নবম জাতীয় পে-স্কেল অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন মূল বেতন নির্ধারণের (পে ফিক্সেশন) কার্যক্রম শেষ হয়েছে। গত ৫ অক্টোবর শুরু হওয়া এ কার্যক্রম মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) শেষ হয়।
এর মাধ্যমে সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন মূল বেতন, আগের বেতনের সঙ্গে পার্থক্য এবং বকেয়া পাওনার হিসাব নির্ধারণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট তথ্যে জানানো হয়েছে।
নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী অক্টোবরের বেতন পাওয়ার কথা সরকারি চাকরিজীবীদের। পে ফিক্সেশন সম্পন্ন হওয়ার পর নতুন পে-স্কেল কার্যকর হওয়ার সময় থেকে প্রাপ্য বেতন-ভাতার বকেয়াও সমন্বয়ের বিষয়টি সামনে এসেছে। তবে গ্রেড, আগের মূল বেতন, নতুন বেতন এবং কার্যকর হওয়ার তারিখ অনুযায়ী বকেয়ার পরিমাণে পার্থক্য হতে পারে।
প্রদত্ত তথ্যে বলা হয়েছে, জাতীয় বেতনস্কেল-২০১৫ অনুযায়ী ২০২৬ সালের জুন মাসের বেতন-ভাতা উত্তোলন এবং জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরের বেতন-ভাতার বিল সাবমিট না করা পর্যন্ত জাতীয় বেতনস্কেল-২০২৬ অনুযায়ী বেতন নির্ধারণ করা যাবে না।
অর্থ বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আইবাস প্লাস প্লাস (iBAS++) ব্যবস্থায় বেতন নির্ধারণের কাজ সম্পন্ন করার কথা। তবে প্রতিরক্ষা ও জুডিশিয়াল সার্ভিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন নির্ধারণের বিষয়টি এখনো প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
প্রদত্ত তথ্যমতে, ৩১ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে নবম জাতীয় বেতনস্কেল অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে ১৯ সেপ্টেম্বর অর্থ বিভাগ থেকে ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’ প্রকাশ করা হয়। এতে বেতন কাঠামোটি ১ জুলাই থেকে কার্যকর হওয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে।
এদিকে, ১৯ অক্টোবর অর্থ বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত মূল বেতনের শতাংশের ভিত্তিতে দেওয়া প্রচলিত ভাতাগুলো ২০২৬ সালের ৩০ জুন প্রাপ্ত মূল বেতনের ভিত্তিতে নির্ধারণ ও পরিশোধ করতে হবে।
