে ভেসে ফাইনালে রেকর্ড সেঞ্চুরি হাঁকান ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম।
টস হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী নির্ধারিত ২০ ওভারে তোলে ১৭৪ রান। ৬২ বলে ১০০ রান করা তানজিদ হাসান তামিম ছিলেন ইনিংসের মূল নায়ক। তার ইনিংসে ছিল একাধিক চার ও ছক্কা। এই সেঞ্চুরির মাধ্যমে বিপিএলে বাংলাদেশি ব্যাটারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি সেঞ্চুরির মালিক হন তানজিদ। ফাইনালের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারও ওঠে তার হাতেই।
ওপেনিংয়ে তানজিদের সঙ্গে সাহিবজাদা ফারহান রাজশাহীকে দারুণ শুরু এনে দেন। পাওয়ার প্লেতে আসে ৪০ রান। পরে তিন নম্বরে নেমে কেন উইলিয়ামসনও আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন। ১৫ বলে ২৪ রান করে তিনি আউট হন।
১৭৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে চট্টগ্রাম রয়্যালস। পাওয়ার প্লেতেই তিন উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় তারা। শ্রীলঙ্কান পেসার বিনুরা ফার্নান্দোর বিধ্বংসী বোলিংয়ে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে চট্টগ্রাম।
মিরজা বেগ ৩৯ রান করে কিছুটা লড়াইয়ের চেষ্টা করলেও অন্য প্রান্ত থেকে সমর্থন না পাওয়ায় বড় ইনিংস গড়া সম্ভব হয়নি। শেষ পর্যন্ত ১১১ রানেই গুটিয়ে যায় চট্টগ্রামের ইনিংস। ৩ ওভার বল করে ৮ রানে ৪ উইকেট নেন বিনুরা ফার্নান্দো।
এটাই রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের প্রথম বিপিএল শিরোপা। যদিও এর আগে ২০১৯–২০ মৌসুমে রাজশাহী রয়্যালস বিপিএল জিতেছিল। তবে নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে এবারই প্রথম ট্রফি উঁচিয়ে ধরল রাজশাহী।
ফাইনালে দাপুটে এই জয়ে বিপিএলের দ্বাদশ আসরের শিরোপা নিজেদের করে নেয় রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।
