‘ভোটচুরি’ ইস্যুতে সোমবার ‘সুপ্রিম কোর্ট অভিযান’ করে ‘ইন্ডি’ জোট। যা ঘিরে ফের অশান্ত হয়ে ওঠে দিল্লি। শীর্ষ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। এই আবহে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের ইস্তফার দাবি জানিয়ে পোস্ট করে কেরল কংগ্রেস। তবে বিতর্ক দানা বাঁধতেই তা মুছে ফেলে হাত শিবির। এরপরই শুরু হয়ে গিয়েছে রাজনৈতিক তরজা। কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করেছে বিজেপি।
ঘটনার সূত্রপাত প্রধান বিচারপতির একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে। দিল্লিতে চলমান বিক্ষোভ এবং বিধিনিষেধ আরোপ নিয়ে সোমবার সাংবাদিকরা তাঁকে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, “এটি আইন-শৃঙ্খলার বিষয়। আমার এখতিয়ারভুক্ত নয়।” তাঁর এহেন মন্তব্যের পরই কটাক্ষ ছোড়ে কেরল কংগ্রেস। এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্টে তারা লেখে, ‘প্রিয় সূর্য কান্ত, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা যদি আপনার এখতিয়ারভুক্ত না হয়, তাহলে এখনই পদত্যাগ করুন। আমরা এমন কাউকে খুঁজে নেব, যিনি এটি সামলাতে পারবেন।’ এরপরই বিতর্ক দানা বাঁধে। সমালোচনার মুখে পোস্টটি তারা মুছে ফেলে।
বিষয়টি নিয়ে কেরল কংগ্রেস আক্রমণ করতে ছাড়েনি গেরুয়া শিবির। জরুরি অবস্থার প্রসঙ্গ টেনে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বিচার বিভাগকে ভয় দেখানোর অভিযোগ তুলেছে কেরল বিজেপি। এক্স হ্যান্ডলে তারা লেখে, ‘এমনটা ভাববেন না যে আপনাদের তথাকথিত আয়রন লেডি এখনও দেশ শাসন করছেন। জরুরি অবস্থার সময় বিচার বিভাগকে ভয় দেখানোর দিন অনেক আগেই শেষ হয়ে গিয়েছে।’
এদিকে এসআইআর ইস্যুতে ‘ইন্ডিয়া’ জোটের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করতে অস্বীকার করেছেন প্রধান বিচারপতি। রবিবার রাতে সূত্র মারফত জানিয়ে দেন, তিনি সময় দিতে পারবেন না। কিন্তু কেন রাজি হলেন না তিনি? তাঁর কথায়, “এসআইআর বিষয়টি বর্তমানে বিচারাধীন। সুতরাং, বিচারাধীন বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনার জন্য কোনও বৈঠক ডাকা হলে তা ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতির (যা ভারতের সংবিধানের ‘মৌলিক কাঠামো’র একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ) সম্পূর্ণ পরিপন্থী হবে এবং তা প্রতিষ্ঠিত নৈতিকতা ও বিচারিক শালীনতার সঙ্গেও অসামঞ্জস্যপূর্ণ হবে।”
