অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (এআইএসএ) সভাপতি নেহা বোরাকে ছেড়ে দিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। শনিবার (১৭ অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস।
দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শেষে ছেড়ে দেয়া হয়েছে নেহা বোরাকে। তবে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকের বিরুদ্ধে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (বিএনএসএস) ১২৬/১৭০ ধারায় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। তাকে বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হবে।
তবে সিজেপি বলছে, অজ্ঞাত জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে দিপকেকে। দিপকের অনুপস্থিতিতে সিজেপির নেতৃত্বের দায়িত্বে থাকা অজিঙ্কা শিন্ডে বলেন, ‘দিপকেকে আটক করার আট ঘণ্টার বেশি পেরিয়ে গেছে। কিন্তু তিনি কোথায় আছেন, তা এখনো আমরা জানি না। তাকে আইনজীবী কিংবা আমাদের দলের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলতে দেয়া হচ্ছে না। কী কারণে তাকে আটক করা হয়েছে, তা-ও আমরা জানতে পারিনি।’
এর আগে শুক্রবার নয়াদিল্লির কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্কে কর্মসূচি শুরুর আগেই বাসা থেকে অভিজিৎ দিপকেকে আটক করে পুলিশ। এ নিয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয় দফায় আটক করা হলো তাকে। একই দিন যন্তর মন্তরের কাছ থেকে আটক করা হয় নেহা বোরাকে। এর আগে ১০ অক্টোবর তাকে প্রথম দফা আটক করে পরে ছেড়ে দেয়া হয়। সিজেপির আরও দুই নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে আটক করা হয়েছে। তারা পাঁচ দিনের কারা হেফাজতে রয়েছেন।
সিজেপি নেতা অভিজিৎ দিপকে নয়াদিল্লি ফিরে কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্কে ‘লেহরা দো তেরঙ্গা’ মার্চ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছিলেন। শুক্রবার বিকেলে তাদের কর্মসূচি আয়োজন করার কথা ছিল। তবে দিনের শুরুর দিকে সেন্ট্রাল পার্কে তেরঙ্গা মার্চের মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে দিল্লি পুলিশ সিজেপি নেতা অভিজিৎ দীপকের বাড়িতে নোটিশ পাঠায়। সেই নোটিশে তাকে এই প্রতিবাদ কর্মসূচি আয়োজন করতে নিষেধ করা হয়।
পরে দিপকেকে আটকের পাশাপাশি পুলিশ ও নিরাপত্তারক্ষী বাহিনী কনট প্লেসে জমায়েত হওয়া বিশাল জনতাকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এছাড়া কর্মসূচিকে ঘিরে অভিযান চালিয়ে বিক্ষোভে অংশ নিতে পারে সন্দেহে প্রায় ১৫০ জনকে আটক করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
