ফ্রান্সের বিভিন্ন শহরে সপ্তাহজুড়ে বিক্ষোভ, সহিংসতা ও লুটপাটের ঘটনার পর কয়েকটি এলাকায় কারফিউ জারির পরিকল্পনা করছে দেশটির সরকার। সোমবার সন্ধ্যা থেকেই সীমিত পরিসরে এই বিধিনিষেধ কার্যকরের জন্য আঞ্চলিক প্রশাসনপ্রধানদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়াঁ লেকর্নু।
লেকর্নু জানিয়েছেন, দোকানপাটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এই পদক্ষেপের অন্যতম উদ্দেশ্য। কোন কোন এলাকায় কারফিউ জারি হবে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মেয়রদের সঙ্গে আলোচনার পর সোমবার বিকেলে বিস্তারিত জানানোর কথা রয়েছে।
মন্ত্রিসভার যৌথ জরুরি বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রয়োজন হলে জরুরি অবস্থা ঘোষণার বিষয়টিও বিবেচনা করা হতে পারে। তবে আপাতত কারফিউ জারিকেই বেশি উপযুক্ত পদক্ষেপ বলে মনে করছে সরকার।
এদিকে, পুলিশের দমন-পীড়নের প্রতিবাদে বিক্ষোভরত উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতি জানিয়ে সোমবার সকালে প্যারিসের লুভর জাদুঘরের প্রবেশপথ অবরোধ করেন লুভর স্কুলের প্রায় ৫০ জন শিক্ষার্থী।
ফ্রান্সে আগামী শনিবার, ২৪ অক্টোবর, নতুন করে বিক্ষোভের পরিকল্পনা করেছে ইয়েলো ভেস্ট আন্দোলন। এর আগে গত সপ্তাহান্তে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে দেশটির বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ হয়। এসব কর্মসূচিতে সহিংসতা ও লুটপাটের ঘটনাও ঘটে।
ইয়েলো ভেস্ট আন্দোলনের সমন্বয়কারী গোষ্ঠী তাদের ওয়েবসাইটে আগামী শনিবার দেশজুড়ে কয়েক ডজন কর্মসূচির একটি মানচিত্র প্রকাশ করেছে। ওয়েবসাইটটির ব্যবস্থাপক বেনিয়ামিন বল এএফপিকে বলেন, দ্বিতীয় দফার বিক্ষোভের আহ্বান ঘিরে ব্যাপক সাড়া দেখা যাচ্ছে।
সূত্র: শাফাক নিউজ
