ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেছেন, চট্টগ্রাম গত ১৯ বছরে অত্যন্ত অবহেলিত ছিল। এ অঞ্চলের সন্তান হিসেবে নগরের সমস্যা ও প্রয়োজন সম্পর্কে তিনি অবগত। তাই চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের দ্বিতীয় ইউনিটের কার্যক্রম এগিয়ে নিতে আন্তরিকভাবে কাজ করতে চান তিনি।
গতকাল বিকেলে চমেকের শাহ আলম বীর উত্তম মিলনায়তনে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের বিদায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য এমন জায়গা নির্ধারণ করতে হবে, যেখানে বেশি মানুষ সহজে চিকিৎসাসেবা নিতে পারবেন। জমি অধিগ্রহণ বা স্থান নির্বাচনের ক্ষেত্রে অন্যদের জীবনযাত্রা যেন ব্যাহত না হয়, সেদিকেও নজর দিতে হবে।
তিনি বলেন, সরকার জনগণের সেবা নিশ্চিত করার জন্য। এমন সুবিধাজনক স্থান খুঁজে বের করতে হবে, যেখানে একসঙ্গে অনেক মানুষকে চিকিৎসাসেবা দেওয়া সম্ভব হবে। জায়গা খুঁজতে গিয়ে আরও ১০ বছর পার হয়ে গেলে উদ্দেশ্য পূরণ হবে না।
মীর হেলাল বলেন, অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রীও চট্টগ্রামের সন্তান। তাঁর কাছে গেলে চমেক হাসপাতালের দ্বিতীয় ইউনিট বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে তিনি আশাবাদী। ভূমির বিষয়ে চট্টগ্রামের সন্তান হিসেবে তিনিও সহযোগিতা করতে পারবেন।
ইন্টার্ন চিকিৎসকদের উদ্দেশে প্রতিমন্ত্রী বলেন, চিকিৎসা বিশ্বের অন্যতম মহৎ পেশা। দেশের মানুষের সেবায় চিকিৎসকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। শিক্ষার্থীদের পেছনে পরিবার ও রাষ্ট্রের বিপুল বিনিয়োগ থাকে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। কি-নোট বক্তা ছিলেন চমেকের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. জসিম উদ্দীন। আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. ওমর ফারুক ইউসুফ ও চমেকের উপাধ্যক্ষ ডা. মো. আনিসুল হক। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন।
