আল আমিন।।
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভোলা সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নে বইতে শুরু করেছে নির্বাচনী উৎসবের হাওয়া। নির্বাচনে বিএনপির সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী এবং শিবপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এ কে এম নুর হোসেন হাওলাদারের সমর্থনে আয়োজিত এক উঠান বৈঠক লোকসমাগমে একপর্যায়ে বিশাল জনসভায় রূপ নিয়েছে।
শনিবার (১৭ই অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে রতনপুরস্থ সাবেক ইউপি সদস্য আবদুল মালেক মেম্বারের বাড়ির উঠানে ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ ভোটারদের নিয়ে এই বৈঠকের আয়োজন করা হয়।
শিবপুর ইউনিয়ন বিএনপির নেতা ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার প্রার্থী মো. জসিম উদ্দিন বাঘার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী এ কে এম নুর হোসেন হাওলাদার।
ভোটারদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি তার অতীতের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের চিত্র তুলে ধরেন। নুর হোসেন হাওলাদার বলেন, “শিবপুরের দীর্ঘদিনের অভিশাপ নদী ভাঙন রোধে টেকসই বাঁধ নির্মাণের লক্ষ্যে আমরা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আন্দোলন-সংগ্রাম চালিয়েছি। এরই ধারাবাহিকতায় আজ ৬০৫ কোটি টাকার সরকারি বরাদ্দ পাওয়া সম্ভব হয়েছে। এছাড়া চেয়ারম্যান পদে না থেকেও অতীতে আমি শিবপুরের রাস্তাঘাট পুনর্নির্মাণ, নলকূপ স্থাপন এবং মসজিদ-মাদ্রাসার অবকাঠামোগত উন্নয়নে কাজ করে গেছি। আগামীতে আপনারা সুযোগ দিলে আরও বড় পরিসরে জনগণের সেবায় আত্মনিয়োগ করব।”
সেবামূলক সুবিধার সঠিক বণ্টনের আশ্বাস দিয়ে তিনি আরও বলেন, “শিবপুর ইউনিয়নে ফ্যামিলি কার্ড কিংবা কৃষক কার্ড প্রদানের ক্ষেত্রে কোনো রাজনৈতিক বিবেচনা করা হবে না; প্রকৃত পাওয়ার যোগ্য ব্যক্তিরাই এই সুবিধা পাবেন। অতীতে টাকার বিনিময়ে বয়স্ক ও বিধবা ভাতা নেওয়ার মতো অনিয়ম হয়েছে, কিন্তু সামনে এমনটি হতে দেওয়া হবে না। বিএনপির নাম ভাঙিয়ে কার্ড দেওয়ার কথা বলে কেউ টাকা দাবি করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
![]()
উঠান বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শিবপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. হাদিস মেম্বার, জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. যুবরাজ, স্থানীয় বিএনপি নেতা আবদুল হক রাঢ়ী, মাহবুবুর রহমান আলো, মাওলানা নুর মোহাম্মদ, মো. ইব্রাহিম বাঘা, ছাত্রদল নেতা মো. সোহেল এবং ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন বাপ্পিসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
বৈঠকে এলাকার শত শত সাধারণ ভোটার উপস্থিতি হয়ে নুর হোসেন হাওলাদারের প্রতি পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেন।