কালবেলা · সাধারণ
মাদককাণ্ডে ছাত্রদল নেতা শাকিল বহিষ্কার
১৭/১০/২০২৬

নওগাঁর আত্রাইয়ে গাঁজাসহ আটক হওয়া ছাত্রদলের সেই নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তবে কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে দলীয় নীতি ও সংগঠন পরিপন্থি কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়কের পদ থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হলো।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নওগাঁ জেলা শাখার আহ্বায়ক মামুন বিন ইসলাম দোহা ও সদস্য সচিব তাজুল ইসলাম তাজের যৌথ স্বাক্ষরিত দলীয় প্যাডে তাকে বহিষ্কারের আদেশ দেওয়া হয়।
এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে শাকিল হোসেনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়ে ১২ ঘণ্টার মধ্যে স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখা প্রদানের নির্দেশ দেন জেলা ছাত্রদলের এই দুই নেতা।
সদ্য বহিষ্কৃত ওই নেতার নাম মো. শাকিল হোসেন (৩২)। তিনি আত্রাই উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ছিলেন এবং উপজেলার সাহেবগঞ্জ সরদারপাড়া এলাকার জাহিদুল ইসলামের ছেলে।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিকেলে বহিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মামুন বিন ইসলাম দোহা।
তিনি বলেন, যেসব নেতা দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করবে তাদের ঠাঁই ছাত্রদলে হবে না। কাজেই দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে শাকিল হোসেনকে তার দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
এদিকে জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব তাজুল ইসলাম তাজ বহিষ্কারের একটি চিঠি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করে লিখেছেন, ‘সবার আগে সংগঠন, সবার আগে শৃঙ্খলা।’
অপরদিকে বহিষ্কারের কারণ সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ না থাকলেও খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) নওগাঁ মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরের সদস্যরা সদ্য বহিষ্কৃত ছাত্রদলের নেতা শাকিল হোসেনকে গাঁজাসহ আটক করে। এরপর তাকে একই দিন সন্ধ্যার দিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে একদিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এ নিয়ে (১৪ অক্টোবর) কালবেলা অনলাইনে ‘গাঁজাসহ ধরা পড়লেন ছাত্রদল নেতা, একদিনের কারাদণ্ড’ শিরোনামে নিউজ প্রকাশিত হলে সমালোচনা শুরু হয়। পরবর্তীতে জেলা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে কারণ দর্শানোর নোটিশ এবং সবশেষে দলের সাংগঠনিক পদ থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
তবে কারণ হিসেবে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে আত্রাই উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. শাকিল হোসেনকে সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হলো।
মূল প্রতিবেদনে যান ↗