চোরবাগানের ঘটনায় মৃতদের প্রত্যেকের বাড়ি যাবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেই কথা জানানো হয়েছিল। গতকালের পর আজ, বুধবারও সেই কথা রাখতে স্বজনহারাদের পাশে পৌঁছে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী। চোরবাগানে সপ্তমীর সন্ধ্যায় ঠাকুর দেখতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন প্রিয়া সমাদ্দার। প্রিয়ার বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার নিউ ব্যারাকপুরে। প্রিয়ার মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ গোটা পরিবার। এদিন মুখ্যমন্ত্রী সেই বাড়িতে পৌঁছন। বাড়ির লোকেদের সঙ্গে কথা বলে সমবেদনা জানান। পরিবারের পাশে থাকার বার্তা দেন।
“২ মিনিটের ভুলে চোরবাগান হয়েছে। চোরবাগানের ঘটনা ক্ষমার অযোগ্য।” বাবুঘাটে গঙ্গার বিসর্জনের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানেই তিনি চোরবাগানের ওই ঘটনা সম্পর্কে এই মন্তব্য করেন। কর্মরত কোনও বিচারপতি নন, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে চাইলে তদন্ত কমিশন গঠন করতে পারে রাজ্য সরকার। এই কথা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি জানিয়েছেন। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
চোরবাগানের ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে বরানগরের বাসিন্দা দম্পতি দিলীপ ঘোষ ও দিপালী ঘোষের।শোকাহত তাঁর পুত্র। এদিন মুখ্যমন্ত্রী ওই বাড়িতে গিয়েছিলেন। দম্পতির ছেলের সঙ্গে তিনি কথা বলেন। মুখ্যমন্ত্রীকে দেখে বাবা-মা হারানো ছেলে কান্নায় ভেঙে পড়েন। তাঁকে জড়িয়ে ধরেন শান্তনা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর চোখের জলও মুছিয়ে দেন। নিউ ব্যাবারপুরে প্রিয়া সমাদ্দারের ছবির সামনে দাঁড়িয়ে শ্রদ্ধা জানান মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর পরিবারের লোকজনদের সঙ্গে কথা বলে শোক ভাগের চেষ্টা করেন। দুই পরিবারের সদস্যদের হাতেই রাজ্য সরকারের তরফে আর্থিক ক্ষতিপূরণ তুলে দেওয়া হয়।
চোরবাগানের ঘটনার সঠিক তদন্ত হবে। ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম তথ্য খুঁজে বার করবে। সেই কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মৃতদের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি। গত ৪৫ বছরের অবস্থার পরিবর্তন করতে সময় লাগবে। তৃণমূল আমলে পুলিশে পর্যন্ত নিয়োগ হয়নি বলে ফের শুভেন্দু কটাক্ষ করেছেন।
