অধিকৃত পশ্চিম তীরে অবৈধ ইসরায়েলি বসতি নির্মাণ, সম্প্রসারণ কিংবা অর্থায়নের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে যুক্তরাজ্য ঘোষিত নতুন ও বর্ধিত নিষেধাজ্ঞা ব্যবস্থা আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) থেকে কার্যকর হওয়া এই বিধিনিষেধের ফলে অবৈধ বসতিতে অর্থায়নকারী ব্যাংক ও বীমা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ তৈরি হলো।
গত সেপ্টেম্বর মাসে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র সচিব এড মিলিব্যান্ডের করা এক ঘোষণার পর এই বিধিমালা চূড়ান্ত করা হয়। ব্রিটেনের এই পদক্ষেপের জবাবে ইসরায়েল ইতোমধ্যে পাল্টাব্যবস্থা হিসেবে অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমে অবস্থিত ব্রিটিশ কনস্যুলেট বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে।
ইসরায়েলি সংবাদপত্র ‘হারেৎসের’ তথ্য অনুযায়ী, এই নতুন নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে কেবল ফিলিস্তিনিদের ওপর সহিংসতা চালানো চরমপন্থি বসতি স্থাপনকারীদেরই নয়, বরং অবৈধ বসতি নির্মাণে আর্থিক সহায়তা ও ঋণ দেওয়া ব্যাংক এবং বীমা কোম্পানিগুলোকেও সরাসরি নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা সম্ভব হবে।
আগামী ১৯ অক্টোবর অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেম এবং মালে আদুমিম বসতির মধ্যবর্তী ‘ই১’ এলাকায় নতুন আবাসন নির্মাণের দরপত্র আহ্বানের সময়সীমা শেষ হতে যাচ্ছে। ঠিক তার চার দিন আগেই যুক্তরাজ্যের এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হলো। এই বিতর্কিত ই১ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের ভৌগোলিক অখণ্ডতা মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে বলে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় দীর্ঘদিন ধরে সমালোচনা করে আসছে।
যুক্তরাজ্যের নতুন এই আইনি কাঠামোর ফলে ইসরায়েলি অবৈধ বসতির অর্থায়নকারী যেকোনো ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে চিহ্নিত বা কালো তালিকাভুক্ত করার সুযোগ সৃষ্টি হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তাদের ওপর স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিষেধাজ্ঞা চাপানো হবে না, বরং ধারাবাহিক পর্যালোচনার মাধ্যমে চূড়ান্ত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
