বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে রাজধানীর বাড্ডা থানার অটোরিকশাচালক হাফিজুল শিকদার হত্যা মামলায় সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
শুক্রবার দুই দিনের রিমান্ড শেষে তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বাড্ডা থানার এসআই রিদুয়ানুল হক।
শুনানি শেষে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
বাড্ডা থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক কামাল হোসেন বলেন, ২০২৫ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জি এম ফারহান ইশতিয়াকের আদালত এই মামলায় দীপু মনির দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। তবে সে সময় আইসিটি আদালতে মামলা থাকা এবং অন্য মামলায় রিমান্ড ও হাজিরা থাকায় তদন্তকারী কর্মকর্তা তাকে এই মামলায় রিমান্ডে নিতে পারেননি। এরপর চলতি বছরের অক্টোবর মাসে তদন্তকারী কর্মকর্তা তার এই রিমান্ড কার্যকর করার জন্য আদালতে আবেদন করেন। আদালত আবেদন গ্রহণ করে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে রিমান্ড কার্যকর করার নির্দেশ দেন।
আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গত বুধবার দীপু মনিকে রিমান্ডে নেওয়া হয়। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আজ তাকে আদালতে হাজির কর কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। শুনানি শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ২০ জুলাই রাজধানীর বাড্ডা থানাধীন এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেন অটোরিকশাচালক হাফিজুল শিকদার। ওইদিন বিকেল ৩টায় আসামিদের ছোড়া গুলিতে তিনি ঘটনাস্থলেই নিহত হন। এ ঘটনায় তার বাবা আবু বক্কর শিকদার একই বছরের ২১ আগস্ট রাজধানীর বাড্ডা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
