Published on
:
1 min read
এই সময়, হলদিয়া: নবমী তিথিতে নতুন চমক। সালঙ্কারা কুমারী বসবেন ঘোড়ার গাড়িতে। তাকে নিয়েই হবে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা। সঙ্গে বাদ্যযন্ত্র সহযোগে নৃত্য পরিবেশন। ঢাক-ঢোল, কাঁসরের মিশেলে জঙ্গলমহল এলাকার ‘সিং’ বাজনা, আদিবাসী নৃত্য, রণপা, বাংলা ঢোল, ব্যান্ড পার্টি থাকছে শোভাযাত্রায়। চৈতন্যপুর নবতারার পুজো ঘিরে তাই এলাকার মানুষের উৎসাহ প্রবল।
পুজোর মণ্ডপ থেকে শুরু করে হলদিয়া-তমলুক রাজ্য সড়কের চৈতন্যপুর চৌমাথা মোড় ছুঁয়ে কুকড়াহাটি রোডে মুক্তিধাম পর্যন্ত যাবে শোভাযাত্রা। ফিরতি পথে হলদিয়া রোড, বালুঘাটা রোড, মহিষাদলগামী রোড ছুঁয়ে শোভাযাত্রা শেষ হবে পুজো মণ্ডপে। চৈতন্যপুর, রামপুর, লালপুর, বাজিতপুর–সহ পার্শ্ববর্তী এলাকার প্রচুর মানুষ সেই শোভাযাত্রা দেখার অপেক্ষায়। পুজোর আয়োজন এ বার আরও বর্ণময় হলদিয়ার চৈতন্যপুরের নবতারার দুর্গাপুজোয়। একত্রিশ বছরে পা দেওয়া এই পুজোর মণ্ডপের থিমেও রয়েছে ভাবনার অভিনবত্ব। থাইল্যান্ডের বৌদ্ধমন্দিরের আদলে তৈরি হচ্ছে মণ্ডপ। ১৩২ ফুট উচ্চতার মণ্ডপে বাঁশ, কাঠ ফাইবারের কাঠামো। মণ্ডপের গায়ে অসংখ্য বোতাম দিয়ে তৈরি বুদ্ধের নানা রকমের মূর্তি। মাঙ্গলিক উপাচারের প্রতীক হিসেবে মণ্ডপের ভিতরে, সিলিংয়ে, দালানে থাকছে হাতে তৈরি প্রচুর ঘণ্টা এবং পদ্মফুল। মণ্ডপের সামনে তৈরি হচ্ছে বাগান। সেখানে ফোয়ারা। গোটা মণ্ডপ আলোকতি করবে বাহারি আলো। রাতে মণ্ডপকে মোহময় করে তুলবে লেজার রশ্মি। পুজো কমিটির অন্যতম কর্মকর্তা সোমনাথ ভুঁইয়া, সভাপতি ব্রহ্মনাথ মাইতির বক্তব্য, মণ্ডপে আসা দর্শনার্থীরা যাতে পুজো দেখে আনন্দ পান সেটাই তাদের মূল উদ্দেশ্য। সেই কারণেই থিমের ভাবনা থেকে অন্যান্য আয়োজন সবকিছুর মধ্যেই রয়েছে পরিপাটি শিল্পের ছোঁয়া। পুজোর পাশাপাশি সামাজিক কর্তব্যের অঙ্গীকারে রয়েছে দুঃস্থ মানুষদের জন্য বস্ত্র বিতরণ।
নবমীতে আড়াই হাজার মানুষের জন্য ভোগপ্রসাদের আয়োজনও করা হয়েছে। পঞ্চমীতে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর হাত দিয়ে পুজোর উদ্বোধন হবে বলে জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা।
