পঞ্চমীর দুপুরে কলকাতা ও সংলগ্ন জেলাগুলির হাওয়া বদল হতেই চমকপ্রদ ঘটনা গঙ্গাসাগরে! সমুদ্রের বুকে জলঘূর্ণি বা ওয়াটারস্পাউট দেখা গেল। প্রায় ৮০ মিটার পর্যন্ত উঁচু হয়ে যায় জলস্তম্ভ। আচমকা এমন দৃশ্য দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন পুণ্যার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দারা। যদিও সেই জলস্তম্ভ আর উপকূলের দিকে এগোয়নি। এরপর অবশ্য এলাকায় আবহাওয়ার অবনতি হয়। শুরু হয় বৃষ্টি। আচমকা প্রকৃতির এই অচেনা রূপ দেখে আতঙ্কিত মানুষজন উপকূলবর্তী থানায় খবর দেন। পরিস্থিতি সামলাতে পুলিশ নজরদারি বাড়িয়েছে।
এই জলঘূর্ণি বা ওয়াটারস্পাউট ঠিক কী? বিজ্ঞান বলছে, সমুদ্রের ঠিক মাঝখান থেকে কুয়াশামিশ্রিত বায়ু ঘূর্ণাকারে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উঠতে উঠতে কিউমুলোনিম্বাস মেঘের কাছাকাছি পৌঁছতে চায়। তাই এই স্তম্ভ এত উঁচু হয়। কখনও কখনও তা বিপজ্জনক হতে পারে। এনিয়ে গবেষক অসীম পাণ্ডা জানান, আজ গঙ্গাসাগরে তৈরি হওয়া এই ওয়াটারস্পাউট বা জলঘূর্ণি দুর্বল প্রকৃতির।
কিন্তু এই জলঘূর্ণি বা ওয়াটারস্পাউট ঠিক কী? বিজ্ঞান বলছে, সমুদ্রের ঠিক মাঝখান থেকে কুয়াশামিশ্রিত বায়ু ঘূর্ণাকারে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উঠতে উঠতে কিউমুলোনিম্বাস মেঘের কাছাকাছি পৌঁছতে চায়। তাই এই স্তম্ভ এত উঁচু হয়। কখনও কখনও তা বিপজ্জনক হতে পারে। এনিয়ে গবেষক অসীম পাণ্ডা জানান, আজ গঙ্গাসাগরে তৈরি হওয়া এই ওয়াটারস্পাউট বা জলঘূর্ণি দুর্বল প্রকৃতির। যদিও সেটি উপকূলের দিকে এগিয়ে তাণ্ডব শুরু করলে ভয়ংকর বিপর্যয় ঘটতে পারত। তবে সমুদ্রেই ওই জলঘূর্ণিটি মিলিয়ে যাওয়ায় বড় বিপদের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া গিয়েছে।
জানা যাচ্ছে, বৃহস্পতিবার গঙ্গাসাগরে কপিলমুনির আশ্রম সংলগ্ন ২ নম্বর স্নানঘাটের খুব কাছেই সমুদ্রে সৃষ্টি হয় এই শক্তিশালী জলস্তম্ভ বা ওয়াটারস্পাউট। এর ফলে আচমকাই গোটা এলাকা কালো মেঘে ঢেকে যায়। এরপর সমুদ্রেই ওই জলঘূর্ণি আছড়ে পড়ে। আবার সমুদ্রেই মিলিয়ে যায়। প্রায় আধঘণ্টা ধরে চলা এই ভয়াবহ প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন ঘাটে উপস্থিত পুণ্যার্থী, পর্যটক ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। সৈকতজুড়ে মুহূর্তের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে ছোটাছুটি শুরু করেন। তবে আশার কথা, এই প্রাকৃতিক দূর্যোগে সাগর উপকূল এলাকায় কোনও বিপর্যয় ঘটেনি। পরিস্থিতি সামলাতে পুলিশ নজরদারি বাড়িয়েছে। জলস্তম্ভটি কমপক্ষে ৮০ মিটার ছিল বলে জানা গিয়েছে।
