বাংলাদেশ না চাওয়া জামায়াতে ইসলামী প্রতিবাদ করছে যে, কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চায় নি! এনসিপিরও মন কাঁদছে, কিন্তু আয়াসের পাশে দাঁড়াতে পারছেনা। তবে জামায়াত সরাসরি আয়াসের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। আসলে কে এই আয়াস, তাকে চালায় কে?
ময়মনসিংহের উজ্জ্বল ওরফে আয়াসকে ঘিরে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। তাঁর পেছনে জামায়াতে ইসলামীর আমিরের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবির রয়েছেন বলে দাবি করেছেন এক ব্যক্তি। একই সঙ্গে আয়াসের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ এবং তাঁর হোয়াটসঅ্যাপের তথ্য মুছে ফেলার নির্দেশ দেওয়ার বিষয়টিও সামনে এনেছেন তিনি।
সোমবার (১২ অক্টোবর) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এসব দাবি করেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান।
পোস্টে তিনি দাবি করেন, ময়মনসিংহের উজ্জ্বল ঢাকায় এসে নিজের নাম, চুলের ধরন ও চেহারায় কিছুটা পরিবর্তন এনে ‘জুলাই যোদ্ধা’ আয়াস হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে আগে প্রতারণার মামলা ছিল এবং সে মামলায় তিনি কারাভোগও করেছেন বলে পোস্টে উল্লেখ করা হয়। মামলাটি এখনো বিচারাধীন বলেও দাবি করেন তিনি।
ফেসবুক পোস্টে আরও বলা হয়, সোমবার প্রিজন ভ্যান থেকে আয়াস তাঁর হোয়াটসঅ্যাপে লগইন করে সব তথ্য মুছে ফেলার কথা বলেছেন। তাঁর হোয়াটসঅ্যাপে কী তথ্য রয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন পোস্টদাতা।
ওই ব্যক্তি দাবি করেন, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গ্রাফিতিতে কালিমা লেপনের জন্য চুন কেনার অর্থ দিয়েছিলেন জামায়াতের আমিরের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবির। এ ছাড়া জুলাইয়ের নামে গড়ে ওঠা বিভিন্ন বিতর্কিত সংগঠন ও কর্মকাণ্ডকে অর্থ ও পরামর্শ দিয়ে পৃষ্ঠপোষকতা করার অভিযোগও তাঁর বিরুদ্ধে তোলেন পোস্টদাতা।
পোস্টে আরও বলা হয়, ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবিরকে রক্ষা করতেই আয়াস তাঁর হোয়াটসঅ্যাপের তথ্য মুছে ফেলার কথা বলেছেন বলে পোস্টদাতার ধারণা।
একই পোস্টে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে ঘিরে জামায়াতে ইসলামীর অবস্থান এবং এ বিষয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ভূমিকা নিয়েও মন্তব্য করা হয়।
তবে ফেসবুক পোস্টে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য পাওয়া যায়নি। ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবিরের বক্তব্য কিংবা অভিযুক্ত আয়াসের বক্তব্যও এ প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর সত্যতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য ও মামলার নথি যাচাই করা প্রয়োজন।
