ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে ফল ২০২৬ সেমিস্টারের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত
প্রকাশ: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে সোমবার (১২ অক্টোবর) ফল-২০২৬ সেমিস্টারের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. ফরিদ আহমদ সোবহানী।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্য ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শাহীন চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ।
সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আমিন মোহাম্মদ ল্যান্ডস ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের প্রধান আবুল কালাম মো. রেজাউল করিম।
সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. ফরিদ আহমদ সোবহানী নবীন শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানান এবং তাদের ভবিষ্যৎ সাফল্যের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি শিক্ষার্থীদের সততা, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ ধারণ করে নিজেদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানান। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র - ছাত্রীদের নিয়ে তার সাম্প্রতিক চীন সফরের বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য স্মৃতি শেয়ার করেন এবং চীন এর মতো উন্নত দেশের কাছ থেকে কি ধরনের অভিজ্ঞতা পেয়েছেন সে বিষয়ে আলোচনা করেন।
প্রধান অতিথি ড. মুহাম্মদ শাহীন চৌধুরী ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির প্রাণবন্ত ক্যাম্পাস পরিবেশ এবং বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের আন্তরিক আতিথেয়তার প্রশংসা করেন। বিশেষ অতিথি ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ শিক্ষার্থীদের ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানান।
স্বাগত বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার এবং ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার প্রফেসর মো. শামসুল হুদা শিক্ষার্থীদের জন্য জ্ঞানভিত্তিক শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ডিন প্রফেসর ড. মো. মাহফুজুর রহমান, স্কুল অব আর্টসের ডিন ড. শাফিয়া আখতার, এবং স্কুল অব বিজনেসের ডিন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ. কে. এম. ইকবাল আজিম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও ভিস্তা ইলেকট্রনিকস পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক লোকমান হোসেন আকাশ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আমিন মোহাম্মদ ল্যান্ডস ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
অনুষ্ঠানে নবীন শিক্ষার্থীরা নিজেদের অনুভূতি প্রকাশ করেন এবং শপথ গ্রহণ করেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও নবীন শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক ও সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মোহাম্মদ ইবনে আনোয়ার ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। পরে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে।
বিজ্ঞপ্তি/
আরও পড়ুন
ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের এআই প্রশিক্ষণ দিবে হুয়াওয়ে
প্রকাশ: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৫ এএম
আপডেট: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৫ এএম
ছবি: সংগৃহীত
-->বিশ্বজুড়ে ক্রমবর্ধমান প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর উদ্ভাবন খাতে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা যাতে নিজেদের দক্ষতা দিয়ে জায়গা করে নিতে পারেন, সে লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এআই প্রশিক্ষণ দিতে যাচ্ছে হুয়াওয়ে। এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি হুয়াওয়ে ও ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির (ইডব্লিউইউ) মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।
এর মাধ্যমে ইডব্লিউইউতে হুয়াওয়ে আইসিটি একাডেমির কার্যক্রম শুরু হবে।
হুয়াওয়ে সাউথ এশিয়ার পাবলিক অ্যাফেয়ার্সের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মা বেন এবং ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির ভারপ্রাপ্ত ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আশিক মোসাদ্দিক নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে ইডব্লিউইউর মূল ক্যাম্পাসে এই সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।
অনুষ্ঠানে ইডব্লিউইউর বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আহমেদ ওয়াসিফ রেজাসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক এবং উভয় প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আশিক মোসাদ্দিক বলেন, বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় আইসিটি সলিউশন ও ইকুইপমেন্ট সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে হুয়াওয়ে আইসিটি ও এআই ক্ষেত্রে বিশ্বমানের সক্ষমতা নিয়ে কাজ করছে।
এই প্রতিষ্ঠান ইডব্লিউইউর ক্যাম্পাসে আইসিটি একাডেমি চালু করতে যাচ্ছে, যা আনন্দের বিষয়। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা সেরাদের কাছ থেকে এআই বিষয়ে শেখার সুযোগ পাবেন।
এই সুযোগ ইডব্লিউইউর শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ উপযোগী দক্ষতা গড়ে তুলতে এবং এআই পেশাক্ষেত্রের জন্য প্রস্তুত হতে সহায়তা করবে। বাংলাদেশের তরুণদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে হুয়াওয়ের এই উদ্যোগ একাডেমিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য অত্যন্ত অনুপ্রেরণাদায়ক।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে মা বেন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে যৌথভাবে আধুনিক প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শেখার উপযুক্ত পরিবেশ ও সুযোগ গড়ে তোলার মাধ্যমে বাংলাদেশের তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নে হুয়াওয়ের অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের উদ্ভাবননির্ভর অর্থনীতি দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। এ জন্য প্রয়োজন এমন জনবল, যারা এ খাতের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ। এ কারণেই হুয়াওয়ে ইডব্লিউইউর মতো বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে কাজ করছে। বিশ্ববিদ্যালয়টিও বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করেছে এবং দুই পক্ষ একসঙ্গে কাজ করতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। এভাবেই শিল্প ও শিক্ষাখাত এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে সেতুবন্ধ তৈরি করে বাংলাদেশের তরুণদের ডিজিটাল ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করতে চায় হুয়াওয়ে।
তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশে বাংলাদেশের জন্য’ হুয়াওয়ে কাজ করে চলেছে। হুয়াওয়ে আইসিটি একাডেমি তারই একটি উজ্জ্বল উদাহরণ।
এই যৌথ উদ্যোগের আওতায় ইডব্লিউইউর অধ্যাপকেরা কোর্স মডিউল, শিক্ষার্থীদের নিবন্ধন এবং তাঁদের অগ্রগতি তত্ত্বাবধান ও পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন। শিক্ষার্থীরা হুয়াওয়ের অনলাইন এআই প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে বিনা মূল্যে অংশ নিতে পারবেন এবং নিজেদের সুবিধামতো কোর্সগুলো সম্পন্ন করবেন।
প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে রয়েছে বেসিক ম্যাথ, ওভারভিউ অব এআই, ইন্টেলিজেন্ট কালচারাল কম্পিউটিং, এআই প্রিন্সিপলস অ্যান্ড অ্যাপ্লিকেশনস, এআই টেকনোলজি অ্যান্ড অ্যাপ্লিকেশনস এবং এআই প্রসেসর ডেভেলপমেন্ট কোর্স।
বিজ্ঞপ্তি/
আরও পড়ুন
জাবির নিখোঁজ শিক্ষার্থীর খোঁজ মিলল কুমিল্লার দাউদকান্দিতে
প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২৭ পিএম
ছবি:সংগৃহীত
-->শিক্ষকদের দায়ী করে চিরকুট লিখে নিখোঁজ হওয়ার এক দিন পর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ভূতাত্ত্বিক বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মো. মোহাইমিনুল ইসলামের খোঁজ পাওয়া গেছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় কুমিল্লার দাউদকান্দি থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে রয়েছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মোহাম্মদ মহিউদ্দিন স্বাক্ষরিত এক জরুরি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে থাকা মোহাইমিনুলকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নিয়ে আসা হবে। নিখোঁজ শিক্ষার্থীকে খুঁজে বের করার জন্য পুলিশ প্রশাসন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী-শিক্ষক ও গণমাধ্যমকর্মীদের আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
প্রসঙ্গগত, গতকাল রবিবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে করে ঢাকায় যাওয়ার পর থেকে মোহাইমিনুল নিখোঁজ ছিলেন। নিখোঁজ হওয়ার আগে তিনি তার আবাসিক হলের কক্ষে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে অবহেলা ও মানসিক চাপের অভিযোগ এনে একাধিক চিরকুট রেখে যান। এ ঘটনার জেরে তাকে উদ্ধারের দাবিতে গতকাল রাতেই বিভাগে তালা ঝুলিয়ে ৮ দফা দাবিতে আন্দোলন শুরু করেছিলেন তার সহপাঠীরা।
আমানুল্লাহ/নাঈম
আরও পড়ুন
ঢাবিতে নিকাব ইস্যুতে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের ‘লাল কার্ড’ প্রদর্শন
প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০১ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->ক্লাস চলাকালীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইংরেজি বিভাগের নিকাব পরিহিত এক ছাত্রীকে শ্রেণিকক্ষে কটাক্ষের অভিযোগে অভিযুক্ত শিক্ষক ও তাকে সমর্থনকারীদের প্রতি ঘৃণা ব্যক্ত করে লাল কার্ড প্রদর্শন করেছেন বিভাগটির শিক্ষার্থীরা।
অভিযুক্ত তাসনিম সিরাজ মাহবুব বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক।
সোমবার (১২ অক্টোবর) বিভাগের শ্রেণিকক্ষে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা মুখে কালো মাস্ক পরে ওই কর্মসূচি পালন করেন।
জানা গেছে, সম্প্রতি নিকাব পরিহিত এক নারী শিক্ষার্থীকে ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ ও ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়া এবং শ্রেণিকক্ষে ছয়জন ছাত্রকে এক বেঞ্চে বসতে দেখে তাদেরকে ‘গে’ ও ‘গরিব’ বলে মন্তব্য করার অভিযোগ ওঠে ওই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অডিও ক্লিপও ছড়িয়ে পড়ে। পরে শিক্ষার্থীদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে সহযোগী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজকে বিভাগের সব ক্লাস থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
এ দিকে গত রবিবার শ্রেণিকক্ষে শিক্ষকের স্বাধীনতা খর্বের চেষ্টা ও ভিন্নমত প্রকাশের কারণে শিক্ষকদের হেনস্তার প্রতিবাদে ক্লাসরুমে মুখে কালো কাপড় বেঁধে পাঁচ মিনিট নীরব প্রতিবাদ জানায় সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সামিনা লুৎফা। তার এমন কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ জানিয়ে, ‘রেড কার্ড টু রেসিস্ট, ক্লাসিস্ট অ্যান্ড হিপোক্রিট’ এবং ‘রেড কার্ড টু দোজ হু সাপোর্ট ডিসক্রিমিনেশন, হিউমিলিয়েশন অ্যান্ড বুলিং’ কর্মসূচি পালন করে ওই শিক্ষার্থীরা।
এ বিষয়ে ইংরেজি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ নায়েম বলেন, তাসনিম সিরাজ মাহবুব ম্যাম ইংরেজি বিভাগের একজন শিক্ষার্থী নেকাব করায় তাকে ফান্ডামেন্টালিস্ট এবং সন্ত্রাসী বলে অবিহিত করেন। এছাড়াও, তিনি একই ক্লাসে ছেলেদের ৬ জন এক বেঞ্চে বসায় ‘গে’ এবং ‘গরিব’ বলে অবিহিত করেন। পরবর্তীতে তিনি তার ফেইসবুক লাইভে এগুলোর কোন কিছু এড্রেস না করে এক পাক্ষিক এআই নির্ভর বিবৃতি দেন।
তিনি আরও বলেন, আমরা লক্ষ্য করছি, শিক্ষক নেটওয়ার্কের সামিনা লুৎফা ম্যাম এবং তার অন্যান্য অনুসারী তাকে নির্লজ্জভাবে ডিফেন্ড করেছেন। তাছাড়াও, তারা শিক্ষার্থীদেরকে মূল অপরাধী হিসেবে প্রোট্রে করার চেষ্টা করছেন। আজকের প্রতিকী প্রতিবাদ তাদের সকলের বিরুদ্ধে।
আতিক খন্দকার নামে আরেক শিক্ষার্থী বলেন, তাসনিম সিরাজের মতো শিক্ষকদের নৈতিকভাবে বর্জন করি, যারা ব্যক্তিগত অস্বস্তির দোহাই দিয়ে অন্যের পোশাকের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করেন এবং শিক্ষার্থীদের মতাদর্শের প্রতি আগ্রাসী আচরণ করেন। একজন মানুষের অস্বস্তি কখনোই অন্যের স্বাধীনতার মাপকাঠি হতে পারে না।
এর আগে গত ৭ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ১৫তম ব্যাচের (২০১৯-২০ সেশন) ক্লাসে নেকাব পরে আসায় এক ছাত্রীকে ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ (মৌলবাদী) ও ‘সন্ত্রাসী’ বলে কটাক্ষ করার অভিযোগ উঠে বিভাগের তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে। পরে এর প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা তাৎক্ষণিক ক্লাস বর্জন করেন। পরে শিক্ষার্থীদের লিখিত অভিযোগের পর তাকে ওই বিভাগের সব ধরনের ক্লাস থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। জরুরি একাডেমিক কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
আরিফ জাওয়াদ/রিফাত/
আরও পড়ুন
রাবি ক্যাম্পাস ও ফুলতলায় পরিচ্ছন্নতা অভিযানে শতাধিক স্বেচ্ছাসেবী
প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০১ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও নগরের জনবহুল ফুলতলা এলাকায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেছে ইউনাইটেড নেশনস ইয়ুথ অ্যান্ড স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউনিস্যাব)-এর রাজশাহী ডিভিশন।
‘প্রজেক্ট ক্লিন অ্যান্ড কেয়ার ২.০’-এর আওতায় সম্প্রতি ‘পরিবেশ পরিচ্ছন্নতা’ শীর্ষক এ কার্যক্রমে প্রায় ১০০ জন স্বেচ্ছাসেবী অংশ নেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বুধপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশ সচেতনতামূলক কর্মসূচিতে অংশ নেন প্রায় ১৫০ জন স্বেচ্ছাসেবী। এ সময় শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ১৫ প্রজাতির ১৫০টি গাছের চারা বিতরণ করা হয়।
ক্যাম্পাস থেকে ফুলতলায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান
গত শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একাডেমিক ভবনের সামনে স্বেচ্ছাসেবীদের সমবেত করার মধ্য দিয়ে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু হয়। স্বেচ্ছাসেবীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার এলাকা, প্যারিস রোড, আমচত্বর ও জোহা চত্বরসহ বিভিন্ন স্থানে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেন। পরে তারা নগরের জনবহুল ফুলতলা এলাকায় গিয়ে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালান।
স্কুলশিক্ষার্থীদের হাতে ১৫ প্রজাতির গাছের চারা
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বুধপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘প্রজেক্ট ক্লিন অ্যান্ড কেয়ার ২.০’-এর প্রথম কার্যক্রম হিসেবে বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশ সচেতনতামূলক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রায় ১৫০ জন স্বেচ্ছাসেবী অংশ নেন।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিদ্যালয়ের প্রায় ২০০ জন শিক্ষার্থীকে রং ও আর্ট পেপার উপহার দেওয়া হয়। ‘আমি আমার পরিবেশকে কেমন দেখতে চাই’ শীর্ষক কার্যক্রমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের ভাবনা লিখে সবার সামনে পড়ে শোনায়।
বৃক্ষরোপণ পার্টনার চন্দ্রকলি ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ১৫ প্রজাতির ১৫০টি গাছের চারা বিতরণ করা হয়। এসব চারার মধ্যে ছিল বাতাবিলেবু, তেঁতুল, জলপাই, আমড়া, কাঁঠাল, আতাফল, কামরাঙা ও কদবেলসহ বিভিন্ন ফলদ গাছ।
সামনে মানসিক স্বাস্থ্য ও বিনামূল্যে চিকিৎসা পরামর্শ
‘প্রজেক্ট ক্লিন অ্যান্ড কেয়ার ২.০’-এর পরবর্তী কার্যক্রমের অংশ হিসেবে রবিবার (১১ অক্টোবর) রাত ৯টায় ফেসবুক লাইভে মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবিনার অনুষ্ঠিত হয়।
তরুণ ও শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য এবং মনোসামাজিক সুস্থ্যতা বিষয়ে সচেতন করতে বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণে এ আয়োজন করা হবে।
এ ছাড়া সোমবার (১২ অক্টোবর) রাজশাহীর একটি সাঁওতাল পল্লিতে সুবিধাবঞ্চিত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা পরামর্শ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। এতে তিনজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অংশ নিয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন স্বাস্থ্যগত বিষয়ে পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা দেবেন। কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে ১৪ অক্টোবর।
প্রকল্পটির সার্বিক বাস্তবায়নে সহযোগী পার্টনার হিসেবে গ্রো-আপ যুক্ত রয়েছে। এ ছাড়া, বৃক্ষরোপণ পার্টনার হিসেবে চন্দ্রকলি ফাউন্ডেশন, মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবিনার পার্টনার হিসেবে Psycoach Bangladesh, নিরাপত্তা পার্টনার হিসেবে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি), মিডিয়া পার্টনার হিসেবে বার্লো কমিউনিকেশনস লি: এবং রেডিও পার্টনার হিসেবে রেডিও পদ্মা ৯৯.২ এফএম।
বিজ্ঞপ্তি/
