

ঢাকা সিলেট মহাসড়কের হবিগঞ্জের অলিপুরে ট্রাকের ধাক্কায় আব্দুল খালেক (৫০) নামে এক মোটর সাইকেল আরোহী নিহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত আব্দুল খালেক বানিয়াচং উপজেলার ইকরাম গ্রামের মৃত আফতাব হোসেনের পুত্র। খবর পেয়ে শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে হবিগঞ্জ জেলা সদর আধুনিক হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।
জানা গেছে, আব্দুল খালেক সে তার শ্বশুর বাড়ি লাখাই উপজেলার মোড়াকরি গ্রাম থেকে মোটর সাইকেলযোগে সুন্নতে খতনা করানোর জন্য অলিপুর এলাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়। পথিমধ্যে মহাসড়কের অলিপুর এলাকার কাছাকাছি পৌছলে একটি দ্রুতগামী ট্রাক তার মোটর সাইকেলটিকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।
শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি সৈয়দ ইমরুল সাহেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
রাজস্থলীতে কাল থেকে শুরু দুর্গাপূজা, ৫ মণ্ডপে ব্যাপক প্রস্তুতি
রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলায় আগামীকাল শুক্রবার দেবী দুর্গার বোধনের মধ্য দিয়ে শুরু হচ্ছে শারদীয় দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা। এ বছর উপজেলার মোট ৪টি এবং পারিবারিক ১ টি মোট পাঁচ টি পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজা উদ্যাপিত হবে। পূজাকে কেন্দ্র করে মণ্ডপগুলোতে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। একই সঙ্গে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে পূজা উদ্যাপন নিশ্চিত করতে নেওয়া হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। রাজস্থলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইউছুফ হাসান বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে উপজেলার ৫টি পূজামণ্ডপে পুলিশ এবং পুরুষ ও নারী আনসার সদস্য মোতায়েন থাকবেন। এ ছাড়া উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতিটি মণ্ডপে একজন করে ট্যাগ কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মন্দির কমিটির নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবকেরাও সার্বক্ষণিক নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন।উপজেলা বিএনপির উদ্যােগে সার্বক্ষনিক পর্যবেক্ষক কমিটিও গঠন করা হয়েছে। উপজেলার প্রতিটি মন্দিরে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে। তিনি বলেন, সুষ্ঠু, সুন্দর ও উৎসবমুখর পরিবেশে পূজা উদ্যাপনে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। রাজস্থলী সাব জোন অধিনায়ক মেজর হাফিজ আহম্মদ সৈকত বলেন, দুর্গাপূজা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে সেনা সদস্যরা আজ হতে সার্বক্ষণিক টহলে থাকবেন। রাজস্থলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদ হোসেন এবং চন্দ্রঘোনা থানার ওসি এস এম সাকের আহমেদ বলেন, পূজামণ্ডপগুলোতে সার্বক্ষণিক পুলিশ সদস্য নিয়োজিত থাকবেন। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে। রাজস্থলী উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা সাবেকুর নাহার বলেন, প্রতিটি পূজামণ্ডপে চারজন পুরুষ ও দুজন নারী আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সাধারণ সম্পাদক জিকু কুমার দে বলেন, গত বছর উপজেলায় ৪ মণ্ডপে দুর্গাপূজা উদ্যাপিত হয়েছিল। এ বছর মণ্ডপের সংখ্যা ১ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ টিতে। যে ৫টি মণ্ডপে পূজা হবে এ বছর রাজস্থলী উপজেলার পূজামণ্ডপগুলো হলো—রাজস্থলী বাজারের শ্রী শ্রী হরি মন্দির; বাঙ্গালহালিয়া বাজার এলাকার শ্রী শ্রী দক্ষিণেশ্বর কালি মন্দির, ছাগল খাইয়া সার্বজনীন কৃষ্ণ মন্দির; কুতুরিয়া পাড়া শিব মন্দির ও কুতুরিয়া পাড়া পারিবারিক পুজা মন্ডপ। পূজা উদ্যাপন কমিটির সদস্যরা জানান, প্রতিবছরের মতো এবারও বিজয়া দশমীতে আগামী ২১ অক্টোবর কর্ণফুলী নদীতে নৌ র্যালির মাধ্যমে প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হবে। অপর দিকে বাঙ্গালহালিয়া শ্রী শ্রী দক্ষিনেশ্বর কালিমন্দির বাজার পুকুরে ও রাজস্থলী বাজার হরিমন্দির বাজার পুকুরে বিসর্জন দেওয়া হবে।

সিংগাইরে কৃতি শিক্ষার্থী ও শিক্ষকের বিদায় সংবর্ধনা
মানিকগঞ্জের সিংগাইর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬১ জন কৃতি শিক্ষার্থী ও শিক্ষক হিমাংশু কুমার মন্ডলকে অবসর জনিত বিদায়ী সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে স্কুল মাঠে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান হয়। সিংগাইর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট তোফাজ্জল হোসেনের সভাপতিত্বে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মঈনুল ইসলাম খান শান্ত। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন মানিকগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট জামিলুর রশিদ খান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) খায়রুন্নাহার ও উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) আল আমিন কবির। প্রধান শিক্ষক আবুবকর সিদ্দিকীর সঞ্চালনায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সিংগাইর সরকারি কলেজের ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি রফিকুল ইসলাম, শিক্ষক ফারজানা মিম অভিভাবক সাফায়েত হোসেন খান বিলাস ও জ্যোতি সাহা। বক্তব্য শেষে ২০২৬ সালে এসএসসি পরিক্ষায় ৭ জন জিপিএ-৫, জুনিয়র বৃত্তি পরিক্ষায় ২ জন ও সহপাঠ ক্রমিকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখায় ৫২ জন শিক্ষার্থী ও বিদায়ী শিক্ষক হিমাংশু কুমার মন্ডলকে সম্মাননা স্মারক প্রধান করা হয়। এসময় জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো: আলাউদ্দিন, খান মো: হাবিবুল আলম মোহাম্মদ আলী, আব্দুল গফুর, উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি মনিরুল হোসেন মোকা, সাবেক আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম, পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক বাবুল হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আল-মামুন, প্রচার সম্পাদক নুর আলম বাবুল, সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান দেওয়ান জাহিনুর রহমান সৌরভ, পৌর কাউন্সিলর মাহফুজ সরকার, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব ইসমাইল হোসেন, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ওমর ফারুক মুন্না ও পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সফিকুল ইসলাম শফিকসহ সমাজের গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং স্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। মোবারক হোসেন

পূজায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে কঠোর হাতে দমন করা হবে: প্রতিমন্ত্রী পুতুল
সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল বলেছেন, পূজার উৎসবে আইনশৃঙ্খলার বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। কেউ বিশৃঙ্খলা বা সংকট তৈরির চেষ্টা করলে তা কঠোর হাতে দমন করা হবে। এ বিষয়ে সরকার ও দলের পক্ষ থেকে নির্দেশনা রয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার পূজামণ্ডপে ডিও প্রদান এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ শেষে তিনি এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, পূজা সারা বাংলাদেশের উৎসব। বাংলাদেশে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টানদের মধ্যে কোনো ভেদাভেদ নেই। সবাই বাংলাদেশি হিসেবে পরিচিত হবেন, এটাই আমরা চাই। জনগণের কাছে দেওয়া অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সরকার এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, অতীতে সরকারে না থাকলেও পূজার উৎসব সবার জন্য আনন্দময় করতে বিএনপি চেষ্টা করেছে। এবারও সরকারের পক্ষ থেকে সেই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে সরকারের পাশাপাশি দলেরও পরিকল্পনা রয়েছে। এ সময় বাগাতিপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শামসুল ইসলাম, লালপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হামিদুর রহমান বাবুসহ স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

রমনা কালীমন্দির পরিদর্শনে বিজিবি মহাপরিচালক
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী আজ বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী রমনা কালীমন্দির পরিদর্শন করেছেন। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পূজামণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে নিরাপত্তা সমন্বয় নিশ্চিত করতে তিনি এ পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে বিজিবি মহাপরিচালক সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গোৎসবের শুভেচ্ছা জানান এবং রমনা কালীমন্দির সর্বজনীন পূজা উদ্যাপন কমিটির সভাপতি ও অন্যান্য সদস্যের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা ও দিকনির্দেশনায় দেশের অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করছে। তিনি বলেন, সীমান্তের ৮ কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত প্রায় ১ হাজার ৮০০টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব বিজিবি পালন করছে। ইতোমধ্যে বিজিবির সংশ্লিষ্ট ইউনিটের সদস্যরা সরেজমিনে পূজামণ্ডপগুলো পরিদর্শন করেছেন এবং পূজা উদ্যাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে যোগাযোগ ও সমন্বয় করেছেন। সীমান্তের যেসব পূজামণ্ডপ বিজিবির বর্ডার আউটপোস্ট (বিওপি) থেকে কিছুটা দূরে অবস্থিত, সেসব স্থানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১৮টি বেস ক্যাম্প স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া বিজিবির সদর দপ্তর, রিজিয়ন, সেক্টর ও ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরের আশপাশে অবস্থিত পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা তদারকি ও দ্রুত সমন্বয়ের লক্ষ্যে বিজিবি সদর দপ্তরে একটি সার্বক্ষণিক কন্ট্রোল রুম চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি ‘শারদীয় সুরক্ষা অ্যাপ’-এর মাধ্যমে যেকোনো সমস্যা বা জরুরি পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্টরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন। যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে প্রস্তুত রয়েছে। বিজিবি মহাপরিচালক আরও বলেন, গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ, ঝুঁকি মূল্যায়ন এবং সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হচ্ছে। বিজিবির সদস্যরা পেশাদারত্ব ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন, যাতে সারা দেশে দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, নির্বিঘ্ন ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদ্যাপিত হতে পারে। বিজিবি মহাপরিচালকের পরিদর্শনকালে বিজিবি সদর দপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশনস অ্যান্ড ট্রেনিং), ঢাকা সেক্টর কমান্ডারসহ বিজিবির অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

শান্তিগঞ্জে প্রধান শিক্ষক সমিতির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন
সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির উপজেলা শাখার ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন সম্পন্ন হয়েছে। সম্মেলনে শান্তিগঞ্জ বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির উপজেলা শাখার সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন কমরূপদলং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মানিক লাল চক্রবর্তী। সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে তেঘরিয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুধা রঞ্জন মজুমদারকে। গত মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকাল ২টায় শান্তিগঞ্জ উপজেলার আব্দুল মজিদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে, রথপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আশীষ কুমার চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে, ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে সর্ব সম্মতিক্রমে অনুষ্ঠানের সভাপতি আশীষ কুমার চক্রবর্তী এই কমিটি ঘোষণা করেন। কমিটিতে উপজেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এতে নেতৃত্বের পাশাপাশি সাংগঠনিক কার্যক্রম, পেশাগত স্বার্থ সংরক্ষণ এবং প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের ভূমিকা রাখার সুযোগ তৈরি হয়েছে। কমিটির অন্যান্য পদে রয়েছেন—সিনিয়র সহসভাপতি (পুরুষ) হিসেবে শ্যামনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জসিম উদ্দিন এবং সিনিয়র সহসভাপতি (মহিলা) হিসেবে দরগাপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মালা রায়। এ ছাড়া সিনিয়র সহসভাপতি (পুরুষ) পদে মুক্তাখাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সালেহ আহমদ এবং সিনিয়র সহসভাপতি (মহিলা) পদে হাছকুড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাজবিন আক্তার দায়িত্ব পেয়েছেন। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (পুরুষ) হিসেবে হাসারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নেজাবুল হক এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (মহিলা) হিসেবে কসবা বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শীলা রাণী দাশ তালুকদার রয়েছেন। সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন বাহাদুরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. গিয়াস উদ্দিন আহমদ। এ ছাড়া সহসাংগঠনিক সম্পাদক পদে কাঠালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুমন কান্তি তালুকদার ও আলমপুর (২) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাসুমা আক্তার রয়েছেন। তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন ধনপুর-সর্দারপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মঈনুল হক। দপ্তর সম্পাদক পদে আস্তমা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিপুল চক্রবর্তী এবং অর্থ সম্পাদক পদে চানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দেবাশীষ তালুকদার দায়িত্ব পেয়েছেন। কমিটিতে সহ-অর্থ সম্পাদক পদে, উকারগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লিটন চন্দ্র দাস, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে ফতেপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অজিত চক্রবর্তী, মিডিয়া ও প্রচার সম্পাদক পদে ছয়হাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেবা রানী পাল, মহিলা সম্পাদক পদে ডুংরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোছা. রোখসানা বেগম, সহ-মহিলা সম্পাদক পদে গাগলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাছুমা বেগম, সাহিত্য সম্পাদক মৌগাঁও বাঘেরকোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুপ্রীতি রানী সাথী, কো-অপ্ট সদস্য পদে রথপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আশীষ কুমার চক্রবর্তী, গাজীনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাজীব রায়, সদরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রুমা চক্রবর্তী, কান্দাগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রসুন কান্তি দাশ সহ মোট ২৪ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা করা হয়। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, নতুন কমিটির নেতৃত্বে শান্তিগঞ্জ উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও পেশাগত ঐক্য আরও সুদৃঢ় হবে। পাশাপাশি শিক্ষকদের যৌক্তিক দাবি-দাওয়া তুলে ধরা, পেশাগত সমস্যা সমাধানে ভূমিকা রাখা এবং প্রাথমিক শিক্ষার সার্বিক মানোন্নয়নে সমিতি কার্যকর অবদান রাখবে।


