বেতন বৃদ্ধি ও নিত্যপণ্যের দাম কমানোর দাবিতে আজমপুর-রাজলক্ষ্মী এলাকায় শ্রমিকদের অবরোধে তীব্র যানজট, ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ
খোলা বাজার অনলাইন, ডেস্ক:
- আপডেট সময় : ০৫:৩১:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ২০ বার পড়া হয়েছে
ছবি- বেতন বৃদ্ধি ও নিত্যপণ্যের দাম কমানোর দাবিতে উত্তরার আজমপুর-রাজলক্ষ্মী এলাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ কালে পোশাকশ্রমিকেরা।
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
রাজধানীর উত্তরায় বেতন বাড়ানো ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমানোর দাবিতে প্রায় তিন ঘণ্টা সড়ক অবরোধের পর কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছেন পোশাকশ্রমিকেরা।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুর ১টার দিকে শ্রমিকেরা অবরোধ তুলে নিলে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করে। এর আগে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উত্তরার আজমপুর ও রাজলক্ষ্মী এলাকায় কয়েকটি পোশাক কারখানার সহস্রাধিক শ্রমিক মহাসড়ক অবরোধ করেন। এতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। ভোগান্তিতে পড়েন হাজারো মানুষ। গন্তব্যে পৌঁছাতে না পেরে অনেককে পায়ে হেঁটে যেতে দেখা যায়। তাঁদের মধ্যে বিদেশগামী যাত্রীও ছিলেন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদ্য সাবেক সদস্যসচিব হাজী মোস্তফা জামান নেতাকর্মীদের নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। তিনি আন্দোলনরত শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং সড়ক অবরোধের কারণে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে কর্মসূচি প্রত্যাহারের অনুরোধ জানান। পরে শ্রমিকেরা অবরোধ তুলে নেন।
স্থানীয় বিএনপি নেতাদের দাবি, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদ্য সাবেক আহ্বায়ক ও যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে তাঁরা শ্রমিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ সময় ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদ্য সাবেক আহ্বায়ক সদস্য আলাউদ্দিন সরকার টিপুসহ স্থানীয় বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। অবরোধ প্রত্যাহারের আগে শ্রমিকেরা আজমপুর থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত মিছিল করেন।
এদিকে, অবরোধে অংশ নেওয়া শ্রমিকদের কর্মসূচির পেছনে রাজনৈতিক ইন্ধন ও অর্থায়ন থাকার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য খসরু চৌধুরীর মালিকানাধীন নিপা গার্মেন্টসসহ কয়েকটি পোশাক কারখানার শ্রমিক-কর্মচারীদের নাম এসেছে। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে খসরু চৌধুরী ও সংশ্লিষ্ট কারখানা কর্তৃপক্ষের বক্তব্যও পাওয়া যায়নি। তাই অভিযোগগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

