বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের নিকট টাকা পাওয়ার বিষয়টি মনগড়া ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত বলে দাবি করলেন এপেক্স জুটমিল কর্তৃপক্ষ।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সিরাজগঞ্জ এপেক্স জুটিমলসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. গোলাম মোস্তফা স্বাক্ষরিত এক প্রেসনোটের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।
এপেক্স জুটমিলসের পক্ষ থেকে পাঠানো প্রেসনোটে উল্লেখ করা হয়, এপেক্স জুটমিলসের সঙ্গে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর ব্যবসায়িক বা ব্যক্তিগত কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
তিনি উল্লেখ করেন, ঝিনাইদহের ব্যবসায়ী আবু হাসান মিয়া একসময় অ্যাপেক্স জুট মিলস লিমিটেডে কাঁচা পাট সরবরাহ করতেন। তবে ২০১৭ সাল থেকেই তিনি মিলটিতে পাট সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেন। তৎকালীন সময়েই তার সব পাওনা টাকা নিজ হাতে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। সে সম্পর্কিত যাবতীয় হিসাবপত্র ও লিখিত প্রমাণাদি মিলের কার্যালয়ে সংরক্ষিত রয়েছে।
এমনকি পাট শিল্পের সার্বিক মন্দা ও কাঁচা পাটের সংকটজনিত কারণে ২০২০ সালেই ‘অ্যাপেক্স জুট মিল’ তাদের সব উৎপাদন ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে। ২০১৭ সালের পর থেকে আবু হাসান মিয়ার সঙ্গে কোনো ব্যবসায়িক লেনদেন বা বকেয়া পাওনা ছিল না।
এপেক্স জুটমিলের এমডি গোলাম মোস্তফা আরও উল্লেখ করেন, হঠাৎ একটি কুচক্রী মহল নিজেদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল করতে এবং বন্ধ হয়ে যাওয়া প্রতিষ্ঠানের পুরোনো বিষয়কে পুঁজি করে মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে জড়িয়ে এমন একটি পুরোনো ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে ঘৃণিত অভিনয় ও বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে।
এর আগে, মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানী ঢাকায় প্রেস ক্লাবের সামনে ঝিনাইদহ জেলার আবু হাসান মিয়া নামে এক পাট ব্যবসায়ী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর কাছে টাকা পাওনা রয়েছে এমন অভিযোগ তুলে বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।
