প্রতিদিনের ব্যস্ততায় নিজের চেহারায় পরিবর্তন আনার কথা অনেকেই ভাবেন। কেউ শখ করে দাড়ি বড় করেন, আবার কেউ পছন্দ করেন পরিষ্কার ও মসৃণ মুখ। দাড়ি রাখতে ভালোবাসেন, এমন পুরুষদের জন্য আজকের দিনটি হতে পারে একটু ভিন্ন।
কারণ, ১৮ অক্টোবর পালিত হচ্ছে জাতীয় দাড়িমুক্ত দিবস। দিনটির মূল উদ্দেশ্য দাড়ি কামিয়ে নতুন রূপে নিজেকে দেখা এবং বন্ধু-পরিবারের সদস্যদের চমকে দেওয়া।
দীর্ঘদিন ধরে দাড়ি রাখছেন, কিংবা কয়েক সপ্তাহ ধরে মুখে দাড়ি জমেছে; আজ চাইলে সব ছেঁটে ফিরে যেতে পারেন পরিচিত পরিষ্কার মুখের চেহারায়। কেউ সেলুনে গিয়ে পেশাদার নাপিতের সাহায্য নিতে পারেন, আবার কেউ ঘরেই নিতে পারেন নতুন লুকের প্রস্তুতি।
কেন পালিত হয় দাড়িমুক্ত দিবস?
নভেম্বর মাসের আগে দাড়িমুক্ত দিবস পালনের পেছনে রয়েছে বিশেষ একটি ভাবনা। নভেম্বরজুড়ে বিশ্বব্যাপী পালিত হয় ‘মুভেম্বার’ ও ‘নো শেভ নভেম্বর’এর মতো সচেতনতামূলক কর্মসূচি। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে পুরুষদের স্বাস্থ্য, প্রোস্টেট ক্যানসার, অণ্ডকোষের ক্যানসার এবং মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো হয়। অনেকেই এসব কর্মসূচির অংশ হিসেবে নভেম্বর মাসে দাড়ি-গোঁফ কামানো থেকে বিরত থাকেন।
কীভাবে ভালোভাবে কামাবেন দাড়ি?
দাড়ি কামানোর আগে গরম পানিতে মুখ ভিজিয়ে নিলে লোম নরম হয়। এরপর শেভিং ক্রিম বা ফেনা ব্যবহার করে পরিষ্কার ও ধারালো রেজর দিয়ে সাবধানে দাড়ি কামানো উচিত। প্রথমে লোম যেদিকে বাড়ে, সেদিকে রেজর চালালে ত্বকে জ্বালাপোড়ার ঝুঁকি কমতে পারে। দাড়ি কামানো শেষে ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করলে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকে।
যেভাবে উদযাপন করবেন দিনটি
দাড়ি কামানোর আগে ও পরের ছবি তুলে রাখতে পারেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবিগুলো শেয়ার করে ব্যবহার করতে পারেন ‘#NationalNoBeardDay’ হ্যাশট্যাগ। চাইলে বন্ধুদেরও নতুন লুক নেওয়ার চ্যালেঞ্জ দিতে পারেন।
দাড়ি রাখা কিংবা কামানো সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত পছন্দ। তবে নতুন চেহারায় নিজেকে আবিষ্কার করতে জাতীয় দাড়িমুক্ত দিবস হতে পারে দারুণ একটি উপলক্ষ।
