সংবাদ · সাধারণ
সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান হত্যার তীব্র নিন্দা সম্পাদক পরিষদের
১৮/১০/২০২৬

সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান ফকির আলিফের নৃশংস হত্যাকাণ্ডে গভীর শোক, তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সম্পাদক পরিষদ। সংগঠনটি বলেছে, এই হত্যাকাণ্ড শুধু একজন নাগরিকের জীবন কেড়ে নেওয়ার ঘটনা নয়; এটি স্বাধীন সাংবাদিকতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও জনগণের জানার অধিকারের ওপর এক ভয়াবহ আঘাত।শনিবার (১৮ অক্টোবর) সম্পাদক পরিষদের পক্ষ থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব কথা বলা হয়। বিবৃতিতে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান ফকির আলিফের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়। তার সহকর্মীদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করা হয়।সম্পাদক পরিষদ মনে করে, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। সাংবাদিকের ওপর হামলা মানে গণতন্ত্র ও জনগণের জানার অধিকারের ওপর আক্রমণ, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।বিবৃতিতে হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও দ্রুত তদন্ত নিশ্চিত করে হত্যার সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত প্রত্যেককে অবিলম্বে গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের পেছনে কোনো রাজনৈতিক, ব্যক্তিগত কিংবা সাংবাদিকতাসংশ্লিষ্ট বিরোধ বা পূর্ববর্তী হুমকির ঘটনা রয়েছে কি না, তাও গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করতে হবে বলে উল্লেখ করা হয়।সম্পাদক পরিষদ সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, এই হত্যাকাণ্ডের তদন্তে কোনো প্রভাবশালী মহলের চাপ থাকলে তা কঠোরভাবে প্রতিহত করতে হবে। সন্দেহভাজনদের প্রভাবশালী পরিচয় থাকলেও আইনের আওতায় আনা নিশ্চিত করতে হবে। হত্যাকারীদের রক্ষা করা হলে দেশে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও আইনের শাসনের প্রতি জনগণের আস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ হবে।সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি। বলেছে, সাংবাদিকদের ভয় দেখিয়ে, হামলা চালিয়ে বা হত্যা করে সত্য প্রকাশের পথ বন্ধ করা যাবে না। সত্যের পথে অবিচল থাকার জন্য এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও স্বাধীনতার পক্ষে এককভাবে কাজ করার জন্য গণতান্ত্রিক শক্তি, নাগরিক সমাজ ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে আহ্বান জানানো হয়।বিবৃতিতে শেষে বলা হয়, সাংবাদিক হত্যার বিচার বিলম্বিত হলে বা বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধ না হলে সত্য প্রকাশের অধিকার রক্ষায় কোনো আশার বাণী থাকে না।
মূল প্রতিবেদনে যান ↗