অন্তরঙ্গ দৃশ্যে অভিনয়ের আপত্তি মার্কিন অভিনেত্রীর
প্রকাশ: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫২ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->হলিউডে অন্তরঙ্গ দৃশ্যে অভিনয় নিয়ে নিজের অবস্থান জানিয়েছেন অস্কার মনোনীত মার্কিন অভিনেত্রী আমান্ডা সেফ্রিড। সম্প্রতি যৌন দৃশ্যের আধিক্য থাকায় একটি টিভি সিরিজে অভিনয়ের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছেন তিনি। আমান্ডা জানিয়েছেন, অপরিচিত কারও সঙ্গে নগ্ন হয়ে অভিনয় করতে এখন আর স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন না।
সপ্রতি যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ইস্ট হ্যাম্পটনে হ্যাম্পটনস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে এক আলোচনায় এ কথা বলেন ৪০ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী। আলোচনাটি সঞ্চালনা করেন অভিনেতা আলেকজান্ডার রে বল্ডউইন ।
অভিনয়ের প্রয়োজনে পর্দায় এমন মানুষের সঙ্গে রোমান্টিক দৃশ্যে অভিনয় করতে হয়, যাদের সঙ্গে বাস্তবে কোনো সম্পর্ক নেই। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি কাছে আরও অদ্ভুত লাগছে বলে জানান আমান্ডা। তিনি বলেন, ‘একটি সিরিজের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছি। সেখানে আমাকে নিয়মিত যৌন দৃশ্যে অভিনয় করতে হতো। বিষয়টি আমার ভালো লাগেনি। আমি এখন আর এটা করতে চাই না। এ নিয়ে আমি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি না।’
ভবিষ্যতে একই ধরনের প্রস্তাব পেলে তার সিদ্ধান্ত বদলাতে পারে বলেও জানিয়েছেন অভিনেত্রী। তবে এখন অপরিচিত কারও সঙ্গে নগ্ন হয়ে অভিনয়ের ঝামেলায় যেতে চান না তিনি। এর পেছনে সন্তানদের কথাও উল্লেখ করেছেন আমান্ডা। তার ভাষায়, ‘আমার এখন সন্তান আছে। তারা আমার কাজের দিকে নজর রাখছে। তাই সবকিছুতে সহজে রাজি হওয়া বন্ধ করতে হবে।’
‘মামা মিয়া’ ও ‘মিন গার্লস’ সিনেমায় অভিনয় করে পরিচিতি পান আমান্ডা। ‘ম্যানক’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য অস্কার মনোনয়নও পেয়েছিলেন তিনি। ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে অন্তরঙ্গ দৃশ্যে অভিনয় নিয়ে তার দৃষ্টিভঙ্গি আলাদা ছিল। তখন সহ-অভিনেতার সঙ্গে চুম্বনের দৃশ্যকে কাজের স্বাভাবিক অংশ হিসেবেই দেখতেন। এখন বয়স ও ব্যক্তিগত জীবনের পরিবর্তনের সঙ্গে সেই মনোভাবও বদলেছে বলে জানান এই মার্কিন অভিনেত্রী।
আরও পড়ুন
কীসের অপেক্ষায় ববিতা
প্রকাশ: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৬ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->উপমহাদেশের আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন নায়িকা ববিতা প্রায় একযুগ হলো নতুন কোনো সিনেমায় অভিনয় করছেন না। অস্কারজয়ী বিশ্বনন্দিত চলচ্চিত্র পরিচালক সত্যজিৎ রায়ের ‘অশনি সংকেত’ সিনেমার নায়িকা ববিতাকে নিয়ে সর্বশেষ নারগিস আক্তার ‘পুত্র এখন পয়সাওয়ালা’ সিনেমাটি নির্মাণ করেছিলেন।
প্রায় একযুগ আগে মুক্তিপ্রাপ্ত এই সিনেমার পর আর নতুন কোনো সিনেমায় অভিনয়ে দেখা যায়নি তাকে। অবশ্য এর পর অনেক চলচ্চিত্র নির্মাতাই তার কাছে গিয়েছেন, সিনেমার গল্প শুনিয়েছেন। কিন্তু ববিতার গল্প ভালো লাগেনি। ববিতা আবার যদি কখনো সিনেমায় অভিনয়ে ফেরেন, তবে একেবারেই মৌলিক গল্পের সিনেমায় অভিনয় করবেন।
কানাডা থেকে মুঠোফোনে ববিতা এ প্রসঙ্গে তার অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন, ‘সত্যি বলতে কী, বিগত প্রায় একযুগে অনেক নির্মাতাই গল্প শুনিয়েছেন। কিন্তু কারও গল্পই আসলে আমার মন ছুঁয়ে যায়নি, যাতে আমি অভিনয় করার আগ্রহ পাব। কিন্তু এটাও সত্যি, আমার এখনো চলচ্চিত্রে অভিনয় করার আগ্রহ আছে। আগ্রহ আছে এ কারণেই যে, আমি তো মনেপ্রাণে একজন চলচ্চিত্রাভিনেত্রী। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত আমি অভিনয়ই করে যেতে চাই। কিন্তু বিগত দশ বছরে একটি ভালো গল্পের সিনেমায় অভিনয় করার সুযোগ এল না আমার। এখনো আমি প্রতীক্ষায় আছি– হয়তো একটি খুব ভালো মৌলিক গল্প আমার কাছে আসবে। পাশের দেশে যদি তাকাই, এখনো তাদের দেশের জীবন্ত কিংবদন্তি অভিনয়শিল্পীদের কেন্দ্র করেই গল্প এগিয়ে যায়, সিনেমা নির্মিত হয়। গল্পের কারণেই কিংবদন্তি শিল্পী সিনেমার প্রাণ হয়ে ওঠেন। আর যারা তরুণ শিল্পী থাকেন, তারা সেই শিল্পীর পাশে অভিনয় করে সিনেমাটিকে আরও অলংকৃত করে তোলেন। তারা প্রবল আগ্রহ নিয়ে কিংবদন্তির সঙ্গে অভিনয় করেন। আমরা তা পর্দায় প্রাণভরে উপভোগ করি। কিন্তু আমাদের দেশে এখনো এ ধরনের সিনেমা নির্মাণে সাহস পান না নির্মাতারা। একজন শ্রদ্ধেয় আলমগীর ভাই, সোহেল রানা ভাইসহ আরও অনেকেই বেঁচে আছেন। তাদের নিয়ে এখনো ভালো ভালো গল্পের সিনেমা হতে পারে। অথচ তাদের অনেকেই আমারই মতো বহু বছর যাবৎ সিনেমার সঙ্গে সম্পৃক্ত নেই। আমরা আমাদের অভিজ্ঞ শিল্পীদের কাজে লাগাতে পারছি না। তাই আমার এই সময়ে এসে একটু আফসোসই হয় যে আমি জীবনের শেষপ্রান্তে এসে একটি ভালো মৌলিক গল্প পেলাম না, যাতে আমি মনপ্রাণ দিয়ে নিজেকে পূর্ণ নিবেদিত করে অনেক কষ্ট করে অভিনয় করতে পারি। হয়তো সেই সময় আসবে, জানি না তা কবে।’
ববিতা বাংলাদেশের একজন সফল চলচ্চিত্র অভিনেত্রী এবং প্রযোজক। তিনি বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের ৭০-র দশকের সেরা অভিনেত্রী ছিলেন। ববিতা ৩৫০-এর বেশি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। তিনি ১৯৭৫ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রবর্তনের পর টানা তিনবার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার লাভ করেন। এ ছাড়া ১৯৭৬, ১৯৭৭, ১৯৮৫ সালে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পান। ১৯৯৬ সালে শ্রেষ্ঠ প্রযোজক, ২০০২ ও ২০১১ সালে পার্শ্বচরিত্রে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত হন। ২০১৬ সালে তাকে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের আজীবন সম্মাননা পুরস্কার প্রদান করা হয়। চলতি বছর তিনি একুশে পদক ও ‘মা পদক’-এ ভূষিত হন।
আরও পড়ুন
বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফকে লক্ষ্য করে গুলি
প্রকাশ: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩৭ এএম
আপডেট: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫৮ এএম
ছবি: সংগৃহীত
-->মুম্বাইয়ের জুহুতে বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর ঘটনা ঘটেছে।
রবিবার (১৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় জুহুর একটি ফুটবল মাঠ থেকে ফেরার সময় এই হামলার শিকার হন তিনি।
তবে সৌভাগ্যবশত এই প্রাণঘাতী হামলা থেকে অক্ষত অবস্থায় বেঁচে গেছেন এই তারকা। হামলায় টাইগারের গায়ে কোনো গুলি না লাগলেও গাড়িচালক এবং এক স্থানীয় পথচারী আহত হন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রবিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে একটি ফুটবল ম্যাচ ও প্রাইভেট ইভেন্ট শেষ করে নিজের বিএমডব্লিউ গাড়িতে উঠছিলেন টাইগার শ্রফ। এ সময় মোটরসাইকেলে করে আসা তিন দুষ্কৃতকারী তার গাড়ি লক্ষ্য করে পরপর চার-পাঁচ রাউন্ড গুলি চালায়। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে নানাবতী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা গেছে, হামলাকারীদের একজনের বন্দুক শেষ মুহূর্তে জ্যাম হয়ে যাওয়ায় বড় ধরনের বিপদ থেকে রক্ষা পান অভিনেতা।
এই হামলার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি অডিও বার্তা এবং পোস্টের মাধ্যমে লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের পক্ষ থেকে দায় স্বীকার করা হয়েছে।
গ্যাংয়ের সদস্য হিসেবে পরিচিত অনিল পন্ডিত ও হরমন সাধু দাবি করেছে, অভিনেতা সালমান খানের সঙ্গে কাজ করা এবং তাদের নির্দেশ অমান্য করার কারণে টাইগারকে নিশানা করা হয়েছে। তবে পুলিশ এই দাবির সত্যতা ও নেপথ্যের কারণ খতিয়ে দেখছে।
ঘটনার পরই নড়েচড়ে বসেছে মহারাষ্ট্র প্রশাসন। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ এবং উপ-মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে মুম্বাই পুলিশের কমিশনারের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং দ্রুত অপরাধীদের গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিয়েছেন। এই ঘটনার তদন্তে মুম্বই পুলিশের প্রায় ১৫টি বিশেষ টিম ও ক্রাইম ব্রাঞ্চ যৌথভাবে কাজ করছে এবং ইতোমধ্যে একজনকে আটকও করা হয়েছে। সেলিব্রিটিদের ওপর বারবার হামলায় মুম্বাইজুড়ে ব্যাপক উদ্বেগ ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
মুম্বাইয়ে হত্যার চেষ্টার শিকার হওয়ার পর বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফের প্রথম ছবিগুলো প্রকাশ্যে এসেছে। ছবিগুলোতে দেখা গেছে, তার গায়ে একাধিক জায়গায় এবং হাতে ব্যান্ডেজ করা রয়েছে। মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে তার স্বাস্থ্যের খোঁজ নিতে অভিনেতার বাসভবনে গেলে এই ছবিগুলো সামনে আসে।
সামনে আসা ছবিগুলোতে দেখা যায়, টাইগার শ্রফের কাঁধে ও বুকে ড্রেসিং করা এবং ডান হাতে ব্যান্ডেজ বাঁধা রয়েছে। রবিবার গভীর রাতে শিন্ডের এই সাক্ষাতের সময় তার মা আয়েশা শ্রফও উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: এনডিটিভি
তামান্না রুপা/
আরও পড়ুন
ঘুরে দাঁড়াচ্ছে ইয়ামির সিনেমা
প্রকাশ: ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪৪ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->মুক্তির দ্বিতীয় দিনে আয় বাড়িয়ে বক্স অফিসে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছে ইয়ামি গৌতম অভিনীত ‘নয়ি নাভেলি’ সিনেমাটি। প্রথম দিনের তুলনায় দ্বিতীয় দিনে সিনেমার আয় বাড়ায় বক্স অফিসে আলোচনায় এসেছে। একই সময়ে মুক্তি পাওয়া রাজকুমার রাও অভিনীত ‘প্রহার’-এর সঙ্গেও চলছে আয়ের তুলনা।
মিড-ডের প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির প্রথম দিনে ‘নয়ি নাভেলি’ আয় করে প্রায় ৩ কোটি ২৫ লাখ রুপি। তবে মুক্তির পর সিনেমাটি মিশ্র থেকে নেতিবাচক সমালোচনা পাওয়ায় এর ব্যবসা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছিল। প্রথম দিনের আয়ও প্রত্যাশা পূরণ করতে পারবে কি না, সেই প্রশ্ন সামনে এনেছিল।
তবে দ্বিতীয় দিনের হিসাব কিছুটা স্বস্তি দিয়েছে নির্মাতাদের। হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুই দিনে ‘নয়ি নাভেলি’র মোট আয় ৭ কোটি রুপি ছাড়িয়েছে। অন্যদিকে রাজকুমার রাও অভিনীত ‘প্রহার’ একই সময়ে ৫ কোটি রুপির বেশি আয় করেছে।
আরও পড়ুন
গ্রিন কার্ড পেলেন মৌসুমী
প্রকাশ: ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৩৪ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->চিত্রনায়িকা মৌসুমী দীর্ঘদিন ধরেই আমেরিকায় বসবাস করছেন। অবশেষে দীর্ঘ ৩ বছর অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে মার্কিন মুলুকে স্থায়ীভাবে বসবাসের আইনি স্বীকৃতি বা গ্রিন কার্ড পেয়েছেন এই অভিনেত্রী। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে বিষয়টি অভিনেত্রী নিজেই জানিয়েছেন।
২০২৩ সালের মাঝামাঝি সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান মৌসুমী। এরপর থেকে সেখানেই বসবাস করছেন তিনি। মেয়ে ফাইজার পড়াশোনার পাশাপাশি অসুস্থ মায়ের চিকিৎসার বিষয়টিও দেখভাল করছিলেন এই অভিনেত্রী। দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করলেও সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি পাওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন তিনি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ড পাওয়ার ফলে এখন থেকে দেশটিতে স্থায়ীভাবে বসবাস এবং আইনগতভাবে কাজ করার পূর্ণ অধিকার অর্জন করলেন এই নায়িকা। শুধু তাই নয়, নির্দিষ্ট নিয়ম ও মেয়াদ পূর্তির পর চাইলে মার্কিন নাগরিকত্বের জন্যও আবেদন করতে পারবেন তিনি।
১৯৯০ সালে ‘আনন্দ বিচিত্রা ফটো বিউটি কনটেস্ট’-এ বিজয়ী হওয়ার মাধ্যমে শোবিজ অঙ্গনে কাজ শুরু করেন মৌসুমী। এরপর ছোট পর্দার কাজ ও বিজ্ঞাপনের মডেল হিসেবে পরিচিতি পান। ১৯৯৩ সালে প্রয়াত চিত্রনায়ক সালমান শাহের বিপরীতে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয়। প্রথম ছবিতেই তারকাখ্যাতি পান তিনি। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে প্রায় দুই শতাধিক ব্যবসাসফল ছবি উপহার দিয়েছেন মৌসুমী। চলচ্চিত্রে অভিনয়ে স্বীকৃতিস্বরূপ তিনবার পেয়েছেন শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি চলচ্চিত্র পরিচালনা ও প্রযোজনা করেছেন। ২০০৩ সালে ‘কখনো মেঘ কখনো বৃষ্টি’ সিনেমা পরিচালনার মাধ্যমে নির্মাতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। ১৯৯৬ সালে ‘কপোতাক্ষ চলচ্চিত্র’ নামে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। ব্যক্তিগত জীবনে ১৯৯৬ সালে চিত্রনায়ক ওমর সানীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি।
