জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে গত শনিবার মুম্বইয়ের ক্রান্তি ময়দানে আয়োজিত ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলেন ইমরান খান। তারই মাশুল গুনছেন অভিনেতা। ‘ককরোচ’ আন্দোলনে অংশ নিতেই নাগরিকত্বের প্রশ্নের মুখে ইমরান। মার্কিন নাগরিক হয়ে কীভাবে প্রতিবাদে সামিল হলেন? অভিনেতার বিরুদ্ধে ‘ভারত ছাড়ো’ নোটিস জারি করেছে মুম্বই পুলিশে। এই সিদ্ধার্থকে সাধুবাদ জানিয়েছেন ইন্ডাস্ট্রির অন্দরের একাধিক ব্যক্তিত্ব। কিরণ রাও, সাবা আজাদরা অবশ্য ইমরানের সমর্থনে মুখ খুলেছেন। প্রেমিক ইমরানকে ভারত ছাড়ার নোটিস জারির পর সোশাল মিডিয়ায় প্রথম পোস্ট লেখা ওয়াশিংটনের।
ইমরান একজন মার্কিন নাগরিক এবং তাঁর কাছে ওভারসিজ সিটিজেন অফ ইন্ডিয়া (OCI) কার্ড রয়েছে। মুম্বইয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে একটি প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার সময় আটক হওয়ার পর থেকেই বিতর্কের সূত্রপাত। আগামী ২৮ অক্টোবরের মধ্যে ভারত ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বম্বে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হচ্ছেন আমির খানের ভাগ্নে। এই কঠিন পরিস্থিতিতে সর্বক্ষণের সঙ্গী প্রেমিকা লেখা।
View this post on Instagram
‘আরশোলা’দের বিক্ষোভে আটক হওয়ার পর যে সেলফি তুলেছিলেন সেই ছবি পোস্ট করে ইমরানের ভালোবাসায় ভরিয়ে দিয়েছেন। পোস্টের ক্যাপশনে শুধু লেখা, ‘ জাস্ট’ তারপরই অসখ্য লাল হৃদয়ের ইমোজি। অভিনেতার তুতো বোন জায়েন খানও মন্তব্য বক্সে ভালোবাসার বন্যা বইয়ে দিয়েছেন। সেই সঙ্গে পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে জানিয়েছেন, সকলে তাঁর সঙ্গে আছেন। দোসর হৃদয়ের ইমোজি।
জানা যাচ্ছে, ভারতীয় নাগরিক না হয়েও প্রতিবাদে অংশ নেওয়ার অভিযোগে ইমরানের বিরুদ্ধে অভিবাসন আইনের ২৯ ও ৭ নম্বর ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।‘জানে তু ইয়া জানে না’ অভিনেতার আইনজীবীর দাবি, ওভারসিজ সিটিজেন অফ ইন্ডিয়ার (OCI) আওতায় যাঁরা পড়েন তাঁদের প্রতিবাদে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে নিয়মে কোনও নিষেধাজ্ঞা নেই। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন সিজেপি প্রতিষ্ঠতা অভিজিৎ দীপকে।
