ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতার আহ্বান রাজশাহী জেলা প্রশাসকের
প্রকাশ: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫২ পিএম
আপডেট: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫৯ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->রাজশাহীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জমানো পানি পরিষ্কার ও আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার আহ্বান জানিয়েছেন রাজশাহীর জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম।
তিনি বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের পাশাপাশি প্রতিটি পরিবার, ব্যক্তিপর্যায়ে সচেতনতা ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা জরুরি।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকাল ১০টায় রাজশাহী জেলা সুইমিং প্রাঙ্গণে জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রাজশাহী জেলা প্রশাসন এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এবারের প্রতিপাদ্য ছিল ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতন হোন, সুস্থ থাকুন।’
আরও পড়ুন
জেলা প্রশাসক বলেন, ‘বাড়ির ছাদ, ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র, ড্রামসহ বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানি নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা ও মশার বংশবিস্তার রোধে সম্মিলিত উদ্যোগ নেওয়া গেলে ডেঙ্গুর ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।’
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক (উপসচিব) নজরুল ইসলাম, সিনিয়র সহকারী কমিশনার (ভূমি অধিগ্রহণ শাখা) মো. আরিফ হোসেন, সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. বোরহান উদ্দিন অন্তর এবং জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর হোসেন। এ সময় জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
অলি/
আরও পড়ুন
সিলেট সীমান্তে অর্ধকোটি টাকার চোরাইপণ্য জব্দ
প্রকাশ: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪১ পিএম
৪৮ বিজিবির পৃথক দুটো অভিযানে জব্দ চোরাইপণ্যের একাংশ। ছবি: খবরের কাগজ
-->সিলেট সীমান্তের (৪৮ বিজিবির অধীন) ১৫টি স্পটে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) পৃথক অভিযানে ভারতে থেকে অবৈধভাবে আমদানি ও বাংলাদেশ থেকে পাচারকালে অর্ধকোটি টাকার চোরাইপণ্য জব্দ করা হয়েছে।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) সিলেট ব্যাটালিয়ন (৪৮ বিজিবি) সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৪ অক্টোবর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিলেট ব্যাটালিয়নের (৪৮ বিজিবি) সিলেট সীমান্তবর্তী এলাকার বাংলাবাজার, লাফার্জ, পান্থুমাই, তামাবিল, সংগ্রাম, প্রতাপপুর, সোনারহাট, ডিবিরহাওর বিওপি কর্তৃক চোরাচালানবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় মদ, শাড়ি, কম্বল, গরু, টমেটো, ফুচকা, সাবান, ফল, চুইংগাম, চিনি, কিসমিস, আলু এবং বাংলাদেশ থেকে ভারতে পাচারকালে শিং মাছ জব্দ করতে সক্ষম হয়। জব্দকরা মালামালের আনুমানিক সিজার মূল্য ২৪ লাখ ২৩ হাজার ৮১০ টাকা।
আরও পড়ুন
এর আগে, ২২ অক্টোবর সীমান্তের কালাসাদেক, প্রতাপপুর, দমদমিয়া, সোনারহাট, বিছনাকান্দি, নোয়াকোট, সংগ্রাম বিওপি কর্তৃক অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় মদ, গরু, ফল, কম্বল, কসমেটিকস, সবজি, চকলেট, বাসমতি চাল, আলু, জুস, দুধ, বিছানার চাদর, ফুচকা, মধু, বিস্কুট, বিড়ি, চা-পাতা এবং বাংলাদেশ থেকে পাচারকালে বাংলাদেশি লেডিস সোয়েটার জব্দ করে। যার সিজার মূল্য ২৭ লাখ ৩৪ হাজার ৯৫৯ টাকা।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ৪৮ বিজিবির অধিনায়ক জানান, সীমান্তে নিরাপত্তা রক্ষা, চোরাচালান এবং মাদকদ্রব্য পাচার প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এ সব মালামাল জব্দ করে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তামান্না রুপা/
আরও পড়ুন
‘সবচেয়ে বেশি জাহান্নামে যাবে সাংবাদিকরা’ মন্তব্যের প্রতিবাদে তালায় বিক্ষোভ
প্রকাশ: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২২ পিএম
আপডেট: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২৩ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->‘সবচেয়ে বেশি জাহান্নামে যাবে সাংবাদিকরা’-সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন মন্তব্যের প্রতিবাদে সাতক্ষীরার তালা উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মিজানুর রহমানকে অপসারণের দাবি করেছেন সাংবাদিকরা।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে সাংবাদিকরা তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে এই মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেন।
তালা উপজেলা প্রেসক্লাব ও তালা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত কর্মসূচিতে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত অর্ধশতাধিক সাংবাদিক অংশ নেন।
আরও পড়ুন
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সাংবাদিকদের নিয়ে একজন সরকারি কর্মকর্তার এমন মন্তব্য অনভিপ্রেত ও আপত্তিকর। গণমাধ্যমকর্মীরা জনস্বার্থে অনিয়ম, দুর্নীতি ও জনদুর্ভোগের খবর তুলে ধরেন। কোনো সংবাদ নিয়ে আপত্তি থাকলে নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে প্রতিবাদ জানানো যায়। কিন্তু সাংবাদিকদের নিয়ে এ ধরনের মন্তব্য পেশাগত মর্যাদার পরিপন্থী।
এ সময় বক্তারা সাংবাদিকদের নিয়ে করা মন্তব্যের বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে এবং ডা. মিজানুর রহমানকে দ্রুত অপসারণের দাবি জানান। মানববন্ধন শেষে প্রতিবাদ র্যালি ও বিক্ষোভ মিছিল করেন সাংবাদিকরা।
নাজমুল/নাঈম
আরও পড়ুন
মানিকগঞ্জের উন্নয়নে যা প্রয়োজন, প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে আনব: খাদ্যমন্ত্রী
প্রকাশ: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১৭ পিএম
আপডেট: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০৯ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->মানিকগঞ্জের উন্নয়নে যা যা প্রয়োজন, তা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছ থেকে নিয়ে আসব- বলে মন্তব্য করেছেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) মানিকগঞ্জ সদর উপজেলায় তিনটি সড়কের উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজের উদ্বোধন শেষে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।
উদ্বোধন করা সড়ক তিনটি হলো- তরা ব্রিজ থেকে গিলন্ড বাজার সড়ক, গিলন্ড জামে মসজিদ থেকে মুন্নু ফেব্রিকস হয়ে গিলন্ড জিপিএস সড়ক এবং গড়পাড়া ইউনিয়ন অফিস থেকে চান্দইর বাজার হয়ে শাহা সুফি বন্দে আলী মাজার সড়ক।
আরও পড়ুন
অনুষ্ঠানে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘মানিকগঞ্জের রাস্তাঘাটসহ সব এলাকার উন্নয়নকাজ পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে। আপনারা প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আস্থা রাখুন।’
তিনি বলেন, ‘বিগত ১৭ বছরে মানিকগঞ্জে তেমন কোনো উন্নয়ন হয়নি। সম্পদের সীমাবদ্ধতার কারণে সব উন্নয়নকাজ একসঙ্গে বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। তবে পর্যায়ক্রমে জেলার সব এলাকার উন্নয়নকাজ সম্পন্ন করা হবে।’ এ জন্য এলাকাবাসীকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান মন্ত্রী।
সড়ক উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী এবং এলাকাবাসীর উদ্দেশে আফরোজা খানম রিতা বলেন, ‘নির্বাচনের সময় আমরা যখন মাঠে-ময়দানে ছিলাম, তখন এলাকাবাসীর অন্যতম দাবি ছিল রাস্তাঘাটের উন্নয়ন। সেই দাবি পূরণে আজ আমরা সড়ক উন্নয়নের কাজ শুরু করেছি। এ জন্য মানিকগঞ্জবাসীর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। তার নির্দেশনায় এসব সড়কের উন্নয়নকাজ শুরু হচ্ছে।’
সড়কগুলোর কাজের মান ও অগ্রগতি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘কাজ যথাযথ মান বজায় রেখে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ হচ্ছে কি-না, তা এলাকাবাসীকে খেয়াল রাখতে হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট নির্বাহী প্রকৌশলী ও সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজের অগ্রগতি নিশ্চিত করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এখন আর আন্দোলনের সময় নয়, এখন দেশ গড়ার সময়, এলাকা গড়ার সময়।’
সড়কগুলোর উন্নয়নকাজের উদ্বোধন শেষে খাদ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বিএনপি নেতা-কর্মী, সরকারি কর্মকর্তা ও এলাকাবাসীকে নিয়ে দোয়া ও মোনাজাতের আয়োজন করা হয়।
আসাদ জামান/খাদিজা রুমি/
আরও পড়ুন
শাহজালাল (রহ.) মাজারে পঞ্চমবারের মতো টাকা গণনা শুরু
প্রকাশ: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১৪ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->সিলেটে হজরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সের টাকা পঞ্চমবারের মতো প্রকাশ্যে গণনা শুরু হয়েছে।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টায় সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন, জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, মাজার ব্যবস্থাপনায় গঠিত কমিটির প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের উপস্থিতে এ কার্যক্রম শুরু হয়।
সিলেটের জেলা প্রশাসক বলেন, আপাতত মাসে একবার গণনা করা হবে। এরপর ম্যানেজার নিয়োগ দেওয়া হবে।একজন কম্পিউটার অপারেটরও নিয়োগ হবে। তখন প্রতিদিন গণনার কাজ শেষ করা সম্ভব হবে। এই গণনা কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছেন শাহজালাল (রহ.) মাজার মাদরাসার শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ।
আরও পড়ুন
জানা গেছে, মাজারেরে মোট ৩টি ডেগ ও ৫ টি দানবাক্সর টাকা গণনা হচ্ছে। এবারও মাজারের দানবাক্স ও ডেগগুলোতে দেশি টাকার পাশাপাশি বিদেশি মুদ্রাও পাওয়া গেছে। সেই সঙ্গে পাওয়া গেছে বিভিন্ন দাবি-দাওয়া সংবলিত চিঠি।
এর আগেও চার দফায় মাজারের টাকা প্রকাশ্যে গণনা করা হয়েছে। তবে গত ২৩ সেপ্টেম্বর রাতে সিলেট সার্কিট হাউসে আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনতে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের নেতৃত্বে গঠিত কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত হয়, হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সের টাকা প্রতিদিন গণনা করা হবে। দানের টাকার ৩৫ শতাংশ মাজারের উন্নয়নকাজে জন্য ব্যাংকের একাউন্টে জমা রাখা হবে আর বাকি ৬৫ শতাংশ দিয়ে মাজারের দৈনন্দিন ব্যয় ও কর্মচারীদের বেতন নির্বাহ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, মাজারের আয়-ব্যয়ের ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গত ১২ জুন প্রথমবারের মতো উদ্যোগ নেন তৎকালীন জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম। এর ধারাবাহিকতায় ১৮ জুন মাজার প্রাঙ্গণে নতুন চারটি দানবাক্স স্থাপন করা হয়। একই সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত তিনটি ঐতিহাসিক দানের ডেগ এবং দানবাক্সগুলো সিলগালা করা হয়।
এ উদ্যোগকে ঘিরে দেশজুড়ে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এর মধ্যেই গত ২১ জুন সারওয়ার আলমকে জেলা প্রশাসকের পদ থেকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়। পরদিন ২২ জুন তিনি মাজারের সিলগালা করা ডেগ ও দানবাক্স খুলে প্রকাশ্যে অর্থ গণনার ব্যবস্থা করেন। ওইদিন গণনা শেষে মোট ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা পাওয়া যায়। পরে অর্থগুলো সোনালী ব্যাংকে খোলা একটি নতুন হিসাবে জমা রাখা হয়।
পরবর্তীতে মাজারের আর্থিক কার্যক্রমে অধিকতর স্বচ্ছতা আনতে গত ২৬ জুন বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের উদ্যোগে ১১ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিকে এক মাসের মধ্যে মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনার জন্য আধুনিক ও কার্যকর কাঠামোর সুপারিশ তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হয়। এরপর সিলেট সার্কিট হাউসে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে দানবাক্সের টাকা দ্বিতীয় দফায় গণনার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়।
গত ১১ জুলাই দ্বিতীয়বারের মতো হজরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সের টাকা প্রকাশ্যে গণনা সম্পন্ন হয়। দ্বিতীয় দফার ১৯ দিনে মাজারের দানবাক্স ও ডেগগুলোতে মোট ৪৭ লাখ ১০ হাজার ১৫৩ টাকা জমা হয়। দুইবার গণনার সময় একাধিক দেশের মুদ্রাসহ বিভিন্ন সামগ্রীও পাওয়া যায়।
গত ১৫ আগস্ট তৃতীয় দফার গত ৩৪ দিনে মাজারের দানবাক্স ও ডেগগুলোতে মোট নগদ ৭০ লাখ ৮৮ হাজার ৬৭২ টাকা, স্বর্ণ, রুপা ও একাধিক দেশের মুদ্রাসহ বিভিন্ন সামগ্রীও পাওয়া যায়। ১৯ সেপ্টেম্বর চতুর্থ দফায় দানবাক্স ও ডেগ থেকে পাওয়া যায় ৮৮ লাখ ৯২ হাজার ৯৬৬ টাকা বৈদেশিক মুদ্রা, স্বর্ণ ও রুপা পাওয়া যায়।
শাকিলা ববি
