Published on
:
2 min read
নর্থ মুম্বইয়ের মুখোপাধ্যায় বাড়ির পুজোতে ব্যস্ত স্ত্রী কাজল। তারই মাঝে অজয় দেবগনের বাড়িতে ভাঙচুর! মুম্বইয়ের বিখ্যাত জুহু এলাকায় অভিনেতার বাংলোয় বুলডোজ়ার ও ভাঙচুর অভিযান চালাল বৃহন্মুম্বই মিউনিসিপ্যাল করপোরেশন (BMC)। অভিযোগ, পুরসভার অনুমতি ছাড়াই বাংলোর ভিতরে ‘বেআইনি নির্মাণকাজ’ চালাচ্ছিলেন তিনি।
জানা গিয়েছে, মুম্বইয়ের জুহু কাপোল কো-অপারেটিভ হাউজ়িং সোসাইটিতে অবস্থিত ৭,৮০২ বর্গফুটের এই বাংলোটিতে পুরসভার প্রয়োজনীয় অনুমতি ছাড়াই কিছু ঘরের ভিতর নতুন দেওয়াল নির্মাণ এবং জানলা বদলানো-সহ বেশ কিছু স্ট্রাকচারাল পরিবর্তন করা হচ্ছিল।
বিএমসি জানিয়েছে, পুরসভার অনুমতি ছাড়া এই ধরনের কাজ চলায় গত ১০ সেপ্টেম্বর মুম্বই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন আইনের ৩৫৪ ধারা অনুযায়ী অজয় দেবগনকে একটি ফর্মাল ‘স্টপ-ওয়ার্ক’ নোটিস পাঠানো হয়েছিল। সেখানে অবিলম্বে সমস্ত নির্মাণকাজ বন্ধ রাখা এবং বৈধ নথি জমা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়।
তবে পুরসভার সেই আইনি নির্দেশ ও নোটিস অমান্য করেই বাংলোর ভিতরের নির্মাণকাজ চালু রাখা হয়েছিল। যার ফলে পুরসভার আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে হাতুড়ি ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম দিয়ে বেআইনি অংশগুলি ভাঙতে শুরু করেন। ইতোমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিএমসি আধিকারিকদের ভাঙচুর চালানোর বেশ কিছু ছবি ও ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে।
বাংলো সংক্রান্ত এই বিতর্কের পাশাপাশি বর্তমানে আরও একটি বিতর্কিত খবরের শিরোনামে রয়েছেন ‘সিঙ্ঘম’ অভিনেতা। সম্প্রতি ‘বিমল ইলাইচি’র বিজ্ঞাপনে অভিনেতার উপস্থিতির কারণে মহারাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (FDA) অজয়-সহ অভিনেতা শাহরুখ খান এবং টাইগার শ্রফকে শোকজ় নোটিস পাঠিয়েছে। মহারাষ্ট্র এফডিএ কমিশনার তুকারাম মুণ্ডে (যিনি প্রশাসনিক মহলে ‘সিঙ্ঘম’ নামেই পরিচিত) জানিয়েছেন যে, নিষিদ্ধ পণ্যের পরোক্ষ প্রচার করা হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখতেই এই আইনি পদক্ষেপ।
পর্দার বাইরে এ সব বিতর্কের মধ্যেও অবশ্য অজয় দেবগনের নতুন ছবি ‘দৃশ্যম’-এর শেষ পর্বটি বক্স অফিসে দুর্দান্ত সাফল্য ধরে রেখেছে। গত ২ অক্টোবর পেক্ষাগৃহে মুক্তির পর বিশ্ব জুড়ে ৪০০ কোটি টাকার ক্লাব পেরিয়ে গিয়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছে ছবিটি।