এক খুদের সঙ্গে সেলফি তুললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
Published on
:
2 min read
মুখ্যমন্ত্রীকে সামনে পেয়ে মোবাইল হাতে দৌড়ে গিয়েছিল খুদে। সেলফি তুলতে চেয়েছিল। তা শুনে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী খুদের আবদার মেটালেন ঠিকই। তবে বকুনিও দিলেন। এত অল্প বয়সে হাতে মোবাইল নিয়ে খুটখাট না করে সে যেন পড়াশোনায় মন দেয়! সেলফি তোলার আগে খুদেকে বলে দিলেন, ‘এই শেষ বার। আর নয়।’
শনিবার রাত ৮টা নাগাদ হাওড়ার সালকিয়ার কামিনী স্কুল লেনে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীনের দুর্গাপুজোয় পদপিষ্ট হয়ে মারা গিয়েছেন সেখানকার বাসিন্দা বিকাশ ভট্টাচার্য। তাঁর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন শুভেন্দু। বিকাশের বাড়ি থেকে বেরিয়ে তিনি বাইকে ওঠার সময়েই এক খুদে তাঁর কাছে ছুটে যায়। জানায়, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ছবি তুলতে চায় সে। মুখ্যমন্ত্রীও ছেলেটির নাম জিজ্ঞাসা করে। সে জানায়, তার নাম রাজদীপ পাল। এর পরেই মুখ্যমন্ত্রী তাকে উপদেশ দেন, এই বয়সে মোবাইল ব্যবহার না করে ভালো করে পড়াশোনা করতে। কিশোর খানিক হকচকিয়ে যায়। লজ্জাও পায়। যদিও মুখ্যমন্ত্রী তার আবদার রাখেন। রাজদীপকে জড়িয়ে ধরেই সেলফি তোলেন। তার পরে তাকে আদর করে বাইকে উঠে পড়েন তিনি।
বাচ্চাদের ফোনে আসক্তি নিয়ে অতীতেও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। ‘বিদ্যাসাগর শিক্ষাসম্মান’ অনুষ্ঠানে তিনি বলেছিলেন, ‘মোবাইল স্কুলপড়ুয়াদের মধ্যে ভয়ঙ্কর প্রভাব ফেলছে। গুজরাটে দেখুন প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত মোবাইল ফোন হাত দিতে দেওয়া হয় না।’ তবে এ ব্যাপারে সরকারের বদলে পরিবারেরই বেশি সজাগ হওয়া জরুরি বলেও জানিয়েছিলেন শুভেন্দু। এ বার সালকিয়ায় গিয়ে এক খুদেকে সামনাসামনিই এই পরামর্শ দিলেন তিনি।
সালকিয়ার স্বজনহারা পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি বাড়ির যে কোনও এক সদস্যকে সরকারি চাকরি দেওয়ারও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বিকাশের বাড়ি একটি সরু গলির মধ্যে। তাই সেখানে বাইকে করেই গিয়েছিলেন শুভেন্দু। বাইকচালক ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী উমেশ রাই।
