দুর্ঘটনার পরে দুমড়ে-মুচড়ে গিয়েছে দু’টি গাড়ি ছবি: X
Published on
:
1 min read
মার্সিডিজ় বেঞ্জ চালিয়ে স্কুটিচালককে পিষে দেওয়ার অভিযোগ উঠল বিচারকের নাবালক ছেলের বিরুদ্ধে। রবিবার ভোরে কেরালার কোচিতে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। মৃতের নাম জয়বালকৃষ্ণণ (৫৫)। অভিযোগ, তিনি স্কুটি চালিয়ে যাচ্ছিলেন। সেই সময়ে পিছন থেকে তাঁকে ধাক্কা মারে গাড়িটি। দুর্ঘটনার পরেই ১৭ বছরের নাবালক চালককে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কোচির অম্বাট্টুভাগমে থাকতেন জয়বালকৃষ্ণণ। চিত্তুর মন্দিরের কাছে একটি খাবারের স্টল চালাতেন তিনি। রবিবার ভোরে কাজ সেরে স্কুটিতে বাড়ি ফিরছিলেন। সেই সময়ে বেপরোয়া গতিতে একটি মার্সিডিজ বেঞ্জ এসে তাঁকে পিছন থেকে ধাক্কা মারে বলে অভিযোগ।
রাস্তার উপরে ছিটকে পড়েন জয়বালকৃষ্ণণ। দুমড়ে-মুচড়ে যায় স্কুটি। তাঁর সঙ্গে বেশ কয়েকটি ব্যাগ ছিল। সেগুলিও রাস্তায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে যায়। ব্যাপক ক্ষতি হয় গাড়িটিরও। স্থানীয়রাই জয়বালকৃষ্ণণকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।
ঘটনার পরেই নাবালক চালককে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে চেরানাল্লুর থানার পুলিশ। ঘটনার সময়ে সে মদ্যপ অবস্থায় ছিল না বলেই দাবি। তবে মেডিক্যাল পরীক্ষার জন্য তার রক্তের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, বিচারকের নামেই গাড়িটির রেজিস্ট্রেশন রয়েছে। ইতিমধ্যেই নাবালক চালকের বিরুদ্ধে বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো এবং অবহেলার কারণে মৃত্যুর অভিযোগে FIR দায়ের করেছে পুলিশ।
ঘটনার পরে বিচারকের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলেছেন মৃতের ভাইঝি জয়লক্ষ্মী। দাবি, থানায় তিনি বিচারককে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, কেন নাবালক ছেলের হাতে গাড়ি তুলে দিলেন? জবাবে তাঁকে গালিগালাজ করা হয় বলে অভিযোগ জয়লক্ষ্মীর। তিনি বলেন, ‘বিচারকের আচরণ মাথায় রেখে, আমরা এই মামলা লড়ব। লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালালে কী হতে পারে, এই ঘটনা থেকে সবার শিক্ষা নেওয়া উচিত।’
