প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৪৫ পিএম
সনাতন ধর্মাবলম্বীরা নিজেদের সংখ্যালঘু না ভেবে এ দেশের সমঅধিকারভোগী নাগরিক হিসেবে ভাবুন। প্রত্যেকে স্বাধীনভাবে নিজ নিজ ধর্ম পালন করবেন, কেউ বাধা সৃষ্টি করবে না।এমন মন্তব্য করেছেন খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সদস্যসচিব এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী।
আজ মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে খুলনার কয়রা উপজেলার বিভিন্ন দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন ও ভক্ত-দর্শনার্থীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
বাপ্পী বলেন, দুর্গাপূজা শুধু ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা নয়; এটি দেশের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার প্রতীক। এ উৎসব মানুষের মধ্যে ভালোবাসা, সৌহার্দ্য, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও দৃঢ় করে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।
তিনি আরও বলেন, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদ্যাপনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে হবে। বিএনপির নেতাকর্মীরাও এলাকাভিত্তিক দায়িত্ব পালন করবেন, যাতে পূজার পরিবেশ নির্বিঘ্ন থাকে।
কয়রার উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, উপজেলার প্রায় ২০১টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে উন্নয়ন বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নতুন ভবন নির্মাণ, সংস্কার ও সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। হাসপাতাল, সুপেয় পানি ও যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নেও বিশেষ বরাদ্দ আনার কথা উল্লেখ করেন তিনি।
নিজের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির কথা তুলে ধরে বাপ্পী বলেন, কথার ফুলঝুরি নয়, বাস্তব উন্নয়নের মাধ্যমে মানুষের আস্থা অর্জন করতে চান তিনি। এ সময় জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে দলটির বিরুদ্ধে সরকারি বরাদ্দ বণ্টন ও রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে অভিযোগ তোলেন তিনি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আশরাফুল আলম নান্নু, কয়রা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নূরুল আমিন বাবুল, জেলা বিএনপির সদস্য এম এ হাসান, মনিরুজ্জামান বেল্টু, আবু সাঈদ বিশ্বাস এবং জেলা জাসাসের আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম শহিদসহ বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
