অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি, কারাগার ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আনোয়ার হোসেন উচ্চ রক্তচাপ (এইচটিএন) ও ইস্কেমিক হার্ট ডিজিজে (আইএইচডি) আক্রান্ত ছিলেন। শারীরিক অসুস্থতার কারণে গত ১৭ অক্টোবর থেকে তিনি কারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
বুধবার (২১ অক্টোবর) রাতে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে রাত ১১টা ৫ মিনিটে তাঁকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১১টা ৫৫ মিনিটে তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুসনদে মৃত্যুর কারণ হিসেবে অ্যাকিউট করোনারি সিনড্রোম (এসিএস), ডায়াবেটিস মেলিটাস (ডিএম), ব্রঙ্কিয়াল অ্যাজমা এবং উচ্চ রক্তচাপের উল্লেখ রয়েছে।
দুই বছরের কারাদণ্ড হয়েছিল, কারাগার সূত্রে আরও জানা যায়, পেনাল কোডের ৩২৪ ধারায় দায়ের করা একটি মামলায় আদালত আনোয়ার হোসেনকে দুই বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এরপর গত ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে তাঁকে চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। বিধি অনুযায়ী, মরদেহের সুরতহাল ও ময়নাতদন্তের প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের কথা রয়েছে।
কারা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি, এ বিষয়ে জানতে চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারের জেল সুপার গোলাম দস্তগীরের সরকারি নম্বরে ফোন করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। পরে হোয়াটসঅ্যাপে খুদে বার্তা পাঠিয়েও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, বিষয়টি আইনগত প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
The post চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাজাপ্রাপ্ত কয়েদির মৃ’ত্যু’ appeared first on ভোরের চেতনা.
