দিনভর ক্লান্তি চেপে বসছে? এমন সমস্যার সম্মুখীন হন অনেকেই। নির্দিষ্ট কোনও কারণ নেই। অথচ ঝিমুনি, ক্লান্ত শরীর। ক্লান্তি আসতেই পারে, তবে তা হয় সাময়িক। যদি মাসের পর পর মাস ক্লান্তির ঘোর থেকে বেরিয়ে আসতে না পারেন, তা হলে কিন্তু চিন্তার যথেষ্ট কারণ আছে। বিভিন্ন কারণেই ক্লান্তি আসতে পারে শরীর ও মনে। ক্লান্তি যদি কাটাতে হয়, তা হলে ব্যায়ামই সহজ উপায় হতে পারে।
স্কোয়াট
শুরুটা স্কোয়াট দিয়ে করবেন। ইন্টারনেটের দৌলতে ক্রাঞ্চেস, লাঞ্জেস, পুশ-আপ, প্ল্যাঙ্ক বা স্কোয়াটের মতো ব্যায়ামের নাম এখন অনেকেই জানেন। তবে জেনে রাখা ভাল, অন্যান্য ‘অ্যাব-ওয়ার্কআউট’-এর মতো স্কোয়াট অত কঠিন নয়। কমবয়সিরা তো বটেই, চল্লিশের বেশি বয়সিদের জন্যও স্কোয়াট উপকারী। পেট, কোমর, নিতম্ব, ঊরু সবেরই ব্যায়াম হয়। বেসিক স্কোয়াটে দু’টি পায়ের মধ্যে অল্প ব্যবধান রেখে সোজা হয়ে দাঁড়াতে হবে। এ বার চেয়ারে বসার মতো ভঙ্গি করতে হবে।
উত্তনাসন
ম্যাটের উপর সোজা হয়ে দাঁড়ান। কোমর, পিঠ থাকবে টান টান। স্বাভাবিক ভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস নিন। এ বার কোমর ঝোঁকান। হাঁটু যেন না ভাঙে। দু’হাতের তালু দিয়ে মাটি স্পর্শ করার চেষ্টা করুন। পায়ের দু’টি পাতার দু’পাশে রাখতে পারলে ভাল হয়। একান্ত যদি না পারেন, সে ক্ষেত্রে কনুই ভাঁজ করে দু’টি হাত একসঙ্গে জড়ো করে রাখুন। যতটা সম্ভব হাঁটুর কাছাকাছি নিয়ে যান মাথা। হাত দিয়ে গোড়ালি ছোঁয়ার চেষ্টা করুন। মোটামুটি ১০ সেকেন্ড মতো থেকে আবার আগের অবস্থানে ফিরে আসুন।
সেতুবন্ধাসন বা ব্রিজ় পোজ়
ম্যাটের উপর টানটান হয়ে শুয়ে দুই হাঁটু ভাঁজ করতে হবে। এর পর পিঠ ও কোমরে ভর দিয়ে ধীরে ধীরে কোমর উপরে তুলতে হবে। শ্বাসপ্রশ্বাস স্বাভাবিক রেখে ওই ভঙ্গিতে ২০ সেকেন্ড থেকে আবার আগের অবস্থানে ফিরে আসতে হবে। মন ভাল রাখার পাশাপাশি মেদ কমাতে, পিঠের ব্যথা নিরাময়েও উপযোগী এই আসন।
