সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ শেফ তৈরি করা গেলে দেশে-বিদেশে শিক্ষিত তরুণদের কর্মসংস্থানের নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে। বর্তমানে বিশ্বজুড়ে শেফ ও কুকের পেশা মর্যাদাপূর্ণ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশেও এ পেশার প্রতি শিক্ষিত তরুণ-তরুণীদের আগ্রহ বাড়ছে।
মঙ্গলবার দুপুরে আন্তর্জাতিক শেফ দিবস উপলক্ষে সিলেট বিভাগের শেফ ও কুকদের আয়োজনে নগরীর একটি অভিজাত হোটেলে ‘মিট দ্য শেফ’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, সমাজের সব ধরনের পেশাকে সম্মানের সঙ্গে দেখার মানসিকতা তৈরি করতে হবে। রন্ধনশিল্প দীর্ঘদিন ধরে প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যে মর্যাদাপূর্ণ পেশা হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। বাংলাদেশেও এ পেশায় শিক্ষিত তরুণ-তরুণীদের অংশগ্রহণ বাড়ছে, যা ইতিবাচক পরিবর্তন।
তিনি বলেন, দেশে বিপুলসংখ্যক কর্মক্ষম মানুষ রয়েছেন। তাঁদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ করে বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত করা গেলে অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে। কর্মক্ষম মানুষের জন্য পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা রাষ্ট্র, উদ্যোক্তা ও বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের দায়িত্ব।
সিসিক প্রশাসক আরও বলেন, দেশের হসপিটালিটি খাত দিন দিন সম্প্রসারিত হচ্ছে। সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ফাইভ স্টার, ফোর স্টার ও থ্রি স্টার মানের হোটেল-রেস্তোরাঁ গড়ে উঠছে। এসব প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষিত শেফ ও কুকদের জন্য ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে। আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করা গেলে দেশে-বিদেশে তাঁদের কাজের ক্ষেত্র আরও প্রসারিত হবে।
তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগের পাশাপাশি জনপ্রতিনিধি, উদ্যোক্তা ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। প্রশিক্ষিত জনশক্তি তৈরি করা গেলে দেশের পাশাপাশি বিদেশেও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট প্রেসক্লাব সভাপতি মুকতাবিস-উন নূর। এছাড়া শেফ ও কুক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সংশ্লিষ্ট পেশাজীবী এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে আন্তর্জাতিক শেফ দিবস উপলক্ষে নগরীতে বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। এতে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হোটেল-রেস্তোরাঁ ও হসপিটালিটি খাতের শেফ, কুক এবং সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীরা অংশ নেন। বিজ্ঞপ্তি
