তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এমপি বলেছেন, আমাদের দলীয় নেতৃবৃন্দ যারা আছেন এবং অন্যান্য দলের নেতা, নেতৃবৃন্দ যারা আছেন, তারাও সম্মিলিতভাবেই যেন আমরা পূজামণ্ডপ, মন্দিরগুলো যেন পাহারার আওতায় আনতে পারি বা আমাদের প্রটেকশন দিয়ে যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক, সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা যদি একটু পাহারার ব্যবস্থা করেন। কোনো অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করার জন্য কোনো গুপ্তবাহিনী বা কোনো নিষিদ্ধ সংগঠন যেন কোনো রকম অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারে, সেদিকে আমাদের একটু নজর দিতে হবে। সেদিকে আমরা সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি এবং সকলকে এই বিষয়ে জোরালো ভূমিকা রাখার জন্য অনুরোধ করছি। রোববার সকালে কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এমপি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী একভাবে দেখবেন এবং আমরা রাজনৈতিক দলের যে নেতারা যারা আছি, আমাদের জন্য সবগুলোই ইম্পর্টেন্ট। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেভাবে ক্যাটাগরাইজ করেন, তাদের বিভিন্ন তথ্য বৃদ্ধি পাবে এবং জনসমাগমের বৃদ্ধির বিভিন্ন কারণে, কিন্তু রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দরা এটাকে ক্যাটাগরাইজ করবেন, সবগুলোই আমাদের কাছে ইম্পর্টেন্ট। প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এমপি বলেন, ইতিমধ্যে আপনারা ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাহেব, পূজার পূর্বের ছুটি বৃদ্ধি করেছেন। তবে পূজাতে বন্ধ থাকলেও জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন অবশ্যই আপনারা তদারকির মধ্যে থাকবেন। জেলার বিভিন্ন এলাকায় অবাধে বালু উত্তোলন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এমপি বলেন, বালু উত্তোলনের বিষয়ে ডিসিকে নির্দেশনা দিচ্ছি, আপনি এ বিষয়ে একটু খতিয়ে দেখবেন, অবৈধভাবে বালু যেন উত্তোলন করা না হয়।
বৈধভাবে যদি করা হয়, তাদের কাগজপত্র যেন দেখাতে পারে, সেদিকে আপনারা খেয়াল রাখবেন। জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিনের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট মো. জালাল উদ্দীন, কিশোরগঞ্জ-৫ (নিকলী-বাজিতপুর) আসনের সংসদ সদস্য শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ ভিপি সোহেল, সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাইদুর রহমান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
