সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ ছুটির কারণে সীমান্তের দুই পাশে বিপুলসংখ্যক পণ্যবাহী ট্রাক আটকে পড়ে। এতে বন্দরের প্রবেশপথ ও আশপাশের এলাকায় যানজটের সৃষ্টি হয়। কয়েক হাজার পণ্যবাহী ট্রাক বন্দরে প্রবেশের অপেক্ষায় থাকায় আমদানিকারক ও রপ্তানিকারকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়। তবে পুনরায় কার্যক্রম শুরু হওয়ায় আটকে থাকা পণ্য পরিবহন ও খালাসের প্রক্রিয়া এগিয়ে যাচ্ছে।
বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ পণ্য আমদানি করা হয়। সংশ্লিষ্টদের তথ্যমতে, এ বন্দর দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৫০০ ট্রাক পণ্য আমদানি-রপ্তানি হয়ে থাকে। ফলে দীর্ঘ সময় বন্দর বন্ধ থাকলে দেশের বাণিজ্য, পণ্য পরিবহন এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রমে এর প্রভাব পড়ে।
শনিবার সকাল থেকে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম চালু হওয়ায় বন্দরকেন্দ্রিক ব্যবসায়ী, পরিবহনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও শ্রমিকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। দীর্ঘ ছুটিতে আটকে থাকা পণ্য দ্রুত খালাস করা গেলে ব্যবসায়িক ক্ষয়ক্ষতি কমানো সম্ভব হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। তবে জমে থাকা পণ্যবাহী ট্রাকের চাপ পুরোপুরি কমিয়ে বন্দরের কার্যক্রম স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে আরও কিছুটা সময় লাগতে পারে। এ জন্য দ্রুত পণ্য খালাস ও পরিবহনব্যবস্থা সচল রাখার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন বন্দরসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।
The post টানা ৮ দিন বন্ধের পর বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি চালু appeared first on ভোরের চেতনা.
