Published on
:
2 min read
মাটির প্রতিমায় ঝলমল করছে শ্বেতশুভ্র মুক্তো। কোথাও অবশ্য মুক্তকে সোনালি রং করা হয়েছে। বাংলাদেশের সাতক্ষীরার বুড়িয়া সর্বজনীন শ্রীশ্রী দুর্গা মন্দিরের পুজোয় এমনই অভিনবত্ব দেখা গেল। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে এই পুজো প্যান্ডেল।
বিভিন্ন মিডিয়া রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ৩৫ হাজার মুক্তোয় সাজানো হয়েছে প্রতিমা (Durga Puja 2026)। শুধু দুর্গাই নন, কার্তিক, গণেশ, লক্ষ্মী, সরস্বতীও মুক্তোময়। বাংলাদেশে এর আগে এমন প্রতিমা হয়নি। পুজো শুরুর আগে থেকেই প্যান্ডেলে দর্শনার্থীদের ভিড়।
এক নজরে
বাংলাদেশের সাতক্ষীরার বুড়িয়া সর্বজনীন দুর্গাপুজোয় মুক্তোর কারুকাজে সাজানো হয়েছে প্রতিমা।
দুর্গার পাশাপাশি কার্তিক, গণেশ, লক্ষ্মী ও সরস্বতীর প্রতিমাতেও মুক্তোর সাজ রয়েছে।
উদ্যোক্তাদের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, পুজোর এই বিশেষ আয়োজনের মোট বাজেট প্রায় ৪ লক্ষ টাকা।
শিল্পী প্রকাশ মণ্ডল-সহ চার জন শিল্পী ধাপে ধাপে প্রতিমা তৈরি ও সাজসজ্জার কাজ করেছেন।
অভিনব মুক্তোর কারুকাজ দেখতে পুজো শুরুর আগেই মণ্ডপে দর্শনার্থীদের ভিড় জমেছে।
মুক্তোর সাজে দুর্গা। ছবি: সোশ্যাল মিডিয়া
বুড়িয়া সর্বজনীন দুর্গাপুজো কমিটির সদস্য অর্ধেন্দু মণ্ডল বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমে বলেন, ‘এ বছর আমরা একটু অন্যরকম আয়োজনই করেছি। প্রায় ৩৫ হাজার মুক্তো দিয়ে প্রতিমাকে সাজানো হয়েছে। বাংলাদেশে এর আগে এ রকম প্রতিমা হয়েছে বলে মনে হয় না। আমরা ৪ লক্ষ টাকার মতো বাজেট ধরে এগোচ্ছি। মুক্তোর খরচই ১ লক্ষ টাকার বেশি। শিল্পীকে দিতে হবে প্রায় দেড় লক্ষ টাকা। আনুষঙ্গিক খরচ মিলিয়ে ৪ লক্ষের কাছাকাছি হবে।’
বুড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এই পুজো হচ্ছে। মুক্তোর কারুকার্য দেখে বাকরুদ্ধ দর্শনার্থীরা। অতি চেনা সাজের বাইরে গিয়ে প্রতিমার এমন সাজে মুগ্ধ সকলে। শিল্পী দক্ষিণ বড়দল গ্রামের প্রকাশ মণ্ডল। গত ৫ জুলাই থেকে প্রতিমা তৈরির কাজ শুরু করেন তিনি। প্রায় আড়াই মাস ধরে চার জন শিল্পী ধাপে ধাপে কাঠামো তৈরি, মাটির কাজ, প্রতিমা ছাঁচে ফেলা, রং, সাজসজ্জা ও মুক্তোর কারুকাজ ফুটিয়ে তুলেছেন।
শিল্পী প্রকাশ মণ্ডল বাংলাদেশের ‘সনাতন বার্তা নিউজ’কে জানান, দক্ষিণ ভারতের সিনেমায় মূর্তির নকশা তাঁকে অনুপ্রাণিত করে। তার সঙ্গে নিজের ভাবনা মিশিয়ে তৈরি করেন মায়ের অসাধারণ মূর্তি। দর্শনার্থীরা নতুন কিছু দেখতে পাবেন, এই আশা থেকেই এই প্রতিমা তৈরি করেছেন।