Published on
:
2 min read
উত্তরবঙ্গের পাহাড় মানেই কাঞ্চনজঙ্ঘার হাতছানি আর ধূপি-পাইনের সারি। পাহাড়ে শীত পড়তে চলেছে। গরম মোমো সঙ্গে হিমেল হাওয়ার স্পর্শ তার-ই জানান দিচ্ছে। তবে এই স্বাদ দার্জিলিংয়ের ঘিঞ্জি শহরে বসে মিলবে না। যেতে হবে কালিম্পংয়ের গ্রামে।
আজকাল পাহাড়ের আনাচে কানাচে গড়ে উঠেছে আস্তানা। পাহাড়ি বস্তি হয়ে উঠেছে অফবিট ডেস্টিনেশন। তবু কিছু জায়গা রয়েছে, যেখানকার জীবন বড্ড সাদামাঠা অথচ উষ্ণতায় ভরা। জঙ্গলের রাস্তা, চরাই-উৎরাই পেরিয়ে মেলে সেই শান্তির ঠিকানা। এখানে শুধু কাঞ্চনজঙ্ঘা বা নির্ভেজাল প্রকৃতি সঙ্গী নয়। এ হলো নিজেকে খুঁজে নেওয়ার আস্তানা। জায়গার নাম সিনজি।
হোমস্টের বারান্দায় ঝুলে থাকে অর্কিড আর বাহারি পাতার গাছ। দূরে উঁকি দেয় কাঞ্চনজঙ্ঘা। যে দিন আকাশ মেঘলা থাকে, মেঘ-কুয়াশা জাপ্টে ধরে। অলস দিনে কোথাও যেতে মন চায় না। সিনজিতে বসিয়ে কাটিয়ে দেওয়া যায় দু’দিন। তবে ঘন সবুজ জঙ্গলের মাঝে রেনবো জলপ্রপাত দেখতে যেতে পারেন সিনজি থেকে।
খানি খোলা হয়ে পৌঁছতে হয় সিনজিতে। পাহাড়ি পথে হেঁটেও পৌঁছতে পারেন। শীতকালে জলে হাত দেওয়ার সাহস কারও নেই। কিন্তু গ্রীষ্মে দিব্যি স্নান করা যায় ঝর্নার জলে। তা ছাড়া গাড়ি রিজার্ভ করে চারখোল, সামথার, পানবু, লাভা, লোলেগাঁও, রিশ্যপ, লুপ ব্রিজ, তিস্তা বাজার ইত্যাদি ঘুরে নেওয়া যায়।
কী ভাবে যাবেন এবং কোথায় থাকবেন?
শিলিগুড়ি থেকে সিনজির দূরত্ব প্রায় ৭২ কিলোমিটারের মতো। শিলিগুড়ির শালুগাড়া বাজার থেকে সিনজির শেয়ার গাড়ি পাওয়া যায়। তা ছাড়া নিউ জলপাইগুড়ি থেকে গাড়ি রিজার্ভ করেও সিনজি পৌঁছতে পারেন। পথে দাঁড়াতে পারেন পানবু দারা ভিউ পয়েন্টে। সিনজিতে থাকার জন্য হাতেগোনা বেশ কয়েকটি হোমস্টে ও রিট্রিট রয়েছে।
FAQ
১. সিনজি কোথায় অবস্থিত?
উত্তর: সিনজি কালিম্পংয়ের একটি শান্ত ও নিরিবিলি পাহাড়ি গ্রাম।
২. সিনজির প্রধান আকর্ষণ কী?
উত্তর: কাঞ্চনজঙ্ঘার দৃশ্য, সবুজ জঙ্গল, পাহাড়ি পরিবেশ ও রেনবো জলপ্রপাত।
৩. সিনজি থেকে কোন কোন জায়গা ঘুরতে যাওয়া যায়?
উত্তর: চারখোল, সামথার, পানবু, লাভা, লোলেগাঁও, রিশ্যপ, লুপ ব্রিজ ও তিস্তা বাজার ঘুরতে পারেন।
৪. শিলিগুড়ি থেকে সিনজি কী ভাবে যাবেন?
উত্তর: শালুগাড়া বাজার থেকে শেয়ার গাড়ি অথবা নিউ জলপাইগুড়ি থেকে গাড়ি রিজার্ভ করে যেতে পারেন।
৫. সিনজিতে কোথায় থাকবেন?
উত্তর: সিনজিতে থাকার জন্য কয়েকটি হোমস্টে ও রিট্রিট রয়েছে।
