সংবাদসংস্থা মুম্বই: টিনসেল টাউনে খবর অফুরান। বিনোদনের সমস্ত খবর জানতে যদি চান, চোখ রাখুন নজরে বিনোদনে। জেনে নিন সারাদিনের গরমা গরম খবর কী?
বলিউডের সাথে হলিউডের তুলনা টানলেন বিদ্যুৎ জামাওয়াল
দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে ভারতীয় চলচ্চিত্রের সাথে যুক্ত রয়েছেন বিদ্যুৎ জামওয়াল। হিন্দি, তামিল এবং তেলেগু সিনেমায় কখনও খলনায়ক হিসেবে, আবার কখনও অ্যাকশন হিরো হিসেবে মন ছুঁয়েছেন সিনেমাপ্রেমীদের। তবে এবার খুব শিগগিরই নতুন অ্যাকশন সিনেমা 'স্ট্রিট ফাইটার'-এর হাত ধরে হলিউডে ডেবিউ করতে চলেছেন তিনি। হলিউডে আত্মপ্রকাশ এর আগেই, সম্প্রতি বলিউড ইন্ডাস্ট্রির সাথে হলিউড ইন্ডাস্ট্রির পার্থক্য কোথায় তা নিয়ে নিজের মতামত জানিয়েছিলেন তিনি। তার কথায় ভারতীয় সিনেমার সাথে হলিউডের অ্যাকশন সিনেমার মধ্যে আসল পার্থক্যটা প্রতিভার নয়। আমাদের এইখানকার ইন্ডাস্ট্রি থেকে ওখানে অনেক আলাদা। হলিউডের যে কোন সিনেমার ক্ষেত্রে বাজেট অনেক বেশি হয় ঠিকই তবে শুধুমাত্র বাজেট বেশি হলেই ভালো সিনেমা তৈরি হয় না। তার জন্য প্রয়োজন একেবারে ভিন্ন ধরনের পরিকল্পনা, পেশাদারিত্ব, নিয়ম শৃঙ্খলা এবং বেশ কিছু আইনি প্রক্রিয়ার দিকেও নজর রাখতে হয়। এটা আমাদের ইন্ডাস্ট্রির সাথে হলিউডের একটা বড় পার্থক্য।
একতা কাপুরের সবচেয়ে খারাপ সময় ছিল ২০০৮
২০০৮ সাল ছিল একটা কাপুরের কর্মজীবনের সবচেয়ে খারাপ একটা বছর। সম্প্রতি রণবীর আলাহাবাদিয়ার একটি চ্যাট শোতে গিয়ে সে কথা স্বীকার করে নিয়ে একতা বলেছেন, 'আমার ক্যারিয়ারের ক্ষেত্রে ২০০৮ সাল সব থেকে খারাপ একটা বছর ছিল। পেশাগত দিক দিয়ে এই সময়টা আমার জন্য খুবই খারাপ ছিল। মানসিক দিক দিয়েও এই পরিস্থিতির সাথে লড়াই করার ক্ষমতা হারিয়েছিলাম। যদিও করোনা আমার মনের উপর অনেক বেশি প্রভাব ফেলেছিল। আমি সেই সময় মাতৃপদের সাথে লড়াই করছিলাম আমি কখনো আমার চারপাশে এত মৃত্যু দেখিনি। ২০২১-২২ সাল আমার জন্য মানসিকভাবে সবচেয়ে বেশি কঠিন বছর ছিল আর ২০০৮ সাল ছিল পেশাগতভাবে সবচেয়ে কঠিন।
https://youtu.be/Lrfrhq_IvfY?si=MNUYFl2KQotBAcD2
বডি শেমিং নিয়ে কী বললেন রাধিকা মদন?
মা হওয়ার পর সম্প্রতি নিজের চেহারার জন্য চূড়ান্ত বডি শেমিং-এর শিকার হয়েছিলেন বলিউড অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফ। তবে ক্যাটরিনা একা নন একইভাবে ভয়ংকর বডি সুইমিং এর শিকার হয়েছিলেনএই বডি সুইমিং নিয়ে এই বিষয়ে তার সাথে নিজের মিল খুঁজে পেয়েছিলেন অভিনেত্রী রাধিকা মদন। স্কুল লাইফের নিজের জীবনের এমনই তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে অভিনেত্রী বলেছেন নিন্দুকরা তাদের সমালোচনা করা কখনোই বন্ধ করবে না তাই এই ধরনের সমালোচনাকে পাত্তা না দেওয়া উচিত। কারণ একসময় যারা তাকে রোগা বলে কটাক্ষ করেছিলেন পরবর্তীতে তিনি যখন মেদ ছড়ান তারাই তাকে আবার অতিরিক্ত রোগা বলে সমালোচনা করতে শুরু করেন। শেষ পর্যন্ত তিনি উপলব্ধি করেন অন্য কারও কথা শুনে নিজে শরীরের ওপর এমন অহেতুক চাপ দেওয়ার কোনো মানে হয় না।
