কর্মসূচিতে থাকছে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, দোয়া ও ফাতেহা। এ ছাড়া হযরত শাহ জাহাঙ্গীর তাজুল আরেফিন (ক.)-এর জীবন, আধ্যাত্মিক সাধনা ও ধর্মীয় অবদান নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।

আয়োজকেরা জানান, শরিয়তের অনুশীলন, তরিকার প্রতি নিষ্ঠা, হাকিকতের উপলব্ধি ও মারেফাত অর্জনের সাধনার মধ্য দিয়ে এ সিলসিলার আধ্যাত্মিক মাশায়েখগণ অন্তরের পরিশুদ্ধি ও চরিত্রের উৎকর্ষ সাধনে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করে আসছেন। তাঁদের শিক্ষা ও আদর্শে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন, প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি গভীর ভালোবাসা, পীর-মুর্শিদের নির্দেশনা অনুসরণ এবং বিনয় ও সহমর্মিতার সঙ্গে মানবতার সেবার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
আয়োজকেরা আশা প্রকাশ করেছেন, এ ওরশ শরীফে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে মুরিদ, ভক্ত-অনুরাগী ও আধ্যাত্মিক সাধনায় আগ্রহী ব্যক্তিদের সমাগম ঘটবে। তাঁদের ভাষ্যমতে, এ মাহফিল হযরত শাহ জাহাঙ্গীর তাজুল আরেফিন (ক.)-এর স্মৃতির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ এবং তাঁর শিক্ষা ও আদর্শ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ হয়ে উঠবে।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, এ ওরশ শরীফ আত্মিক পরিশুদ্ধি ও নবজাগরণের পাশাপাশি মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ সুদৃঢ় করার উদ্দেশ্যে নিবেদিত। আয়োজনের সব ইবাদত-বন্দেগি কবুল হওয়ার জন্য তাঁরা মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করেছেন।