জামালপুরের জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি-২)-এর পৃথক অভিযানে ৩ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজা, ৪ কেজি ৮৫০ গ্রাম ওজনের কষ্টিপাথর সদৃশ বস্তু এবং সাত বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসব ঘটনায় মাদক ব্যবসা ও কষ্টিপাথর চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মোট ১১ জনকে আটক করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) ডিবি-২, জামালপুরের পাঠানো তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার ইসলামপুর, দেওয়ানগঞ্জ ও বকশীগঞ্জ উপজেলায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ইসলামপুর উপজেলার সভাচর এলাকায় রফিকুলের মনোহারি দোকানের সামনে সরকারি ইটের সলিং রাস্তা থেকে ৩ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ দুজনকে আটক করা হয়। তাঁরা হলেন ইসলামপুর উপজেলার সিরাজাবাদ বাহাদুরপুর গ্রামের মো. বাহাদুর আকন্দ (৪৬) ও মো. এশরাদ আলী (৩৯)।
অন্যদিকে, দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার তারাটিয়া বাজারে মো. ফরহাদ হোসেনের (৩৫) ইলেকট্রিশিয়ানের দোকানের পেছনের একটি কক্ষে অভিযান চালিয়ে কষ্টিপাথর চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে আটজনকে আটক করা হয়। এ সময় তাঁদের হেফাজত থেকে ৪ কেজি ৮৫০ গ্রাম ওজনের কষ্টিপাথর সদৃশ একটি বস্তু উদ্ধার করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার চকপাড়া গ্রামের মো. সাইদুল ইসলাম (৪১), তারাটিয়া বাজারের মো. ফরহাদ হোসেন (৩৫), মধ্যেরচর গ্রামের মো. বাবু মিয়া (৪২) ও পোড়াভিটা গ্রামের মো. ফেলু মিয়া (৩১)। এ ছাড়া টাঙ্গাইল জেলার ধনবাড়ী উপজেলার বাগুয়া গ্রামের মো. আমজাদ হোসেন (৭০), গোপালপুর উপজেলার সুতীগোপালপুর গ্রামের মো. জোয়াহের (৫৩), ধনবাড়ী উপজেলার মুশিদ্দী দক্ষিণপাড়া গ্রামের মো. সবুজ মিয়া (৪৪) এবং মো. কামরুজ্জামান ওরফে রিপনকে (৬০) আটক করা হয়।
এ ছাড়া বকশীগঞ্জ উপজেলার নতুন বাটাজোড় বাজারে সাত্তারের ভাঙারির দোকানের সামনে পাকা রাস্তা থেকে সাত বোতল ভারতীয় মদসহ হারান বণিক (৫৫) নামে একজনকে আটক করা হয়। তিনি বকশীগঞ্জ পৌরসভার সীমারপাড়া এলাকার বাসিন্দা।
জামালপুরের পুলিশ সুপার মোছা. ফারহানা ইয়াসমিনের নির্দেশনায় এবং দেওয়ানগঞ্জ সার্কেলের তত্ত্বাবধানে ডিবি-২-এর দুটি দল এসব অভিযান পরিচালনা করে।
পুলিশ জানায়, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
এমএ
