অভিষেকের বিশ্বরেকর্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারাল ভারত
প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১১ এএম
আপডেট: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৮ এএম
ছবি: সংগৃহীত
-->অভিষেক শর্মার ঝড়ো ব্যাটিংয়ে বিশ্বরেকর্ড। বল হাতে আর্শদীপ সিংয়ের দুর্দান্ত নৈপুণ্য। দুইয়ে মিলে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ১৪ রানে হারিয়ে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ২-১ এ এগিয়ে গেল ভারত।
রবিবার (১১ অক্টোবর) রাতে ইনদোরের হোলকার স্টেডিয়ামে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ২২৩ রানে অলআউট হয় ভারত। জবাবে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ২০৯ রান তুলতে সক্ষম হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
ভারতের ইনিংসে জ্বলে ওঠেন অভিষেক শর্মা। ৬টি চার ও ৫টি ছক্কায় মাত্র ৩০ বলে ৬৯ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন বাঁহাতি এই ওপেনার। এতে করে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সবচেয়ে কম বল খেলে দুই হাজার রান পূর্ণ করার বিশ্বরেকর্ড গড়েন অভিষেক। মাত্র ১ হাজার ২৪ বলেই এই মাইলফলকে পৌঁছান তিনি।
আরও পড়ুন
ইনিংসের শুরুতে সাঞ্জু স্যামসনকে মাত্র ৩ রানে হারালেও দ্রুত ঘুরে দাঁড়ায় ভারত। দ্বিতীয় উইকেটে অভিষেক শর্মা ও ঈশান কিষাণের ৪০ বলে ১০৮ রানের জুটি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলারদের চাপে ফেলে দেয়। ঈশান ১৮ বলে ৩৭ রান করে ফিরলেও অভিষেকের ব্যাটে ঝড় অব্যাহত থাকে। তিলক বর্মার ২৮ ও নিতিশ কুমার রেড্ডির ২১ রানে ভর করে বড় সংগ্রহের দিকে এগিয়ে যায় ভারত। তবে শেষ দিকে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ২২৩ রানে গুটিয়ে যায় ভারতের ইনিংস।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে শামার জোসেফ, রস্টন চেজ ও শামার স্প্রিঙ্গার ২টি করে উইকেট নেন। কিমো পল এবং গুদাকেশ মতি নেন ১টি করে উইকেট।
আরও পড়ুন
জয়ের জন্য ২২৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। অক্ষর প্যাটেলের বলে অধিনায়ক শাই হোপ ফেরেন মাত্র ৫ রান । এরপর শিমরন হেটমায়ার ও কামিল পুরান ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করেন। হেটমায়ার ২৬ বলে ৪৩ এবং পুরান ২৭ বলে ৪২ রান করে দলের জয়ের সম্ভাবনা জিইয়ে রাখেন।
তবে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে আর্শদীপ সিং ও নামান ধীরের বোলিংয়ে চাপে পড়ে ক্যারিবীয়রা। একের পর এক উইকেট হারিয়ে লক্ষ্য থেকে দূরে সরে যেতে থাকে তারা। শেষ দিকে শামার স্প্রিঙ্গারের ঝড়ো ব্যাটিং ম্যাচে নতুন করে উত্তেজনা ছড়ায়। ১টি চার ও ৫টি ছক্কায় মাত্র ১১ বলে অপরাজিত ৩৫ রান করেন তিনি। কিন্তু দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দিতে পারেননি এই ব্যাটার।
আরও পড়ুন
ভারতের জয়ে বল হাতে বড় অবদান রাখেন আর্শদীপ সিং। চার ওভারে ৪৪ রান দিয়ে ৩ উইকেট শিকার করে ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতেন তিনি। নামান ধীর নেন ২টি উইকেট। অক্ষর প্যাটেল ও নিতিশ কুমার রেড্ডি নেন ১টি করে উইকেট।
পাপ্পু/
আরও পড়ুন
১০ জনের লিভারপুলকে হারাল ম্যানসিটি
প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২৭ এএম
আপডেট: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩৪ এএম
ছবি: সংগৃহীত
-->ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে ঘরের মাঠে পাত্তাই দেয়নি লিভারপুলকে ম্যানচেস্টার সিটি। স্বাগতিকদের ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে দাপুটে জয় তুলে নিয়েছে এনজো মারেস্কার দল। লাল কার্ডে লিভারপুলের ছন্দপতনের সুযোগ কাজে লাগিয়ে গোল উৎসবে মাতেন হালান্ড, ডোকু ও চেরকি।
রবিবার (১১ অক্টোবর) রাতে অ্যানফিল্ড স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধে দুই দলই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেললেও গোলের দেখা পায়নি কেউ। তবে বিরতির পর ম্যাচের চিত্র পুরোপুরি পাল্টে যায়। ম্যাচের ৬২ মিনিটে জেরেমি ডোকুকে ফাউল করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন লিভারপুলের রায়ান গ্রাভেনবার্চ। স্বাগতিকেরা ১০ জনের দলে পরিণত হতেই ম্যাচের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেয় ম্যানসিটি।
৬৪ শতাংশ নিয়ন্ত্রণে রেখে করতে থাকে একের পর এক আক্রমণ। ৬৫ মিনিটে কাঙ্ক্ষিত প্রথম গোলটি অর্জন করে ম্যানচেস্টার সিটি। ডোকুর বাড়োনো বল রক্ষণে বাধা পেয়ে চলে আসে আর্লিং হালান্ডের পায়ে। বাঁ পায়ের এক দুর্দান্ত শটে লিভারপুল গোলরক্ষক অ্যালিসনকে পরাস্ত করেন এই স্ট্রাইকার।
আরও পড়ুন
৬৮ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন জেরেমি ডোকু নিজেই। দূরপাল্লার এক দৃষ্টিনন্দন বাঁকানো শটে বল জালে জড়ান তিনি। ম্যাচের শেষ ভাগে (৭৮ মিনিট) রায়ান চেরকির গোলে ৩-০ গোলের বড় জয় নিশ্চিত করে ম্যানসিটি।
গোলমুখে সিটির ১৭টি শটের বিপরীতে লিভারপুল শট নেয় মাত্র ৭টি। মারেস্কার দল ৮টি লক্ষ্যে শট রাখতে পারলেও লিভারপুল পারে মাত্র ২টি।
আরও পড়ুন
পাপ্পু/
আরও পড়ুন
আরও পড়ুন
টিভিতে আজ
প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩৫ এএম
ছবি: সংগৃহীত
-->ক্রিকেট (সরাসরি)
বাংলাদেশ-আফগানিস্তান
একমাত্র টেস্ট, চতুর্থ দিন
দুপুর ১২টা, টি স্পোর্টস
দক্ষিণ আফ্রিকা-অস্ট্রেলিয়া
প্রথম টেস্ট, চতুর্থ দিন
দুপুর ১টা ৩০ মিনিট
স্টার স্পোর্টস নেটওয়ার্ক
ফুটবল (সরাসরি)
প্রিমিয়ার লিগ
কভেন্ট্রি সিটি-নিউক্যাসল, রাত ১টা
স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ১
লা লিগা
লেভান্তে-সেভিয়া, রাত ১টা
ফ্যানকোড
আরও পড়ুন
পাপ্পু/
আরও পড়ুন
আরও পড়ুন
আরও পড়ুন
জাতীয় ক্রিকেট লিগে সেঞ্চুরিময় একদিন
প্রকাশ: ১১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->জাতীয় ক্রিকেট লিগের দ্বিতীয় রাউন্ডের দ্বিতীয় দিন ছিল সেঞ্চুরিময়। বিভিন্ন ভেন্যুতে এদিন সেঞ্চুরি হয়েছে পাঁচটি। প্রথম দিন হয়েছিল দুটি সেঞ্চুরি।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে স্বাগতিক সিলেটের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করেছেন ঢাকার মার্শাল আইয়ুব (১৭৫) ও মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন (১০৮)।
প্রথম দিন ঢাকার হয়ে সেঞ্চুরি করেছিলেন ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম শেখ (১৩৭)।
এই তিন ব্যাটারের সেঞ্চুরিতে ঢাকা ৬ উইকেটে ৫৪৭ রান করে ইনিংস ঘোষণা করে। জবাবে ব্যাট করতে নেমে সিলেট দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে ২ উইকেটে ১৫৪ রান করেছে।
আরও পড়ুন
কক্সবাজারে রাজশাহীর বিপক্ষে সেঞ্চুরি করেন চট্টগ্রামের ওপেনার সাদিকুর রহমান (১৪৯) ও শাহদাত হোসেন দিপু ( ১০১*)। ৪ উইকেটে ৪৭৯ রান করে চট্টগ্রাম ১৯৭ রানে এগিয়ে আছে। মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে রাজশাহীর বিপক্ষে আটে নেমে ১০৪ রানের ইনিংস খেলেন বল হাতে ৩৮ রানে ৬ উইকেট নেয়া খুলনার শেখ মাহাদি হাসান। তাদের সংগ্রহ ৯ উইকেটে ৪৬৩ রান। ৩৪৪ রানের লিড নিয়েছে খুলনা। সিলেট একাডেমি মাঠে ময়মনসিংহের বিপক্ষে ৯ উইকেটে ৪২২ রান করে ইনিংস ঘোষণা করে রংপুর। তাদের ওপেনার মিম মোসাদ্দেক প্রথম দিনই ১৫৭ রানের ইনিংস খেলেছিলেন। ব্যাট করতে নেমে বিপাকে আছে বরিশাল। ৬ উইকেটে ১৮৩ রান করে ২৩৯ রানে পিছিয়ে আছে।
আরও পড়ুন
সিলেট আর্ন্তজাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াামে মার্শাল আইয়ুব ৮০ মহিদুল ইসলাম অঙ্কন ৩২ রান নিয়ে খেলতে নেমে দুই জনেই সেঞ্চুরি করেন।মার্শাল প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট ৩০তম সেঞ্চুরি করে ১৭৫ রান করে আউট হন। অধিনায়ক মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে পঞ্চম সেঞ্চুরি করে ১০৮ রান করে আউট হন। দুই জনে চতুর্থ উইকেট জুটিতে ৩২০ রান করেন। ৬ উইকেটে ৫৪৬ রান করে ঢাকা ইনিংস ঘোষণা করে। নাসুম নেন ৪ উইকেট। সিলেট ব্যাট করতে নেমে ২ উইকেটে ১৫৪ রান করে। অধিনায়ক জাকির হাসান করেন ৬৫ রান।
সিলেট একাডেমি মাঠে রংপুর ৬ উইকেটে ৩৭০ রান নিয়ে খেলতে নেমে ৯ উইকেটে ৪২২ রান করে ইনিংস ঘোষণা করে। মিম মোসাদ্দেক আগের দিনই ১৫৭ রান করেছিলেন। ব্যাট করতে নেমে ময়মনসিংহ ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে। ৬ উইকেটে ক রেছে ১৮৭ রান। ওপেনার খালিদ হাসান এক প্রান্ত আগলে রেখে ৭২ রান করেন। মুশফিকু হাসান ও স্বাধীন ইসলাম ৩টি করে উইকেট নেন।
আরও পড়ুন
কক্সবাজারে রাজশাহীর বিপক্ষে বিনা উইকেটে ৭২ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করে চট্টগ্রাম। দিন শেষে ৪ উইকেটে ৪৭৯ রান করেছে দলটি। আগের দিনের দুই অপরাজিত ব্যাটারের একজন মাহমুদুল হাসান জয় ২৯ রান নিয়ে খেলতে নেমে ৫৭ রানে আউট হন। অন্যদিকে ৪১ রান নিয়ে দিন শুরু করা সাদিকুর রহমান প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে নিজের পঞ্চম সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে আউট হন ১৪৯ রানে।
পারভেজ হোসেন ইমনের সঙ্গে দ্বিতীয় উইকেটে ১২৫ রান যোগ করেন সাদিকুর। ইমন আউট হন ৭৬ রান করে। ৩০৮ রানে চতুর্থ উইকেটের পতনের পর পঞ্চম উইকেটে অবিচ্ছিন্ন ১৭১ রানের জুটি গড়েছেন শাহাদাত হোসেন দিপু ও ইরফান শুক্কুর। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে নিজের চতুর্থ সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে দিপু ১০১ রানে অপরাজিত আছেন। অধিনায়ক ইরফানও সেঞ্চুরির পথে, তাঁর সংগ্রহ ৯২ রান।
মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ১ উইকেটে ১০৮ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করে খুলনা। দিন শেষে ৯ উইকেটে ৪৬৩ রান করেছে তারা। ২৮ রান নিয়ে দিন শুরু করা কালাম সিদ্দিকী ৯১ রানে আউট হয়ে সেঞ্চুরি মিস করেন। তবে আট নম্বরে ব্যাট করতে নেমে সেঞ্চুরি তুলে নেন শেখ মাহাদি হাসান। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে নিজের সপ্তম সেঞ্চুরি করে ১০৪ রানে আউট হন তিনি।
পলাশ/
আরও পড়ুন
শান্ত-মুশফিকে চালকের আসনে বাংলাদেশ, লিড ৩২৯
প্রকাশ: ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২৯ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে চালকের আসনে বাংলাদেশ। পেসার হাসান মাহমুদের হ্যাটট্রিকে আফগানিস্তানের প্রথম ইনিংস ২৪০ রানে গুটিয়ে দেওয়ার পর ব্যাট হাতেও দাপট দেখিয়েছে টাইগাররা। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিমের ১৫৯ রানের জুটিতে দ্বিতীয় ইনিংসে ৬ উইকেটে ২২৩ রান তুলে তৃতীয় দিন শেষ করেছে বাংলাদেশ। স্কোর বোর্ডে লিড জমা পড়েছে ৩২৯ রানের।
রবিবার (১১ সেপ্টেম্বর) আবুধাবির শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ৩৪৬ রানের জবাবে আগের দিনের ৪ উইকেটে ২১১ রান নিয়ে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করে আফগানিস্তান।
দিনের প্রথম সেশনে হাসান মাহমুদ ও ইবাদত হোসেনের তোপে মাত্র ২৯ রান যোগ করতেই শেষ ৬ উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। আফগানরা ২৪০ রানে অলআউট হওয়ায় প্রথম ইনিংসে ১০৬ রানের লিড পায় বাংলাদেশ।
আরও পড়ুন
আফগানিস্তানের ব্যাটিং ধসের নায়ক হাসান মাহমুদ। ইনিংসের ৮৩তম ও নিজের ১৮তম ওভারের তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম বলে যথাক্রমে ইসমাত আলম, কায়েস আহমেদ ও জিয়া-উর-রহমানকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন তিনি। টেস্ট ইতিহাসে বাংলাদেশের তৃতীয় বোলার এবং প্রথম পেসার হিসেবে এই কীর্তি গড়লেন হাসান। এর আগে বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে হ্যাটট্রিক করেছিলেন দুই স্পিনার অলক কাপালি (২০০৩) ও সোহাগ গাজী (২০১৩)।
হ্যাটট্রিকসহ ২১ ওভারে ৫৫ রান দিয়ে ৫ উইকেট নেন হাসান। টেস্ট ক্যারিয়ারে এটি তার চতুর্থবারের মতো ইনিংসে পাঁচ বা তার বেশি উইকেট শিকার। অন্যদিকে, ৫৬ রানে ৪ উইকেট নিয়ে হাসানের যোগ্য সঙ্গী ছিলেন ইবাদত। বাকি উইকেটটি নেন মেহেদী হাসান মিরাজ।
আরও পড়ুন
তবে আফগানিস্তানের ব্যাটিং বিপর্যয়ের মধ্যেও এক প্রান্ত আগলে রাখেন অধিনায়ক রহমত শাহ। আগের দিন ৮৪ রানে অপরাজিত থাকা এই ব্যাটার তুলে নেন নিজের চতুর্থ টেস্ট সেঞ্চুরি। সতীর্থদের একের পর এক বিদায়ের মধ্যেও ১০টি চার ও ২টি ছক্কায় ২১৬ বলে ১০৫ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। এছাড়া আব্দুল মালিক ৬২, ইকরাম আলিখিল ৩২ ও শহিদুল্লাহ ২০ রান করেন।
১০৬ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। ৩১ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙার পর দ্রুত আরও দুই উইকেট হারায় টাইগাররা। সাদমান ইসলাম ১৩, মুমিনুল হক ৭ ও তানজিদ হাসান তামিম ৩১ রান করে ফিরে গেলে ৫৩ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ।
আরও পড়ুন
সেই চাপ সামাল দেন শান্ত ও মুশফিক। শুরুতে সাবধানে ব্যাট করলেও ক্রিজে থিতু হওয়ার পর পাল্টা আক্রমণে যান দুজন। তাদের ৩০৩ বলের ১৫৯ রানের জুটিতে বাংলাদেশের লিড তিনশ পেরিয়ে যায়। দুজনই তুলে নেন অর্ধশতক এবং দলকে বড় সংগ্রহের পথে এগিয়ে নেন।
তবে সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়েও আশির ঘরে থামতে হয় দুজনকে। দলীয় ২১২ রানে জিয়া-উর-রহমানের বলে সুইপ করতে গিয়ে স্লিপে শহিদুল্লাহর হাতে ক্যাচ দেন মুশফিক। ৯টি চারে ৮১ রান করেন তিনি। কিছুক্ষণ পর কায়েস আহমেদের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন শান্ত। ৫টি চারে ৮২ রান করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।
পরপর দুই ব্যাটারের বিদায়ের পর নাইটওয়াচম্যান হিসেবে নামা হাসান মাহমুদও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ১ রান করে আউট হন তিনি। শেষ পর্যন্ত দিনের খেলা শেষ হওয়ার সময় লিটন দাস ৫ ও মেহেদী হাসান মিরাজ শূন্য রানে অপরাজিত ছিলেন।
আফগানিস্তানের হয়ে জিয়া-উর-রহমান ও ইয়ামিন আহমাদজাই দুটি করে উইকেট নেন। চার উইকেট হাতে রেখে ৩২৯ রানের লিড নিয়ে তৃতীয় দিন শেষ করেছে বাংলাদেশ। চতুর্থ দিনে ব্যাটিংয়ে আরও রান যোগ করে আফগানিস্তানের সামনে বড় লক্ষ্য ছুড়ে দেওয়াই এখন টাইগারদের লক্ষ্য।
তোফায়েল/এএফ
