The Sangbad · সাধারণ
ফোনের বাক্স ফেলে দিলে কী সমস্যা হতে পারে
২০/১০/২০২৬

নতুন স্মার্টফোন
কেনার পর
প্যাকেট খুলেই
বাক্স ফেলে
দেওয়ার অভ্যাস
রয়েছে অনেকের। কিন্তু ফোনে সমস্যা দেখা
দিলে, সেটি
হারিয়ে গেলে
কিংবা পুরোনো
ফোন বিক্রি
করতে চাইলে
এই বাক্সের
তথ্য কাজে
লাগতে পারে। এতে সাধারণত ফোনের আইএমইআই,
মডেল ও
সিরিয়াল নম্বরের
মতো গুরুত্বপূর্ণ
তথ্য থাকে।তবে বাক্স
সংরক্ষণ করলেই
যে সব
ক্ষেত্রে ওয়ারেন্টি
বা ফোন
বদলের সুবিধা
পাওয়া যাবে,
তা নয়।
তাহলে স্মার্টফোনের
বাক্স কত
দিন রাখা
উচিত, আর
ফেলে দেওয়ার
আগে কোন
বিষয়গুলো খেয়াল
করবেন?ফোন হারালে পরিচয় শনাক্তে সহায়কস্মার্টফোনের বাক্সে থাকা আইএমইআই (IMEI) নম্বর
ফোনের পরিচয়
শনাক্ত করার
ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।
ফোন হারিয়ে
গেলে বা
চুরি হলে
অভিযোগ জানানোর
সময় এই
নম্বর প্রয়োজন
হতে পারে।
মডেল ও
সিরিয়াল নম্বরও
ফোনের পরিচিতি
নিশ্চিত করতে
সহায়তা করে।তবে এসব
তথ্য পাওয়ার
জন্য বাক্সই
একমাত্র ভরসা
নয়। ফোনের
সেটিংস, কেনার
রসিদ বা
সংরক্ষিত নথি
থেকেও প্রয়োজনীয়
তথ্য পাওয়া
যেতে পারে।
তাই বাক্স
ফেলে দেওয়ার
আগে স্টিকারে
থাকা তথ্যের
ছবি তুলে
নিরাপদ জায়গায়
রাখুন।ওয়ারেন্টি ও ফোন বদলের ক্ষেত্রে কী হবে?কেনার পর
ফোনে ত্রুটি
দেখা দিলে
ব্র্যান্ড বা বিক্রেতার নীতিমালা অনুযায়ী
মেরামত কিংবা
বদলের সুযোগ
থাকতে পারে।
এ ক্ষেত্রে
কেনার রসিদ,
ওয়ারেন্টির নথি ও ফোনের পরিচয়সংক্রান্ত
তথ্য গুরুত্বপূর্ণ।কিছু বিক্রেতা
বা অনলাইন
প্ল্যাটফর্ম ফোন ফেরত কিংবা বদলের
সময় মূল
প্যাকেজিংও চাইতে পারে। তাই কেনার
পরপরই বাক্সটি
ফেলে না
দিয়ে ফেরত
বা বদলের
নির্ধারিত সময়সীমা পার হওয়া পর্যন্ত
সংরক্ষণ করা
ভালো। তবে
সব প্রতিষ্ঠান
ওয়ারেন্টি দাবি করার সময় বাক্স
চায় না।
এ জন্য
সংশ্লিষ্ট শর্ত জেনে নেওয়া প্রয়োজন।পুরোনো ফোন বিক্রিতে কাজে লাগতে পারেকয়েক বছর
ব্যবহারের পর ফোন বিক্রি করতে
চাইলে মূল
বাক্সটি কাজে
আসতে পারে।
ফোনের সঙ্গে
বাক্স, কেনার
রসিদ ও
মূল আনুষঙ্গিক
সরঞ্জাম থাকলে
ক্রেতার পক্ষে
ফোনের মডেল
ও পরিচয়সংক্রান্ত
তথ্য যাচাই
করা সহজ
হয়।তবে শুধু
বাক্স থাকার
কারণে ফোনের
দাম বেড়ে
যাবে, এমন
নিশ্চয়তা নেই।
বিক্রয়মূল্য নির্ভর করে ফোনের অবস্থা,
ব্যাটারির কার্যক্ষমতা, মডেল ও বাজারদরের
ওপর। বাক্সের
তথ্যের সঙ্গে
ফোনের আইএমইআই
ও মডেল
মিলিয়ে দেখাও
জরুরি।সংরক্ষণ
ও পরিবহনে বাড়তি সুবিধামূল বাক্সে
ফোনের আকৃতি
অনুযায়ী তৈরি
প্যাকেজিং থাকে। তাই ফোন সাময়িকভাবে
ব্যবহার না
করলে সেটি
গুছিয়ে রাখতে
বাক্সটি কাজে
লাগতে পারে।
অন্য কোথাও
ফোন পাঠানোর
ক্ষেত্রেও এটি ব্যবহার করা যায়।তবে কুরিয়ারে
পাঠানোর সময়
শুধু মূল
বাক্সের ওপর
নির্ভর করা
উচিত নয়।
পরিবহনের সময়
ধাক্কা বা
চাপ থেকে
ফোনকে সুরক্ষিত
রাখতে যথাযথ
অতিরিক্ত প্যাকেজিং
প্রয়োজন।বাক্স রাখতে না চাইলে যা করবেনবাড়িতে জায়গার অভাব থাকলে ফোনের
বাক্স সংরক্ষণ
না করলেও
চলে। তবে
ফেলে দেওয়ার
আগে কয়েকটি
কাজ করে
রাখুন:·
বাক্সের আইএমইআই, সিরিয়াল
নম্বর ও
মডেলের তথ্যের
ছবি তুলে
নিরাপদ জায়গায়
রাখুন।·
ফোনের কেনার রসিদ
ও ওয়ারেন্টি-সংক্রান্ত নথি
সংরক্ষণ করুন।·
ফেরত বা বদলের
সময়সীমা শেষ
হয়েছে কি
না, তা
নিশ্চিত করুন।·
ভবিষ্যতে
ফোন বিক্রির
পরিকল্পনা থাকলে বাক্সটি রেখে দেওয়ার
কথা বিবেচনা
করুন।বাক্সে থাকা আইএমইআই ও সিরিয়াল
নম্বরের মতো
তথ্য অন্যের
হাতে যেন
অপব্যবহারের সুযোগ তৈরি না করে,
সেদিকেও নজর
দিন। বাক্স
ফেলে দেওয়ার
সিদ্ধান্ত নিলে সংশ্লিষ্ট স্টিকার খুলে
ফেলুন বা
তথ্যগুলো অপাঠযোগ্য
করে দিন।স্মার্টফোনের বাক্স আজীবন রেখে দেওয়ার
প্রয়োজন নেই।
তবে কেনার
পর ফেরত
বা বদলের
সময়সীমা পার
হওয়া পর্যন্ত
এটি সংরক্ষণ
করা সুবিধাজনক।
পরে বাক্স
ফেলে দিলেও
ফোনের পরিচিতিমূলক
তথ্য, কেনার
রসিদ ও
ওয়ারেন্টির নথি নিরাপদে রাখুন।
মূল প্রতিবেদনে যান ↗